বুধবার, ১০ আগস্ট ২০২২

মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে ৮টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত

মঞ্জুরুল ইসলাম (রনি), শরীয়তপুর

র‍্যাব-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্পের সূত্রে থেকে জানা যায়, এলিট ফোর্স র‍্যাব তার সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, চোরাচালান, মাদক, দালাল, ভুয়া ডাক্তার, বেআইনি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থানে থেকে দেশ ও জনগণের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। তাছাড়া র‍্যাব কর্তৃক ”বিশেষ মোবাইল কোর্ট সপ্তাহ-২০২১” পালন উপলক্ষ্যে র‍্যাব -৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর কর্তৃক বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

সিপিসি-৩, মাদারীপুর গোয়েন্দা নজরদারীর মাধ্যমে জানতে পারে মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তার, নকল ও মেয়াদ উর্ত্তীন ঔষুধ বিক্রি এবং অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে  এসব তথ্যের ভিত্তিতে তাদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে তৎপরতা শুরু করে র‍্যাব -৮, সিপিসি-৩।

র‍্যাব -৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্পের অভিযানিক দল ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুর জেলার পালং মডেল থানা এলাকায়  আলাদা ২টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব এর অভিযানিক দল স্কোয়াড্রন লীডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জমির উদ্দিন আহমেদ পৃথক স্থানে উপস্থিত হয়ে ভুয়া ডাক্তার, নকল ও মেয়াদ উর্ত্তীন ঔষুধ বিক্রি, অনুমোদনহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে।

উক্ত প্রতিষ্ঠাগুলো হতে মোঃ নুরূল ইসলাম, শিবচর, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মাদারীপুর, মোঃ আতাউর রহমান, শিবচর, মাদারীপুর, বিধান চন্দ্র সাহা,শিবচর, মাদারীপুর। মানিক মন্ডল, শরীয়তপুর, মোঃ সোহেল, শরীয়তপুর, বিপুল চন্দ্র রায়, শরীয়তপুর, মোঃ ইব্রাহীম মোল্যা, শরীয়তপুর, এদেরকে আটক করা হয়েছে বলে জানান। এ সময় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু, সহকারি কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মাদারীপুর। মোঃ সাইফুল ইসলাম এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শরীয়তপুর।

আটককৃত ভুয়া ডাক্তার ও প্রতিষ্ঠানের মালিকদেরকে নকল ও মেয়াদ উর্ত্তীন ঔষধ রাখা এবং অনুমোদনহীন ডায়াগনষ্টিক সেন্টার পরিচালনার অপরাধে ড্রাগ আইন ১৯৪০ এর ২৭ ধারা, ডেন্টাল কাউন্সিল এ্যাক্ট ২০১০ এর ২৯(১)  ধারা এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইন ২০০৯ এর ৫২  ধারা মোতাবেক ০৮টি প্রতিষ্ঠানকে পর্যন্ত সর্বমোট ১ লক্ষ ১২ হাজার ৫ শত টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। পরবর্তীতে জরিমানা আদায় করত আটককৃতদের অব্যহতি প্রদান করা হয়, নকল ও মেয়াদ উর্ত্তীন ঔষুধ ধংস করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের কর্মকান্ড না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

র‍্যাব -৮ এর অধীনে বেআইনি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে  ভবিষ্যতেও ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান, মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, স্কোয়াড্রন লীডার কোম্পানী অধিনায়ক র‍্যাব -৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর।


© 2022 - Deshbarta Magazine. All Rights Reserved.