মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

এবারের বইমেলায় আসছে ‘অভিশপ্ত পুনর্জন্ম’

এইচ পি লাভক্র্যাফটের কাহিনি অবলম্বনে সাই-ফাই হরর ক্লাসিক উপন্যাস ‘অভিশপ্ত পুনর্জন্ম’। অনুবাদ করেছেন রুবেল পারভেজ। আসছে ২০১৯ এর বইমেলায়।

উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র চার্লস ডেক্সটার ওয়ার্ড। যার জন্ম হয় বহু পুরনো একটা শহরে। শহরের পুরনো দালানকোঠা, স্কুল, তার বেড়ে ওঠা পরিবেশ, অনুসন্ধিৎসার সৃষ্টি করে তার শিশুমনে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকেপুরনো জিনিস সম্পর্কে তার কৌতূহলের পরিধি। প্রাচীন বস্তু সম্বন্ধে জানার ইচ্ছে ছাড়াও ইতিহাস, কুলজিশাস্ত্র, ঔপনিবেশিক স্থাপত্য, আসবাবপত্র এবং কারিগরি শাস্ত্র ভীড় করে তার জ্ঞানপিপাসার মধ্যে।

পুরনো জিনিস ঘাটতে ঘাটতে এক সময় জোসেফ কারওয়েন নামে তার এক অভিশপ্ত পূর্বপুরুষকে আবিষ্কার করে সে, যে কালো জাদুর চর্চা করতো। এই আবিষ্কারের পর থেকেই পাল্টে যায় চার্লস। পুরাতত্ত্ব ছেড়ে গুপ্তবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা শুরু করে। ছুটে বেড়ায় দেশ থেকে দেশান্তরে। পৃথিবীর সবচেয়ে অভিশপ্ত বই ‘নেক্রোনমিকন’ যা কালো জাদু বিদ্যার বই, সেই বই পড়ে কালো জাদু শিখে তার পূর্বপুরুষকে জীবন্ত করার অসাধ্য চেষ্টা শুরু করে চার্লস। তারপর থেকেই বদলে যায় গল্পের প্রেক্ষাপট। সৃষ্টি হয় গায়ে কাঁটা দেওয়ার মত ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর সব পরিস্থিতির।

চার্লস ভয়ংকর সব মন্ত্র পড়ে পড়ে অন্ধকারের প্রাণীদের আহ্বান করতে শুরু করে। এক সময় পরিস্থিতি চার্লসের আয়ত্তের বাইরে চলে যায়। তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করার জন্য ছুটে আসে তার পারিবারিক ডাক্তার উইলেট। ত্রিমুখী চরিত্রের সম্মিলনে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি ও ভৌতিক কাহিনি মিলিয়ে তৈরি হওয়া ঘটনার ঘনঘটায় সৃষ্টি হয়েছে ‘অভিশপ্ত পুনর্জন্ম’ উপন্যাসের ভিত্তিভূমি। নিবিড় আতঙ্কেরও যে একটা রোমান্টিকতা আছে সেটি আপনি এই বইটি পড়লে উপলব্ধি করতে পারবেন। শেষ পর্যন্ত চার্লস ডেক্সটার ওয়ার্ড কী পারে তার পূর্বপুরুষকে জীবিত করতে, অভিশপ্ত সেই পূর্বপুরুষের কী পুনর্জন্ম হয়? আপনার সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে পড়ুন ‘অভিশপ্ত পুনর্জন্ম’ উপন্যাসটি।

বইয়ের নামঃ অভিশপ্ত পুনর্জন্ম

মূল বইঃ কেস অব চার্লস ডেক্সটার ওয়ার্ড

লেখকঃ এইচ পি লাভক্র্যাফট

অনুবাদঃ রুবেল পারভেজ

প্রকাশনীঃ নির্বাণ প্রকাশ

প্রচ্ছদশিল্পীঃ আসিফ কাদের সিদ্দিকী

নামলিপিঃ দেওয়ান আতিকুর রহমান

অলঙ্করণঃ সাদাত আহমেদ

পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১১২

মূল্যঃ ২৫০ টাকা


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত