বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০

তেজস্ক্রিয় আত্মা

নাদিরা ইসলাম নাইস

তেইশের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছুঁয়েছি প্রতিবাদে সোচ্চার হবার প্রতিশ্রুতি,
উগ্র ক্ষৌণির অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া এক একটি নিকৃষ্ট মানবের রন্ধ্রে রন্ধ্রে করেছি প্রবেশ।
যেখানে পঙ্গুত্বের পক্ষাঘাতগ্রস্থ পিতা মৌন রয় হুইল চেয়ারে,

যার চাকায় পিষ্ট হয় কন্যার ধর্ষিত দেহের ক্ষত!

পঙ্গপাল খোঁজো তোমরা ?
দৃষ্টির সম্মুখে যে মানব পঙ্গপাল ধ্বংস করে মাতা-কন্যার সম্মান!
দারিদ্র্যর বুকে জ্বলে ধনাঢ্যের নিপীড়িত অগ্নি;
বাকশক্তিহীন পবিত্র প্রেমতত্ত্বের ওপর বক্ররেখার
অপবাদ সূত্র গড়ে ঈর্ষাপরতন্ত্রতা!

আবার ঈশ্বরভক্তির নাম করে শরাবের তরল
পাপের ঘড়াঞ্চি বেয়ে নিম্নভাগে নিমজ্জ্বিত হয় কিছু ছদ্মবেশী ।
গিরগিটির বৈশিষ্ট্য ধারণ করে সময়।
একদা সম্পর্ক পাল্টায় একান্নবর্তীর বয়স্করাও!
লোভের দালানে নামে বৃহৎ ধস!

কচ্ছপের পিঠে ভর করে আঁকা প্রতারণার ছক,
বাঁধা পড়ে রণক্ষেত্রে, আশ্রয় খুঁজে ন্যায়ের কেতনে!
তারুণ্যের বক্ষে ধারণ করা তেজ কম্পনে অমানুষ পরায় মৃত্যুর কাফন!
রমনীর সতীত্ব খুবলে খায় একদল নরপশু!
ষোড়শীর ওড়নায় জমে নির্লজ্জের বিষাক্ত নীরদ!

পাঁজরের হাড়ে লিপিবদ্ধ করি আমি সহস্র বর্ষের ইতিবৃত্ত !
দৃষ্টির কার্ণিশে অবিচারের আগ্নেয়গিরি দাউদাউ করে।
প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে উগ্রচন্ডীরুপে প্রতিবাদের ধারালো তলোয়ারের কোপে গড়ি সমাজের আপুর্ত্তি।

আমিও নরপশুদের ষড়যন্ত্রের নক্সায়
বন্দী হই!

মৃত্যুর নিকটও অভিযুক্ত হই প্রতিবাদের প্রতিশ্রুতিতে,
মৃত্তিকার বুকে বিবেকের বস্ত্র ধারণ করে পড়ে রই
বিবস্ত্র বাস্তবতার রক্ত মাখা লাশ হয়ে!


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত