সোমবার, ২৩ মে ২০২২

ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ীদের

করোনার নতুন অমিক্রন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। যা দেশে করোনা ও অমিক্রন দুটি ভয়াবহ পরিস্থিতিতে রূপ নিচ্ছে। দেশে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাই সবার মাঝে এখন আতঙ্কের বিরাজ করছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় আরও ৬ মাস বাড়ানো জরুরি। এই মুহূর্তে ব্যাংকের ঋণের টাকা পরিশোধ গেলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা বন্ধ করে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তাতে হাজার হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ বেকার হয়ে পড়বে।

এছাড়া অর্থনীতি বড় একটা ধস নেমে আসবে। ব্যাংক কর্মকর্তারাও মনে করছেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময় আরও বাড়ানো উচিত। আর বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, যেহেতু এক বছর সময় দেওয়া হয়েছিল, সেহেতু এখন পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এক্ষেত্রে সময় আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে।

অর্থনীতিবিদরা বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন দেশে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত ও শনাক্তের হার বাড়ছে। মনে হচ্ছে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে। তাই মুহুর্তে দেশে কঠোরভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করা দরকার। তবে দেশের অর্তনীতি সচল রাখতে হবে। অর্থনীতি সচল রাখতে হলে ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। ব্যবসায়ীদের ঋণের কিস্তি পরিশোধের মেয়াদ বাড়াতে হবে। না বাড়ালে বিপাকে পড়বে দেশের ব্যবসায়ীরা।
প্রসঙ্গত, করোনা সংকটের কারণে ২০২০ সালজুড়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়নি ব্যবসায়ীদের।

সরকারের নির্দেশনা এবং ব্যাংকার ও ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ সুযোগ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ২০২০ সালে কোনও কিস্তি পরিশোধ না করেই খেলাপি হওয়া থেকে বেঁচে গেছেন ঋণগ্রহীতারা। সদ্য বিদায়ী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি পরিশোধের সময়সীমা শেষ হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই সময়সীমা নতুন করে আরও ছয় মাস থেকে এক বছর বাড়ানো জরুরি।


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত