সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১

প্রস্তাবিত খসড়া শিক্ষাব্যবস্থা ও ইসলাম শিক্ষা

ড. হাফিজ মুজতাবা রিজা আহমাদ

শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। এটি মনুষ্যত্ব বিকাশের মাধ্যম, আত্মোপলব্ধির চাবিকাঠি, আত্মবিকাশ ও সুকোমলবৃত্তির পরিস্ফুটন ও জীবনের সব সমস্যা সমাধানের দিকদর্শন। শিক্ষার মূল লক্ষ্য ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও সমৃদ্ধি সাধন। ব্যক্তি নিজ সত্তা দিয়ে বাস্তব রূপদান করবে এবং প্রকাশ ঘটাবে। শিক্ষা মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তিগুলোর বিকাশ সাধন করে। উন্নত আচার-আচরণ, মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সততা, নিষ্ঠা, পরোপকারী, দেশপ্রেম প্রভৃতি গুণ অর্জনের জন্যই শিক্ষা গ্রহণ করতে হয়। শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য সৎ মানুষ গড়ে তোলা।

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০-এ শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে- শিক্ষানীতির মূল উদ্দেশ্য মানবতার বিকাশ এবং জনমুখী উন্নয়ন ও প্রগতিতে নেতৃত্বদানের উপযোগী মননশীল, যুক্তিবাদী, নীতিবান, নিজের এবং অন্যের ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কুসংস্কারমুক্ত, পরমতসহিষ্ণু, অসাম্প্রদায়িক, দেশপ্রেমিক ও কর্মকুশল নাগরিক গড়ে তোলা। অন্যতম লক্ষ্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত চরিত্র গঠনে সহায়তা করা।

সম্প্রতি আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার করে নতুন রূপে সাজানোর একটি খসড়া পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ সংস্কার ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি, ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসঙ্ঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৪ নম্বর লক্ষ্য, বাংলাদেশ উন্নয়ন রূপকল্প ২০৪১-এর আলোকে গ্রহণ করা হয়েছে। এ নতুন শিক্ষাক্রমের লক্ষ্য আমাদের সন্তানদের চলতি দুনিয়ার যোগ্য ও দক্ষ করে তোলা। বর্তমান শিক্ষাক্রম যেখানে মূলত উদ্দেশ্যভিত্তিক ও শিখনফলভিত্তিক সেখানে এবার পরিমার্জিত এ শিক্ষাক্রম হবে ‘যোগ্যতা ও দক্ষতাভিত্তিক’। তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পরীক্ষা না নিয়ে কিভাবে ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। মাধ্যমিকে মানবিক, বিজ্ঞান বা ব্যবসায় শিক্ষা বলে আলাদা কোনো বিভাগ থাকবে না, সবাই একই বিষয় পড়বে। কিছু বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হবে এবং কিছু বিষয়ে নেয়া হবে না। সেগুলো স্কুলেই ধারাবাহিক মূল্যায়ন করা হবে। স্কুল থেকে নম্বর যাবে বোর্ডে, ট্রান্সক্রিপ্টে তা লিখাও থাকবে, কিন্তু কোনো নম্বর যোগ হবে না।

নতুন শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাক-প্রাথমিক শুরু হবে চার থেকে ছয় বছর বয়সের মধ্যে। এখানে দু’টি শ্রেণী রাখা হয়েছে- ক. প্রাক-প্রাথমিক প্রথম শ্রেণী এবং খ. প্রাক-প্রাথমিক দ্বিতীয় শ্রেণী। বর্তমানে পাঁচ বছরের শিশুদের এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা দেয়া হয় এবং ছয় বছর থেকে প্রথম শ্রেণী শুরু হয়। প্রস্তাবিত খসড়া শিক্ষাব্যবস্থায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ১০ ধরনের শেখার ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে- ভাষা ও যোগাযোগ, গণিত ও যুক্তি, জীবন ও জীবিকা, সমাজ ও বিশ্ব নাগরিকত্ব, পরিবেশ ও জলবায়ু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি। প্রাক-প্রাথমিকে আলাদা বই নেই। শিক্ষকরা নিজ থেকে পাঠদান করবেন। প্রাথমিকে আটটি বই রাখা হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ১০টি অভিন্ন বইয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে- বাংলা, ইংরেজি, গণিত, জীবন ও জীবিকা, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, ডিজিটাল প্রযুক্তি, ধর্ম শিক্ষা, ভালো থাকা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি। এনসিটিবির সূত্রমতে, ২০২২ সালে প্রথম, দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণীর পরিমার্জিত বই দেয়া হবে। তৃতীয়, চতুর্র্থ, সপ্তম, নবম ও একাদশ শ্রেণীর ২০২৩ সালে, ২০২৪ সালে পঞ্চম, অষ্টম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর বই সরবরাহের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

নতুন শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণীর আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষা থাকবে না। দশম শ্রেণীতে এসএসসি পরীক্ষা হবে নবম-দশম শ্রেণীর পাঠ্যসূচি অথবা (খসড়া) শুধু দশম শ্রেণীর পাঠ্যসূচি অনুসারে। পাঁচটি বিষয়ের পরীক্ষা খাতা-কলমে নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ দশম শ্রেণীতে ১০টি বিষয় পড়ানো হলেও এসএসসি পরীক্ষা হবে পাঁচটি বিষয়ে। বিষয়গুলো- বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান। অন্য দিকে ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, জীবন ও জীবিকা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, ভালো থাকা এবং শিল্প ও সংস্কৃতি- এসব বিষয়ের পরীক্ষা খাতা-কলমে নেয়া হবে না। এগুলোর মূল্যায়ন হবে ধারাবাহিক তথা শিখনকালীন পদ্ধতিতে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষক এসব বিষয়ের মূল্যায়ন করবেন। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমে মূল্যায়নের বিষয়ে বলা হয়েছে, তৃতীয় শ্রেণীর আগে স্কুলে কোনো পরীক্ষা নেয়া হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এসব শ্রেণীর ধারাবাহিক মূল্যায়ন করবে। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীতে শিখনকালীন মূল্যায়ন হবে ৭০ শতাংশ। ৩০ শতাংশ হবে সামষ্টিক মূল্যায়ন অর্থাৎ বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে। এমনিভাবে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ৬০ শতাংশ হবে শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং ৪০ শতাংশ হবে সামষ্টিক মূল্যায়ন। নবম-দশম শ্রেণীতে রাখা হয়েছে ৫০ শতাংশ শিখনকালীন মূল্যায়ন এবং ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন (এনসিটিবি)।

প্রস্তাবিত একমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার পরিকল্পনাটি প্রশংসনীয়। কিন্তু সার্বিক বিবেচনা ও সতর্ক না হলে কাক্সিক্ষত সুফল নাও আসতে পারে। মাধ্যমিকের প্রতিটি বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা অনেক বেশি এবং সিলেবাসও খুুব কঠিন। তাই পাঠ্যবই সহজ ও সিলেবাস কমিয়ে আনার পরিকল্পনা নিতে হবে। শিখনকালীন ধারাবাহিক মূল্যায়নও হবে চ্যালেঞ্জিং বিষয়। এ জন্য শিক্ষকমণ্ডলীর আরো যোগ্যতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

অন্য দিকে উল্লেখযোগ্য দিক হলো- ২০২২ সাল থেকে সুপারিশকৃত নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী এসএসসির পাবলিক পরীক্ষায় ‘ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা’কে বাদ দেয়া হয়েছে। নাগরিকদের ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ। এ দেশের ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। বাংলাদেশের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী স্কুলে পড়ে। এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ অধ্যয়নের আগ্রহ থেকে দূরে সরে যাতে পারে। কোন বিষয়ে কতটুকু শিখা ও জ্ঞান অর্জন করা হলো তা মূল্যায়ন করা হয় পরীক্ষার মাধ্যমে। পরীক্ষা না থাকলে শিক্ষার্থীরা সেভাবে মূল্যায়ন এবং অধ্যয়ন নাও করতে পারে। এ ছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের সাফল্য ও ফেলের সংখ্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার টার্গেট থাকে। যখন তাদের কোনো জবাবদিহি থাকবে না তখন তারাও এ বিষয়ে তেমন গুরুত্ব দেবেন, এমন আশা করা যায় না। ফলে বিষয়টি অবহেলিত থেকে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা । জীবনের সব দিক ও বিভাগের ওপর তার প্রভাব বর্তমান থাকা অপরিহার্য। ইসলামের অনুসারীরা ব্যক্তিগতভাবে হবেন উন্নত গুণসম্পন্ন, আদর্শবাদী মানুষ, জনদরদি ও সার্বিক কল্যাণকামী মানুষ এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের উত্তম নাগরিক। ইসলামের দৃষ্টিতে শিক্ষার চরম লক্ষ্য হলো ব্যক্তি ও সমষ্টির মধ্যে আল্লাহর প্রেম ও ভালোবাসা এবং আল্লাহর আনুগত্যের প্রবল ভাবধারা জাগ্রত করে তোলা। ইসলামের প্রথম বাণীই হলো, ‘পড়ো তোমার প্রভুর নামে।’ (সূরা আলাক, ০১) কুরআনুল কারিমের অন্যত্র ঘোষিত হয়েছে, ‘যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কী সমান?’ (সূরা জুমার-০৯) অর্থাৎ জ্ঞানী ও অজ্ঞরা কখনোই সমান নয়। এখানে ঐশী জ্ঞানই অন্যতম লক্ষ্য। কেননা এটি আল-কুরআনের নির্দেশনা। মানব জাতিকে উদ্দেশ করে আল্লাহ ঘোষণা করেন, ‘আর মানুষকে দুর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে।’ (সূরা নিসা, ২৮) সুতরাং মানুষের জ্ঞান সীমিত, তার যেকোনো পরিকল্পনায় দুর্বলতা থাকার আশঙ্কাই সাধারণ সমীকরণ; যদি না এর সাথে আসমানি জ্ঞানের সমন্বয় না থাকে।

বর্তমানে যারা মধ্যবয়সী সম্ভবত তাদের সবারই ছোটবেলায় মক্তবে পড়ার সুযোগ হয়েছে। যেখানে শুদ্ধভাবে কুরআন, সূরা-কিরাত, দোয়া-দরুদ, প্রাথমিক মাসয়ালা-মাসায়েল শিক্ষা দেয়া হয়। মক্তবে আরো শেখানো হয় আদব-কায়দা, সত্যবাদিতা, সততা, নিষ্ঠা, উত্তম আচার-আচরণ, মা-বাবার খেদমত, বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও ছোটদের স্নেহ-ভালোবাসা, শিক্ষকের প্রতি সম্মান, নৈতিকতা, মূল্যবোধ প্রভৃতি বিষয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়- মক্তব শিক্ষাক্রম অনেক গ্রামেই এখন আর নেই। শহরাঞ্চলে তো নেই বললেই চলে। এ শূন্যতা স্কুলগুলোতে পড়ানো ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ অনেকটাই পূরণ করে আসছে। প্রস্তাবিত শিক্ষাব্যবস্থায় ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষাকে একেবারেই বাদ দেয়া হচ্ছে, এমনটি বলা উদ্দেশ্য নয়- বরং বিষটির মূল্যায়ন ও গুরুত্বের কথাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কেননা গুরুত্বহীন জিনিস আশানুরূপ ফল দেয় না। ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বিষয়টিকে এসএসসির পাবলিক পরীক্ষায় বাদ দিলে স্কুল, কলেজ ও বিশ^বিদ্যালয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে, বিসিএসসহ চাকরির বিভিন্ন পরীক্ষায় এর আসনসংখ্যা ক্রমেই হ্রাস পাবে এবং বিষয় হিসেবেও এর মর্যাদা ক্ষুণ্ন্ন হবে। গুরুত্ব কমে যাওয়ার সাথে নৈতিকতা, মূল্যবোধ, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, পরোপকারী, দেশপ্রেম, সুনাগরিক প্রভৃতি গুণ লোপ পেতে থাকবে। অন্য দিকে দুর্নীতি, উগ্রতা, চরমপন্থা, জঙ্গিবাদ, খুন-খারাবি প্রভৃতি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

তা ছাড়া অন্য অনেক মুসলিম দেশের শিক্ষাব্যবস্থার সাথে মিল রেখে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম- এ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে মালয়েশিয়াকে উদাহরণ হিসেবে আনা যায়। বহুজাতিক আধুনিক উঠতি শিল্পোন্নত মুক্তবাজার অর্থনীতির দেশ মালয়েশিয়া। সে দেশের পাবলিক স্কুলগুলোতে প্রাইমারি থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ‘ইসলাম শিক্ষা’ বাধ্যতামূলক। পাবলিক স্কুলের কারিকুলামে ‘ইসলাম শিক্ষা’ বিষয়টিকে এমনভাবে সুবিন্যস্ত করা হয়েছে, প্রত্যেক ছাত্র মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার মাধ্যমে ইসলামী জীবনযাপনের জন্য উপযুক্ত হয়ে ওঠে। শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় বিষয়কে যথাযথ গুরুত্ব দেয়া দেশটি তো শিক্ষা, প্রযুক্তি, উন্নতি- কোনো বিষয়েই পিছিয়ে নেই; বরং উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা দিয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করে চলছে। তাদের ৯০ শতাংশ মালয় মুসলিম বিশুদ্ধ কুরআন তিলাওয়াত করতে পারেন। শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে এ দেশের মুসলিম জনগণও যেন বিশুদ্ধ কুরআন পাঠ করতে পারেন, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করাই বাঞ্ছনীয়।

সুতরাং বিষয়টি যেহেতু ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত, স্পর্শকাতর ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে, তাই ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বিষয়টিকে এসএসসির পাবলিক পরীক্ষায় অন্তর্ভুক্তির জন্য সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।

আশা করি সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ইতিবাচক নির্দেশনা দিয়ে এ দেশের ৯০ শতাংশ মুসলিমের মনোবাঞ্ছা পূরণ করবে। প্রস্তাবিত শিক্ষাব্যবস্থায় এসএসসির পাবলিক পরীক্ষায় নির্ধারিত পাঁচটি বিষয়ের সাথে ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ যুক্ত হয়ে ছয়টিও হতে পারে। অথবা বিষয়টিকে রেখে অন্যভাবেও সমন্বয় করা যেতে পারে।

লেখক : অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত