বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

বন্যার আরও অবনতি : পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ

দেশের মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নদনদীর পানি দুই সপ্তাহ ধরে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় গাইবান্ধায় বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

যমুনার পানিতে সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জামালপুরের ৬৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫৯টিই বন্যাকবলিত। পানিবন্দি চার লাখেরও বেশি মানুষ। রেললাইনে পানি ওঠায় বন্ধ জামালপুর-সরিষাবাড়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্ত পর্যন্ত ট্রেন চলাচল। পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়ায় শেরপুরে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে মানুষ।

কুড়িগ্রামে নদনদীর পানি দেড় সপ্তাহ ধরে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়েছে। সরকারি তথ্যমতেই জেলার ৯ উপজেলার ৭৩ ইউনিয়নের মধ্যে ৫৬ ইউনিয়নের ৪৯৮টি গ্রামের সোয়া ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। চলছে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট। এদিকে বুধ ও বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের উলিপুরে পানিতে ডুবে ও সাপের কামড়ে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত