বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০

কুমিল্লায় পর্যটক বাড়ছে

পত্নতাত্বিক নিদর্শন আর ছায়াঘেরা সবুজ প্রকৃতির অপরূপ শোভায় সুশোভিত কুমিল্লায় বাড়ছে পর্যটকদের আনাগোনা। ঢাকা-চট্টগ্রামের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত প্রাচীন এ জেলাজুড়ে রয়েছে অসংখ্য দৃষ্টিনন্দন স্থান। বিশেষ করে কোটবাড়ি শালবন বিহার, ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বার্ড, ময়নামতি জাদুঘর ও আশপাশের এলাকা ঘিরেই ভ্রমণ পিপাসুদের আগ্রহ বেশি লক্ষ্য করা যায়। যোগাযোগ মাধ্যম সহজ হওয়ার ফলে কুমিল্লায় সারাবছরই দেশ-বিদেশের পর্যটক দর্শনার্থীদের উপস্থিতি চোখে পড়ে।

ত্রিপুরার রাজারা এক সময় গ্রীষ্মকালীন অবকাশ যাপন কেন্দ্র হিসেবে গোড়াপত্তন করেছিলেন গোমতীর তীরের এই কুমিল্লার। সমতটের এ জনপদে রয়েছে আদি নিদর্শন শালবন বিহার,র’ পবানমুড়া, ইটাখোলামুড়া, ময়নামতি ঢিবি, রানীর বাংলো, ময়নামতি জাদুঘর আরও আছে অপূর্ব প্রাকৃতিক ঘেরা সবুজ বৃক্ষবেষ্টিত লালমাটির লালমাই পাহাড় প্রাচীন সভ্যতার নীরব সাক্ষী। সেই সাথে রয়েছে কমনওয়েলথ যুদ্ধে শহীদদের সমাধিস্থল ‘ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি’। দৃষ্টিনন্দন এ স্থানটিও রয়েছে পর্যটকদের ঘুরে দেখার তালিকায় তালিকায়।

এছাড়াও কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর, চিড়িয়াখানা ছাড়াও নগরীর পাশ ঘেঁষে বয়ে চলা গোমতী নদীটিও হয়ে উঠেছে পর্যটনের কেন্দ্র বিন্দু। বিশেষ করে নাগরিক জীবনের ব্যস্ততাকে পেছনে ফেলে স্বস্থির অন্বেষায় থাকা মানুষগুলো ভিড় জমায় বিকেলের গোমতী পাড়ে। তাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে সর্পিল গোমতীর দু’ধার।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত