শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

গবেষণাপত্র প্রণয়ন প্রতিযোগিতা আয়োজন আওয়ামী লীগের

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার ষড়যন্ত্রকারী ও সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করাসহ জাতীয় জীবনে এ হত্যাকাণ্ডের প্রভাব বিষয়ে অধিকতর তথ্যানুসন্ধান এবং গবেষণার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির উদ্যোগে ‘গবেষণাপত্র প্রণয়ন প্রতিযোগিতা-২০২১’-এর আয়োজন করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার জন্য ছাত্র, শিক্ষক, গবেষক, আইনজ্ঞ, সাংবাদিকসহ বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় যুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে গবেষণাপত্র আহ্বান করা হয়েছে। গবেষণাপত্র পাঠানোর শেষ তারিখ আগামী ৩১ আগস্ট।

বুধবার দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, প্রতিযোগিতাটি দুটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হবে। ক গ্রুপের গবেষণাপত্রের বিষয়, ‘সপরিবারে জাতির পিতার হত্যাকাণ্ড এবং এর বিচার রহিতকরণে জাতি ও রাষ্ট্রের ক্ষতি: আইনি, সাংবিধানিক, আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক মূল্যায়ন’। দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আইনের ছাত্রছাত্রীরা সর্বোচ্চ সাত হাজার শব্দের গবেষণাপত্র পাঠাতে পারবেন। আর খ গ্রুপে ‘জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের মূল ষড়যন্ত্রকারী ও সুবিধাভোগীদের তথ্যানুসন্ধান: ঐতিহাসিক দলিলাদির আলোকে বিশ্নেষণ’ শীর্ষক গবেষণাপত্র পাঠাতে পারবেন শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও অন্য পেশাজীবীরা। গবেষণাপত্রের আকার হতে হবে সর্বোচ্চ ১০ হাজার শব্দ। গবেষণাপত্রের রেফারেন্সিং স্টাইল অক্সফোর্ড এবং ভাষা হতে হবে বাংলা অথবা ইংরেজি। প্রতিটি গ্রুপের সেরা পাঁচটি গবেষণাপত্রের রচয়িতার জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।

গবেষণাপত্র মূল্যায়নে পাঁচ সদস্যের বিচারকমণ্ডলী গঠন করা হয়েছে। যার সদস্যরা হচ্ছেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারক বিচারপতি সামসুদ্দিন চৌধুরী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অজয় দাশ গুপ্ত, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ড. বিশ্বজিৎ চন্দ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. আশফাক হোসেন।

গবেষণাপত্র পাঠানোর ঠিকানা: তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটি, আওয়ামী লীগ, সভাপতির কার্যালয় (নতুন বিল্ডিং), বাড়ি-৫৩, রোড-৩/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯। ই-মেইলে অবশ্যই গবেষণাপত্রের সফট কপি পাঠাতে হবে। ই-মেইল ঠিকানা: [email protected]


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত