বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গৃহীত পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ২০০৮ সালের করা বিধিমালা বাস্তবায়নে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে তা প্রতিবেদন আকারে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ১২ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি করে আজ রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি জেবিএম হাসানের ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন পল্লব এবং তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশীষ ভট্টাচার্য এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ সাইফুল আলম।

এর আগে গত ১৪ জুলাই হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে রিট আবেদনটি করেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. আনিকা আলী এবং মানবাধিকার সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার মো. হুমায়ন কবির পল্লব। রিটে চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা ২০০৮ অনুযায়ী বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ গঠন, চিকিৎসা বর্জ্য পৃথকীকরণ, প্যাকেটজাতকরণ, পরিবহন ও মজুদ, চিকিৎসা বর্জ্য বিনষ্টকরণ এলাকা নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী চিকিৎসা বর্জ্য পরিশোধন, বিশোধন, অপসারণ এবং ভস্মীকরণ করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। রিটে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য বিভাগীয় মহাপরিচালক এবং সব সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ ১৬ জনকে বিবাদী করা হয়।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত