শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

Advertisement

কারাবন্দির সংখ্যা জানতে চান হাইকোর্ট

Advertisement

কারাবন্দিদের সুরক্ষায় দেশের কারাগারগুলোর ধারণ ক্ষমতাসহ অন্যান্য বিষয়ে সামগ্রিক প্রতিবেদন চেয়েছেন হাইকোর্ট। এতে কারাবন্দি, কর্মরত কারা চিকিৎসক ও শূন্য পদের সংখ্যা থাকতে হবে। কারা মহাপরিদর্শককে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে এ প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে করা এক রিটের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি এফ.আর.এম. নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে,এম, কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। রুলে কারাগারে বন্দিদের আইনগতভাবে মানসম্মত থাকার জায়গা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয়তা এবং তাদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে শূন্য পদে চিকিৎসক নিয়োগে উদ্যোগহীনতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না– জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব (সুরক্ষা বিভাগ), স্বাস্থ্য সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কারা মহাপরিদর্শককে এ রুলের জবাব দিতে হবে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ.এম. মাহবুব উদ্দিন খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শাম্মী আকতার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

গত ১৪ জানুয়ারি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কারা কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাগারে ৩৬ হাজার ৬১৪ জনের থাকার ব্যবস্থা থাকলেও আসামির সংখ্যা প্রায় ৯৫ হাজার। দেশের ৬৮টি কারাগারে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ১২৯টি। এর মধ্যে ঢাকার কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে দু’জন এবং চট্টগ্রাম, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, বরিশাল ও গাজীপুর জেলা কারা হাসপাতালে একজন করে চিকিৎসক রয়েছেন। চিকিৎসকের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বারবার চিঠি দিলেও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জে আর খান (রবিন) প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনসহ একটি রিট আবেদন করেন হাইকোর্টে। রোববার রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে আদেশ দেন।

Advertisement


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত