রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

সংক্রমিত বীজ আলু ব্যবহার করেন ৯৫ শতাংশ চাষি

দেশের দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য আলু। বছরে জনপ্রতি আলু কেনা হয় ১০৩ কেজি। বিগত ১২ বছরে আলুর উৎপাদন এবং রফতানি পর্যন্ত বাড়লেও এ শস্যের মান ও ফলন নিয়ে কথা থেকেই যাচ্ছে।

আলুর ভালো ফলন না হওয়ার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা দুষছেন সংক্রমিত বীজ ব্যবহারকে। তাদের মতে, চাষিদের ৯৫ শতাংশই ব্যবহার করেন সংক্রমিত বীজ আলু, যার ফলে এই শস্যের মান এবং ফলন আশাব্যঞ্জক হচ্ছে না। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, আলুর ফলনের ক্ষেত্রে মাত্র ৪ শতাংশ কৃষকের হাতে এই বীজ সরবরাহ করছে সরকার।

বেসরকারিখাত থেকে বীজ পান ১ শতাংশ কৃষক। এসব বীজের সঠিক সংরক্ষণ ও মান নির্ণয়ের সুযোগ থাকে বলে ফলনও হয় বেশ। কিন্তু ৯৫ শতাংশ চাষিই নিজেদের মতো করে সংরক্ষিত বীজ ব্যবহার করেন, যেখানে মান নির্ণয়ের সুযোগ নেই বলে থেকে যায় সংক্রমণ। যে কারণে হয় না ভালো ফলন। বিএডিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলেন, বেশিরভাগ কৃষকেরই নিম্নমানের বীজ ব্যবহারের কারণে আলুর কাঙ্খিত ফলন হচ্ছে না।


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত