শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুধু বার্ষিক পরীক্ষা হবে

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্কুল চালু করা না গেলে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক একটি মূল্যায়ন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্বাভাবিক হিসেবে বছরে তিনবার (প্রথম ও দ্বিতীয় সাময়িক এবং বার্ষিক) পরীক্ষা নেওয়া হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। করোনার ছুটি দীর্ঘায়িত হলে এ পরীক্ষাগুলো নেওয়া হবে না।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে স্কুল বন্ধের সময়ে পাঠদানের বিকল্প হিসেবে সংসদ টেলিভিশনে ভার্চুয়াল ক্লাস চালু করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কমিনিউটি রেডিওতে ক্লাস এবং মোবাইল ফোনভিত্তিক পাঠদান শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যেও কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, আমাদের কাছে আমাদের সন্তানরা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনোভাবেই তাদের ঝুঁকির মধ্যে আনব না। পরিস্থিতি যদি ভালো না হয়, তাদের স্কুলে না আনতে পারি, তা হলে আমরা ভার্চুয়াল ক্লাসগুলো চালিয়ে যাব। এখন তো আমরা ভার্চুয়াল মিটিং করে অফিস করছি। আমাদের কাজকর্ম তো বন্ধ নেই।

সচিব বলেন, সেপ্টেম্বরের আগে যদি শিশুদের ক্লাসে না আনতে পারি, তা হলে একটা অ্যাসেসমেন্ট করব। এখন তো বছরে তিনটি অ্যাসেসমেন্ট করি। সাময়িক অ্যাসেসমেন্ট তিনটির পরিবর্তে ফাইনাল একটি অ্যাসেসমেন্ট করব, কোনো সমস্যা নেই।

সচিব আরও জানান, পরিস্থিতি যদি ভালো হয়, ১ জুন স্কুল খুলে দেওয়া হবে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ ফাইনাল পরীক্ষা হবে।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত