সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯

অন্যায়কারী যে-ই হোক ছাড় দেওয়া হবে না

আওয়ামী লীগের ভেতরে ‘শুদ্ধি অভিযান’ শুরুর পর সব মহলে একটি প্রশ্ন আলোচনায় ছিলো যে, দলের শীর্ষ পর্যায়ের যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না? ক্যাসিনো ব্যবসায় সম্পৃক্ততার দায়ে যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট আটক হওয়ার পর সেই প্রশ্নের উত্তরও মিলেছে। এর মাধ্যমে সমালোচক মহলে আওয়ামী লীগ সেই বার্তা দিতে পেরেছে যে, অন্যায়কারী যে-ই হোক ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ প্রমান হলে তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।  

একই সঙ্গে দলের মধ্যেও একটা বার্তা গেলো, ‘দল ও পদের নাম’ বেঁচে খাওয়ার দিন শেষ। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে যারা নেতৃত্বে আসবেন, তাদের জন্যও বিষয়টি টনিক হিসেবে কাজ করবে। সম্রাটকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে কার্যত কঠোর বার্তা এলো-এমনটি মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগ ও সরকার প্রধান শেখ হাসিনার এই দুর্নীতি বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। তারা বিশ্বাস করেন, এর মাধ্যমে দলের যেসব স্বচ্ছ ভাবমুর্তির নেতারা কোনঠাসা ছিলেন, তারা সামনের সারিতে আসবেন আগামীতে। সহযোগী সংগঠনগুলোর আগামী সম্মেলনগুলোতে তারাই শীর্ষ পদগুলোতে জায়গা পাবেন।   

দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সম্রাটের গ্রেপ্তার হওয়া এর জ্বলন্ত উদাহরণ। বলেছিলাম, তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে, গ্রেপ্তারের মতো অবস্থা হলে অপরাধে জড়িত সে যেই হোক তাকে গ্রেপ্তার করা হবে।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

error: Content is protected !!