বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১

আগামী বাজেটে বিনিয়োগকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারে আগামী বাজেটে বিনিয়োগকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। করোনাকালে পুরোনো শিল্পকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি নতুন শিল্প স্থাপনে নানা কর ছাড় দেয়া হবে।

শুধু শিল্প খাতে নয়, স্বাস্থ্য খাতেও বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত কর অবকাশ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

করপোরেট কর কমছে : গত বছরের ধারাবাহিকতায় আগামী বাজেটেও করপোরেট করে ছাড় দেয়া হচ্ছে। তবে ঢালাওভাবে সব খাতে নয়, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত শিল্পের কর কমানো হচ্ছে। অপরিবর্তিত থাকছে মার্চেন্ট ব্যাংক; সিগারেট, জর্দা ও গুলসহ তামাকজাত দ্রব্য প্রস্তুতকারী কোম্পানি এবং তালিকাভুক্ত ও তালিকাবহির্ভূত মোবাইল কোম্পানির কর হার।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি করপোরেট কর ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২২ শতাংশ এবং তালিকাবহির্ভূত কোম্পানির কর সাড়ে ৩২ থেকে ৩০ শতাংশ করা হচ্ছে।

ন্যূনতম কর কমছে : পাইকারি ব্যবসায়ী, পণ্য পরিবেশক, ব্যক্তি মালিকানাধীন (প্রপাইটারশিপ) ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক লেনদেনের ওপর ন্যূনতম আয়কর কমানো হচ্ছে। বর্তমানে ৩ কোটি টাকার বেশি টার্নওভার হলে লাভ বা ক্ষতি যাই হোক দশমিক ৫০ শতাংশ হারে ন্যূনতম কর দিতে হয়।

আগামী বাজেটে করহার কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ করা হচ্ছে। পণ্য উৎপাদনে নিয়োজিত নতুন শিল্পের ক্ষেত্রে উৎপাদন শুরুর পরবর্তী প্রথম ৩ বছর ন্যূনতম কর হার দশমিক ১০ শতাংশ থাকছে। তবে মোবাইল অপারেটরদের লাভ-ক্ষতি নির্বিশেষে টার্নওভারের ওপর ২ শতাংশ এবং তামাক প্রস্তুতকারক কোম্পানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম কর হার এক শতাংশ বহাল থাকছে।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত