বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২

নীলাচল ঘুরে আসুন এই শীতে

জেসমিন আক্তার সুরভী
বান্দরবান

শহরের মানুষ যান্ত্রিক ও কোলাহলপূর্ণ জীবন থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে ছুটে আসে বান্দরবান জেলায়।

বিভিন্ন পর্যটন রয়েছে বান্দরবানে। এগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য পর্যটনগুলো হল মেঘলা, নীলাচল, নীলগিরি, স্বর্ণমন্দির, শৈলপ্রপাত, তাজিনডং, ক্রেওকাডং ইত্যাদি।

বিগত বছরগুলোতে দেখা গেছে, সবগুলো পর্যটনের মধ্যে বেশি পর্যটকের ভিড় দেখা গেছে নীলাচলে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৬০০ ফুট উচ্চতায় এ পর্যটন অবস্থিত। জেলা শহর থেকে এর অবস্থান ছয় কিলোমিটার দূরে টাইগার পাড়া এলাকায়। আর নীলাচলকে এ কারণে এক সময় টাইগার হিল নামেও বলা হতো।

বর্ষায় পাহাড় নিজেকে সাজিয়ে তোলে অন্যরূপে। সবুজের চাদর গায়ে দিয়ে ছেড়ে দেয় ঝর্নার লাগাম। তাই বর্ষায় নীলাচলকে অসাধারন লাগে। বর্ষাকালে নীলাচলে মেঘএকেবারে হাতে ছোয়া যায় এমন মনে হয়। শীতল বাতাস বর্ষাকালে নীলাচলের পরিবেশ আরোও সুন্দর করে তোলে।

আর শীতকালে বান্দরবানে প্রচুর পর্যটক আসে। আর নীলাচলে তখন সবচেয়ে বেশি পর্যটকের ভিড় দেখা যায়। শীতকালে কুয়াশাছন্ন পরিবেশ নীলাচলকে এক অসাধারন সৌন্দর্য প্রদান করে।

নীলাচলে সূর্যাস্ত অনেক মুগ্ধকর।যখন সূর্য অস্ত যায়। নীলাচল থেকে তখন মনে হয় সূ্র্য যেন পাহাড়ের ঢেওয়ের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছে। সূর্যের লাল আভা সবুজ পাহাড়ের মাঝে হারিয়ে যায়। হঠাৎ নেমে আসে সন্ধ্যা।
সূর্যাস্তের পর সন্ধার ঠান্ডা বাতাস সবার মন ছুয়ে যায়।

শুধু নীলাচলে ভালো খাবার পাওয়ার সমস্যা। নেই কোনো ভালো রেস্টুরেন্ট। যার কারণে পর্যটকের অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। পাহাড়িদের কয়েকটি খাবারের দোকান থাকলেও তা ততটা মানসম্মত নয়। তাই নীলাচলে আরো ভালো রেস্টুরেন্ট এর প্রয়োজন আছে।

কতৃপক্ষকে নীলাচলের সৌন্দর্য রক্ষার্তে আরো জোরদার পদক্ষেপ নিতে হবে। পর্যটকদের যাতে কোনো ধরণের  সমস্যা না হয় সে দিকে কতৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে, ভবিষ্যৎে আরোও বিপুল পরিমাণে পর্যটক আসবে বলে আশা করা যায়।


© 2022 - Deshbarta Magazine. All Rights Reserved.