বুধবার, ১০ আগস্ট ২০২২

নতুন উদ্যমে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ

প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ফলে মানুষের যোগাযোগের ধরন পাল্টে যাওয়ায় অনেকটা সময় ধরেই ডাক বিভাগের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়েছে বিভিন্ন পর্যায়ে।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিস্তৃত অবকাঠামোর সঙ্গে প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে এগিয়ে নেয়ার কার্যক্রম চলছে অনেক বছর ধরেই। সময়ের বিবর্তনে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার ধারাবাহিকতায় ২০১০ সালে ডাক বিভাগ চালু করে পোস্টাল ক্যাশ কার্ড এবং ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম।

৯,৮৮৬টি পোস্ট অফিস আর ৪০,০০০ হাজার কর্মী নিয়ে শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ডাক বিভাগ কয়েক দশক ধরে অর্থ আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম হিসেবে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা দিয়ে আসছে। গত কয়েক বছর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত না হলেও, বিগত কয়েকমাস ধরে নতুন উদ্যম লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের বিভিন্ন স্তরে।

নতুন উদ্যমের কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ চালু করতে যাচ্ছে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। এটি দেশে বিদ্যমান মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসের মতো, যার মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা যাবে।

আর্থিক খাতের সরকারি এবং বেসরকারি দক্ষ কর্মীদের নিয়ে পরিচালিত হতে যাচ্ছে ‘নগদ’। গত কয়েকমাসের প্রস্তুতি পর্বের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল পোস্ট অফিসের আধুনিকীকরণ, কর্মীদের প্রশিক্ষণ সূচি প্রস্তুত করা প্রভৃতি।

বাংলাদেশ ডাক বিভাগ জানিয়েছে, ‘নগদ’-কে দেশব্যাপী মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে ৯৮৮৬টি পোস্ট অফিসের অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জেলা পর্যায়ের পোস্ট অফিসগুলোকে এবং পরবর্তীতে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ের শাখাগেুলোকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। প্রতিটি পোস্ট অফিসে ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ সেবাটি পাওয়া যাবে এবং এজন্যে আলাদা করে ব্র্যান্ডিং ও প্রযুক্তি স্থাপনের কাজ চলছে।


© 2022 - Deshbarta Magazine. All Rights Reserved.