সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০

নতুন কর্মীদের বিদেশযাত্রায় অনিশ্চয়তা

নেত্রকোনার শ্যামগঞ্জের মো. রাজু সৌদি আরবের ভিসা পেয়েছিলেন। ‘ভিসা দেওয়া’ আত্মীয়কে দুই লাখ ও ভিসা প্রক্রিয়া করা এজেন্সিকে ৫৫ হাজারসহ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পাসপোর্ট বাবদ সব মিলিয়ে তার খরচ হয় প্রায় তিন লাখ ১০ হাজার টাকা। কিন্তু কভিড-১৯ মহামারির কারণে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। এখন সাত মাস পর রাজু নিশ্চিত নন, যেতে পারবেন কিনা। আর যেতে পারলে আবার টাকা দিতে হবে কিনা।

রাজুর মতো লাখখানেক নতুন কর্মী রয়েছেন অনিশ্চয়তায়। বিদেশ যাওয়ার জন্য প্রথমবারের মতো ভিসা পাওয়ার পর করোনায় আটকে পড়েন এরা। এদিকে তাদের ৯০ দিনের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ভিসা প্রক্রিয়াকরণে যুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দেওয়া নিয়োগকারীর ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ (ওকালা) বাতিল হলে নতুন কর্মীদের বিদেশযাত্রায় যেমন অনিশ্চয়তা রয়েছে, আছে বিপুল খরচেরও শঙ্কা।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত