শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননী জান্নাতুল ফেরদৌস একা (২২) কে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর এক বছরের ছেলে মো. ফরিদকে নিয়ে দেবর ফয়সাল, ননদ ফারিহা আক্তার ও শাশুড়ি পলাতক রয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। নিহত গৃহবধূ একা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের সৈয়দ মিয়ার বাড়ির আফ্রিকা প্রবাসী খোরশেদ আলম ফরহাদের স্ত্রী এবং উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের একরাম উল্যা খন্দকারের মেয়ে।

গৃহবধূ জান্নাতুল ফেরদৌস একার বাবা একরাম উল্যা খন্দকার ও ভাই মো. হাসান খন্দকার গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, ২ বছর পূর্বে প্রবাসী খোরশেদ আলম ফরহাদের সাথে পারিবারিকভাবে একার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তার স্বামী ফরহাদ প্রবাসে থাকার কারণে দেবর ফয়সাল একা’কে বিভিন্ন সময়ে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছে। একা তার প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে বিষয়টি স্বামী ফরহাদকে জানায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ফরহাদ ছোট ভাইকে গালাগাল দেয়।

ভাইয়ের শাসনে ফয়সাল কয়েকদিন বাড়ির বাইরে অবস্থান করে। সোমবার বিকালে ফয়সাল বাড়ি ফিরে এসে রাত ৯টার দিকে একা’র রুমে ঢুকে তাকে গলাটিপে হত্যা করে। ঘটনা আড়াল করতে শ্বশুর বাড়ির লোকজন সিএনজিযোগে একা’র লাশ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে বের করে আনে এবং একা গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে তার পরিবারে খবর দেয়।

খবর পেয়ে একা’র বাবা ও পরিবারের লোকজন ছুটে এসে হাসপাতালে নিয়ে গেয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক একাকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার পরপরই একার এক বছরের ছেলে মো. ফরিদকে নিয়ে দেবর ফয়সাল, ননদ ফারিহা আক্তার ও শাশুড়ি পালিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত