বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

অনেক চালকই হেলপারের হাতে ট্রেনের নিয়ন্ত্রণ দিয়ে দেন

বাংলাদেশ রেলওয়েতে এমনিতেই চালকের সংখ্যা কম। তাই কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে চাইলেই খুব বেশি শাস্তি দেওয়া হয় না তাদের। নইলে যে যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলই কঠিন হয়ে যাবে। আর এ সুযোগটাই ভালো মতো গ্রহণ করেছেন ট্রেন চালকরা।

নিজেরা মাইলেজ ভাতা নিলেও কাজের ক্ষেত্রে তাদের অধিকাংশই ট্রেন চালানোর ভার ছেড়ে দেন সহকারীর ওপর। ফলে মাঝে মাঝেই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। চালকের পরিবর্তে সহকারী দিয়ে ট্রেন চালানোর ঘটনাটি ধরা পড়ে গত ১৩ অক্টোবর। ওইদিন লোকোমাস্টার বা চালক ছাড়াই পাবনা এক্সপ্রেস ট্রেন ঈশ্বরদী থেকে চলে যায় রাজশাহীতে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। সেখানে এ ঘটনাতেও চালক, সহকারী চালক ও গার্ডকে দায়ী করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগে সংঘটিত দুর্ঘটনায় চালক ও তার সহকারী এবং গার্ডের অবহেলার প্রমাণ পায় তদন্ত কমিটি।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, বর্তমানে রেলের ৬০৮টি চালকের পদ শূন্য, মূল পদ ১৭৪২টি। এর মধ্যে সহকারী লোকোমাস্টারের (গ্রেড-২) ৬০৭ পদের মধ্যে ৩২৯ জন কর্মরত। এ পদে যোগদানের পর পর্যায়ক্রমে কয়েকটি ধাপ পার হয়ে মূল চালক হতে সময় লাগে ন্যূনতম ৮ বছর। কিন্তু এখন অনেক চালকই তাদের আনকোরা সহকারীদের হাতে ট্রেনের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে অন্যত্র থাকেন।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত