শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি ২০২২

কেন আত্মবিশ্বাসী হবো? || জেসমিন সুরভী

কবি হাইরিন হাইনে বলেছিলেন, ‘সাহস নিয়ে কোনো কাজ শুরু করলে শুরুতেই অর্ধেক বিজয় হয়ে যায়’। আর সফলতার এক প্রবাদপুরুষ বিজ্ঞানী এপিজে আবুল কালাম আজাদ বলেছিলেন ‘সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।’ দারিদ্রের সর্বনিম্ন রেখায় থাকার পরও কেবল নিজের মেধা আর আত্মবিশ্বাসের সাথে সততার মিশ্রনে যিনি হয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। রবার্ট ব্রুস যদি হাল ছেড়ে দিতেন তবে দেশমাতা মুক্ত করা সম্ভব ছিলো না।

এককথায় নিজের উপর বিশ্বাস রাখাই হল আত্মবিশ্বাস।আত্মবিশ্বাস এক গভীর উপলব্ধি।যা জীবনে সফল হতে সহায়তা করে।   আত্মবিশ্বাস না থাকলে কোনো এক অজানা ভয় নিজেকে ঘিরে ধরে।তারপর সেই অজানা ভয়ের কারনে ব্যাক্তির মাঝে জড়তা কাজ করে। যার কারণে ব্যাক্তি নিজের লক্ষ্য হারিয়ে ফেলে।আত্মবিশ্বাস থাকলে লক্ষ্য অর্জন করতে কতক্ষণ? সত্যিকারের আত্মবিশ্বাস ব্যাক্তিকে দিতে পারে মানসিক প্রশান্তি।বর্তমানে যে যত আত্মবিশ্বাসী সে তত সফল।

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকলে সফলতা কখনো ধরা দেয় না।সেই সাথে আড়াল হয়ে যায় অনেক যোগ্যতা। সফলতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি হচ্ছে আত্মবিশ্বাস। অনেকে আছেন যারা আত্মবিশ্বাসের অভাবেই নিজেকে তুলে ধরতে পারেন না। জীবনের লক্ষ্য অর্জনের শেষ বিন্দুতে পৌঁছাতে হলে আত্মবিশ্বাস অর্জনের কোনো বিকল্প নেই। আত্মবিশ্বাস শুধু একটি শব্দ নয়, একটি শক্তি যা আমাদের জীবনের কঠিন পরিস্থিতিও সহজ ভাবে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

সময়মতো নিজেকে তুলে ধরার জন্য চাই পরিপূর্ণ ও অবিচল আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস হল মনের স্থিরতা যা ব্যাক্তির লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে। তাই আমাদের উচিৎ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠা।যাতে আমরা জীবনের সঠিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি।

 


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত