মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

ই-অরেঞ্জ কর্মকর্তা নাজমুল চার দিনের রিমান্ডে

প্রতারণা করে গ্রাহকের এক হাজার একশ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ই-অরেঞ্জের সাবেক চিফ অপারেটিং অফিসার নাজমুল আলম রাসেলের চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর ছিদ্দিক এ আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অপরদিকে আসামিপক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন নাকচ করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

গত ২৩ আগস্ট ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিনসহ তিন আসামির পাঁচ দিন করে রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। অপর দুজন হলেন-সোনিয়ার স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার আমানউল্লাহ।

গত ১৭ আগস্ট সকালে মামলা করেন ই-অরেঞ্জের প্রতারণার শিকার গ্রাহক তাহেরুল ইসলাম। প্রতারণার শিকার হওয়া আরও ৩৭ জন এ সময় উপস্থিত থেকে সাক্ষ্য দেন। ওইদিন দুপুরে সোনিয়া ও তার স্বামী আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত তা নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠান।

তাহেরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তিনি গত ২১ এপ্রিল পণ্য কেনার জন্য ই-অরেঞ্জকে অগ্রিম টাকা দেন। তবে ই-অরেঞ্জ নির্ধারিত তারিখে পণ্য সরবরাহ করেনি। টাকাও ফেরত দেয়নি। নিজেদের ফেসবুক পেজে বারবার নোটিশ দিয়েছে। সময় চেয়েছে। কিন্তু পণ্য ও টাকা দেয়নি। আজ পর্যন্ত তারা পণ্য ডেলিভারি না দিয়ে এক লাখ ভুক্তভোগীর প্রায় এক হাজার একশ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে।


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত