মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

Advertisement

সংসদে সমালোচনার মুখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Advertisement

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদে সমালোচনার মুখে পড়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সমন্বয়হীনতার অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবি করেছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) ও বিএনপির সংসদ সদস্যরা।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মঞ্জুরি দাবি ও বিরোধী এমপিদের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এ দাবি করেন। এ সময় জাপা ও বিএনপির এমপিরা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করেন।

তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে ভেন্টিলেটরে যাওয়া রোগীদের প্রায় সকলেই মারা গেছেন। করোনা চিকিৎসায় ভেন্টিলেটরের কোন প্রয়োজন নেই। দেশের চার’শ ভেন্টিলেটরের মধ্যে সাড়ে তিনশ’ ব্যবহারই হয়নি। এ ছাড়াও ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকদের থাকা খাওয়ায় কোন দুর্নীতি হয়নি বলেও মন্ত্রী এসময় দাবি করেন।

তিনি বলেন, করোনার চিকিৎসায় কেউ কিন্তু আগে বলেনি পিপিই লাগবে। যখন বলা হলো তখন সারাবিশ্ব লকডাউন। এ কারণেই পিপিই পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ধীরে ধীরে ববস্থা করা হয়েছে। এখর আর এই অভিযোগ নেই। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ লাখ পিপিই সরবরাহ করা হয়েছে। এখন হাইফ্লো অক্সিজেনের প্রয়োজনের কথা বলা হচ্ছে। এক হাজার অক্সিজেনের অর্ডার দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার নতুন সিলিন্ডার বানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যরা শুধু দোষারোপ করলেও সরকারের কী কাজ করেছে তা বলেননি। চীনে কোভিড দেখা দেওয়ার পরপরই পোর্টগুলোতে স্ক্রিনিংসহ সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফলে দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৬ শতাংশ। এই হার ভারতে ৬ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে ১৪ শতাংশ। এটা এমনিতেই হয়নি। সকলে কাজ করেছে বলেই এটা হয়েছে।

চিকিৎসক আক্রান্ত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, পিপিই কীভাবে পড়তে হবে এবং খুলতে হবে এই বিষয়টি জানা না থাকার কারণেই তারা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের প্রশিক্ষণের পর আক্রান্তের হার কমে গেছে।

মন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের ৮০ শতাংশ রোগীর কোন লক্ষণ দেখা দেয় না। ১৫ শতাংশের ছোট লক্ষণ দেখা দেয়। আর ৫ শতাংশের জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। ৮০ শতাংশ রোগীকে বাসায় রেখে টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Advertisement


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত