রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১

ঘাটতির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা চাল মজুত করে রাখেন

খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কায় করোনাকালে ব্যবসায়ী ও মিল মালিকরা চাল মজুত করে রাখেন। এ কারণে অতিপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) মাঠ পর্যায়ের গবেষণার ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার রাজধানীর বিএআরসির অডিটোরিয়ামে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, সরকার দাম কমানো ও বাজার স্থিতিশীল রাখতে অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করে। চালের দাম কমাতে আমদানি শুল্ক কমিয়ে ২৫ ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে। ফলে চালের বাজার স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছে।

বিএআরসি সূত্র জানায়, চাল, আলু ও পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কারণ উদ্ঘাটনে কৃষি অর্থনীতিবিদদের নিয়ে বিএআরসি পৃথক তিনটি স্টাডি টিম গঠন করে। টিম তিনটির চূড়ান্ত গবেষণা প্রতিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, করোনার কারণে কৃষকরাও ধীরে ধীরে চাল বিক্রি করেন। তারা ধান ওঠার এক মাসের মধ্যে নিজেদের প্রয়োজনের উদ্বৃত্ত চাল বিক্রি করেন।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত