বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

কোরআন না বুঝে পড়লে কি কোনো লাভ নেই?

হিন্দি বা ইংলিশ গান না বুঝে শোনা যায়। যেই বখাটে ছেলেটা একটি ইংরেজি শব্দও জানে না সেও ইংলিশ রক গান শুনে মনোযোগি হয়। দু এক কলি নিজেও আওড়াতে চেষ্টা করে।

হিন্দি তো এখন ছেলে মেয়েদের মুখে মুখে। আরবের শিশুরাও বলিউডের কল্যাণে হিন্দি গান গাইতে পারে। হালা আত্তুর্ক নামের একটি বাহরাইন বালিকা হিন্দি গান গেয়ে আরবের মিডিয়ায় সাড়া জাগিয়েছিল আজ থেকে দশ বারো বছর আগে।
আমাকে আমার এক ছাত্র সেসময় ইউটিউব থেকে দেখিয়েছিল। সেসময় মাত্রই আমি ল্যাপটপ কিনেছি। মনে পড়ে সে কথা।

কথা হচ্ছে এক বিন্দু না বুঝেও এমন গান আওড়ায় কেন মানুষ? বলবেন, না বুঝলেও এতে স্বাদ আছে। আছে মনের কষ্ট দূর করে দেয়ার এক বিশেষ ক্ষমতা। মন ফুরফুরে হয়ে যায়। অন্য রকম ফিলিংস অনুভূত হয়।

গান শোনার আমার তেমন অভ্যাস নেই। গানের স্বাদ কি জিনিস তা আমি বুঝি না। আমাদের ধর্মীয় পরিমণ্ডলের অনেকেই সঙ্গীত উপভোগ পছন্দ করে না। কারণ আমাদের ফতোয়া বিভাগগুলো মিউজিককে কোনো অবস্থায় বৈধ বলে না।
সবধরনের মিউজিককে হারাম ঘোষণা করে। যারা রক্ষণশীল নয় এমন ধার্মিকরাও সঙ্গীতের ক্ষেত্রে সতর্কতা মেনে চলে। কিন্তু দ্বীনদার নয় এমন তরুণ তরুণীরা আমাদের সামনেই আছে।

আপনি আপনার সমাজে সব সময় এদের চলাফেরা ও লাইফ স্টাইল দেখে অভ্যস্ত। তাই এদের উপভোগ করার ভঙ্গিমা অবশ্যই লক্ষ্য করে থাকবেন। এ থেকেই আন্দাজ করা যায় তারা কি অপার্থিব শয়তানি সুখ পায় গানের একটি শব্দ না বুঝেও।

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন মার্কিন মনোবিজ্ঞানী গবেষণা করে দেখেছেন এমন রক গান শোনার কারণে ছেলে মেয়েরা হিংস্র খুনি হয়ে ওঠে। এক তরুণী তার বাবা মাকে হত্যা করে ফেলেছে কোনো কারণ ছাড়াই।

পরে তাকে নিয়ে পরীক্ষা নিরিক্ষা করা হলে দেখা গেল তার মস্তিষ্কে কেবল রক গানের মিউজিক ঘুরছে। মিউজিকটি সূক্ষ্ম বিশ্লেষণে দেখা গেল তাতে বলা হচ্ছে কিল্ হিম্, কিল্ হার। কিল্ ইয়োর ফাদার কিল্ ইয়োর মাদার। কিল্ কিল্ কিল্। কিল্ হিম্ কিল্ হার।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত