শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১

বিশ্বের দ্বিতীয় বয়স্ক ব্যক্তি যেভাবে করোনা থেকে সুস্থ হলেন

ইউরোপের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি ফ্রান্সের লুসিলে র‍্যান্ডন। জেরোনটলজি রিসার্চ গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক তিনি।  গত ফেব্রুয়ারিতে তার বয়স হয়েছে ১১৮ বছর। গত জন্মদিনের আগে করোনা আক্রান্ত হয়ে, আবার সুস্থ হয়ে উঠেন বয়স্ক এই ভদ্রলোক। খবর বিবিসির।

লুসিলে র‍্যান্ডন ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় তুওলন শহরের বৃদ্ধ নিবাসে বাস করেন। তিনি ১৯৪৪ সালে নিজের নাম বদল করে সিস্টার এন্ড্রে রাখেন। এ বছরের ১৬ জানুয়ারি তিনি করোনা পজিটিভ ধরা পড়েন। মানসিকভাবে দৃঢ় এই বৃদ্ধা ভেঙে পড়েননি। তিনি স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা যে আমাকে আক্রমণ করেছে টেরই পাইনি।

লুসিলে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর বৃদ্ধ আশ্রমের অন্যদের কাছ থেকে আইসোলেশনে চলে যান। এরপর তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেন।  

সেইন্ট ক্যাথারিন বৃদ্ধাশ্রমের মুখপাত্র ডেভিল তাভেলা লুলিসো সম্পর্কে বলেন, তিনি খুবই ভাগ্যবান। এই বয়সেও তার তেমন কোনো রোগ নেই।  তিনি নিজের কথা ভাবেন না, বৃদ্ধাশ্রমের অন্যদের অবস্থা নিয়ে চিন্তিত।

আরও পড়ুন

কেমন হতে পারে করোনার চতুর্থ ঢেউ?

করোনায় মৃত্যুহারে ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ

করোনা নিয়ে উপহাস করা ব্যক্তি মারা গেলেন করোনায়

তিনি বলেন, আমার কাছে লুসিলে কখনও তার স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু জানতে চাননি। তবে তার অভ্যাস নিয়ে কথা বলেছেন। যেমন তিনি জানতে চেয়েছেন তার খাবার সময় অথবা ঘুমানোর সময়টা পাল্টানো যায় কিনা। রোগে অসুস্থ হওয়ায় তার মধ্যে কোনো আতঙ্ক দেখা যায়নি। অন্যদিকে অন্য অধিবাসীদের বিষয়ে তিনি ছিলেন খুব সচেতন।

লুসিলে ১৯০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি ইউরোপের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ। করোনা আক্রান্ত হলেও সচেতন থেকে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠেন। এ ক্ষেত্রে তার খাদ্যাভ্যাস এবং ভালো ঘুমের অভ্যাস সহায়তা করেছে। যার জন্য তিনি সুস্থভাবে জীবন যাপন করেন।


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত