বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

একুশে পদক বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানের মাঝে বৃহস্পতিবার একুশে পদক-২০২০ বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে পদক বিজয়ী বা তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কারটি তুলে দেন তিনি।
ভাষা আন্দোলনে ভূমিকা রাখার জন্য এবছর আমিনুল ইসলাম বাদশা (মরণোত্তর) একুশে পদকের জন্য নির্বাচিত হন। সংগীতে অবদান রাখায় ডালিয়া নওশিন, শঙ্কর রায় ও মিতা হক এবং মো. গোলাম মোস্তফা খান, এস এম মহসীন ও অধ্যাপক শিল্পী ফরিদা জামান যথাক্রমে নৃত্য, অভিনয় ও চারুকলায় অবদানের জন্য পদক পান। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা রাখায় হাজী আক্তার সরদার (মরণোত্তর), আব্দুল জব্বার (মরণোত্তর) ও ডা. আ আ ম মেসবাহহুল হক (মরণোত্তর) পদকের জন্য মনোনীত হন।
সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাংবাদিক জাফর ওয়াজেদ (আলী ওয়াজেদ জাফর) একুশে পদক পান। ড. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ ক্বারী আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণায় এবং শিক্ষায় একুশে পদক পেলেন অধ্যাপক বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া। অধ্যাপক ড. শামসুল আলম এবং সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান যথাক্রমে অর্থনীতি ও সমাজসেবায় এবারের একুশে পদকের জন্য মনোনীত হন। ড. নুরুন নবী, সিকদার আমিনুল হক (মরণোত্তর) এবং বেগম নাজমুন নেসা পিয়ারি ভাষা ও সাহিত্যে অন্যদিকে চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার পদক পান।
পদক বিজয়ীদের প্রত্যেকে একটি করে স্বর্ণপদক, সনদ এবং ২ লাখ টাকা করে দেয়া হয়।
সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম পুরস্কারপ্রাপ্তদের সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল স্বাগত বক্তব্য দেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, সাহিত্যিক, কবি, শিক্ষাবিদ, লেখক, সাংবাদিক, বিগত বছরে একুশে পদক বিজয়ী এবং উচ্চপদস্থ বেসামারিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত