বুধবার, ১২ মে ২০২১

মেয়াদোত্তীর্ণ করোনা কিটসহ গ্রেপ্তার নয়জন কারাগারে

অননুমোদিত মেডিকেল ডিভাইস আমদানিকরন, ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ টেস্টিং কিট এবং রি-এজেন্ট জালিয়াতির মাধ্যমে নতুন করে মেয়াদ বসিয়ে বাজারজাতকরণের অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার নয়জনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালত শুনানি শেষে আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন-বায়োল্যাব ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী মো. শামীম মোল্লা, ম্যানেজার মো. শহীদুল আলম, মো. মাহমুদুল হাসান, এক্সন টেকনলজিস অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের এমডি এস এম মোস্তফা কামাল, হাইটেক হেলথকেয়ার লিমিটেডের এমডি আবদুল্লাহ আল বাকী ছাব্বির, বায়োল্যাব ইন্টারন্যাশনালের ইঞ্জিনিয়ার মো. জিয়াউর রহমান, অফিস সহকারী মো. সুমন, হিসাবরক্ষক জাহিদুল আমিন পুলক, অফিস ক্লার্ক ও মার্কেটিং অফিসার মো. সোহেল রানা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেবাশীষ মৌদক তিন দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হক, মীনা বেগম আসামিদের জামিন আবেদন করেন।

গত ১৭ এপ্রিল আসামিদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

মামলা থেকে জানা যায়, গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে ১৫ এপ্রিল বিকেলে র‌্যাব-২ এর আভিযানিক দল মোহাম্মদপুর থানাধীন লালমাটিয়ায় বায়োল্যাব ইন্টারন্যাশনাল, বনানী এলাকায় এক্সন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিস লিমিটেড এবং হাইটেক হেলথকেয়ার লিমিটেডের ওয়্যারহাউজে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অভিযান চালায়। এ সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিশেষ ধরনের প্রিন্টিং মেশিনের সাহায্যে ছাপিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া বিভিন্ন টেস্ট কিট ও রি-এজেন্টের মেয়াদ বাড়ানোর কাজ চলছে। ওয়্যারহাউজে মজুদ করা বেশিরভাগ মেডিক্যাল ডিভাইস অননুমোদিত এবং প্রায় সব ধরনের টেস্ট কিট ও রি-এজেন্ট মেয়াদোত্তীর্ণ।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত