শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার যৌক্তিক দাম মেলেনি

বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার যৌক্তিক দাম মেলেনি। গরুর চামড়া সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হয়েছে। তবে গতবারের চেয়ে দাম কিছুটা বেশি ছিল।

জানা যায়, ছাগলের চামড়ার অবস্থা ছিল বেশি খারাপ, যার বেশিরভাগই কোনো টাকা ছাড়া বিনিময় হয়েছে। অনেক জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। গরুর চামড়াও কিছু নষ্ট হয়েছে। এবার ফড়িয়াদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। কোরবানিদাতাদের বেশিরভাগই মসজিদ ও মাদ্রাসায় চামড়া দান করেছেন। বেশ কয়েক বছর ধরে এভাবেই বঞ্চিত হচ্ছেন গরিব আত্মীয় ও প্রতিবেশী।

ঈদুল আজহার আগে কোরবানির পশুর চামড়ার দর নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দর ঢাকায় প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সারাদেশে খাসির ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারিত ছিল।

ঢাকায় গরুর চামড়া গড়ে ১৫ থেকে ২৫ টাকা বর্গফুটে বিক্রি হয়েছে। সমকালের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী ঢাকার বাইরে বিক্রি হয়েছে আরও কম দরে। সাধারণত গরুর চামড়া ১৫ থেকে ৪০ বর্গফুট পর্যন্ত হয়।

সারাদেশে ১০০ থেকে ৪০০ টাকায় প্রতিটি গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, একটি গরুর চামড়ায় ৬০ থেকে ৭০ টাকার লবণ দিতে হয়। এর সঙ্গে শ্রমিকের মজুরি ও পরিবহন খরচ গড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা ব্যয় হয়। আড়ত ও ট্যানারিগুলোর মোট খরচ ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা। এসব খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বর্গফুট চামড়ার দর প্রথম স্তরে ঢাকায় হওয়া উচিত অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ টাকা।


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত