সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১

সব কনটেইনার অফডকে খালাসের সুপারিশ

কনটেইনার জট কমাতে এবং কাজকর্মে গতিশীলতা আনতে আমদানি করা সব পণ্য অফডকে (বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) খালাসের সুপারিশ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনা মহামারীর কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা শোচনীয়। এ অবস্থায় অফডকে মালামাল খালাসের সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তা হবে আত্মঘাতী। এতে ব্যবসার ব্যয় বাড়বে। বন্দরের উচিত হবে, তৃতীয় পক্ষের সহায়তা না নিয়ে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো।

গত ১ ডিসেম্বর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দিয়ে সব পণ্য অফডকে খালাসের সুপারিশ করা হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, বিশ্বের অন্য উন্নত বন্দরে সব এফসিএল কনটেইনারের পণ্য আমদানিকারকের চত্বরে বা অফডকে খালাস করা হয়। কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি করা কনটেইনারের ২০-২২ শতাংশ অফডকে খালাস হয়, বাকি ৭০-৭৫ শতাংশ বন্দরের ভেতরে খুলে খালাস করা হয়। ফলে প্রতিদিন বন্দরের অভ্যন্তরে কয়েক হাজার ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান প্রবেশ করে। যা কনটেইনার জট, বন্দরের উৎপাদনশীলতা হ্রাস, রফতানি কার্যক্রমে ধীরগতিসহ সার্বিক নিরাপত্তাও বিঘ্নিত করে। এনবিআর থেকে ৩৭টি আইটেমের পণ্য অফডকে খালাসের অনুমতি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আইটেমের সংখ্যা বৃদ্ধি করে সম্পূর্ণরূপে ডেলিভারি কার্যক্রম আমদানিকারকের চত্বর বা অফডকে স্থানান্তর করা গেলে সমস্যার সমাধান হবে।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত