বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১

সব নাগরিককে পেনশনের আওতায় আনতে কিছু সুপারিশ

452998213

ড. তোফায়েল আহমেদ

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী  এম এ মান্নান বলেন, ‘সব নাগরিককে পেনশনের আওতায় আনার কাজ চলছে’।তথ্যটি অত্যন্ত উৎসাহ ও আনন্দের।সরকার সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অনেক গুরুত্ব দিয়ে আসছে।এরই মধ্যে গৃহহীনদের জন্য আবাসনের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ সরকার বাস্তবায়ন করেছে।দেশের ৭০ হাজার গৃহহীন পরিবার ২ শতাংশ জমিসহ নিজের বাড়িতে বসবাস শুরু করেছে।দেশে সরকারি কর্মচারীদের যে পেনশন ব্যবস্থা ব্রিটিশ আমল থেকে চালু ছিল, তাতে নানা কার্যকর সংস্কার সাধন করা হয়েছে এবং সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং সঙ্গে পেনশনের পরিমাণও বেড়েছে।দেশ একদিকে মধ্যম আয়ের কাতারে শামিল হওয়ার চেষ্টায় সফলভাবে ধাবমান এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের অঙ্গীকার বাস্তবায়নেও সমান আগ্রহী।সর্বজনীন নাগরিক পেনশন ব্যবস্থা সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত তেমনি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

দেশে বর্তমানে যে ‘পেনশন ব্যবস্থা’ রয়েছে, তা অর্থসংস্থানের দৃষ্টিকোণ থেকে টেকসই নয়।সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন পুরোপুরি জনগণের কর রাজস্ব থেকে দেয়া হয় এবং দরিদ্র-অক্ষমদের দেয়া ভাতাটি নিতান্তই দুস্থ সাহায্য শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। দুটোরই অর্থ সরাসরি সরকারের কর রাজস্ব থেকে সংস্থান করা হয়।২০১৯-২০ ও ২০২০-২১ সালের বাজেটে যথাক্রমে ৮১ হাজার ৮৮৬ ও ৯৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। ২০২০-২১ সালের বরাদ্দের ২৪ শতাংশ ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন এবং ৭ শতাংশ সঞ্চয়পত্রের সুদ বাবদ ব্যয় হবে।এখনো দেশে টেকসই কোনো ‘জাতীয় পেনশন তহবিল’ নেই।এ রকম একটি ব্যবস্থা দেশের রাজস্ব ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের একটি চাপ।পেনশনের একটি পৃথক অর্থসংস্থান উৎস থাকতে হয়, থাকতে হবে পৃথক নীতিমালা ও একটি আইন।আশা করি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অধীনে সব দিক বিবেচনা করে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে। ২০১৫ সালে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলপত্র প্রণীত হয়।সেখানে জীবনচক্র-ভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কৌশলের সুপারিশ করা হয়েছে। জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত একজন মানুষের সার্বিক জীবন-জীবিকার নিরাপত্তা একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত হয়।ব্রিটেনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকালে (১৯৮৬-১৯৯১) আমি এ বিষয় নিয়ে কিছু পড়াশোনার সুযোগ লাভ করি।পশ্চিম ইউরোপের কল্যাণরাষ্ট্রের ধারণা ও বাস্তবতাকে বাংলাদেশে প্রয়োগের চিন্তা-ভাবনা শুরু করি।এ বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, তা আমাকে ভীষণভাবে আশান্বিত করেছে।এরই মধ্যে নানা সময়ে এ বিষয়ে কিছু প্রবন্ধ পত্রপত্রিকায় লিখেছি।অনেকে বলেছেন, এসব বিষয় বাংলাদেশে হওয়ার নয়।টিভির একটি টকশোতেও বিষয়টি উঠিয়েছিলাম। সহ-আলোচক বিষয়টি বুঝতেই চাইলেন না।বর্তমানে সরকার এ বিষয়ে আগ্রহী হয়েছে, তাই এক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলাপ-আলোচনার প্রয়োজন।

প্রথম যে বিষয়টি পেনশন ব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, সেটি হচ্ছে অর্থসংস্থান।বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন রাজস্ব বাজেটের ওপর একটি বড় চাপ।এ পেনশন ব্যবস্থার সঙ্গে পেনশনারের চাকরির সময়ের কোনো চাঁদা বা কনট্রিবিউশন যুক্ত নেই।অন্যদিকে দরিদ্র ও অক্ষম বয়স্কদের যে ভাতা দেয়া হয়, তাও সরকারি রাজস্বের অংশ।তার ওপর সর্বজনীন নাগরিক পেনশনের অর্থও কি থোক হিসেবে সরকারের বর্তমান রাজস্ব কাঠামোয় সংস্থান করা সম্ভব? মনে হয় না তা টেকসই কোনো ব্যবস্থা হবে।তাই বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন চিন্তা করতে হবে। ‘সকল নাগরিকের জন্য পেনশন’—চিন্তাটির বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হতে হবে।স্বতন্ত্র একটি পেনশন তহবিল ও পেনশন আইন দ্বারা এ ব্যবস্থা পরিচালিত হবে।

অর্থসংস্থান: পেনশনের অর্থ অবশ্যই কর রাজস্ব থেকেই আহরিত হবে।আমাদের বর্তমান কর রাজস্বের দুই উৎস—আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হবে মূলত পেনশন অর্থসংস্থানের উৎস।কিন্তু আমাদের কর ভিত্তির আকার ও পরিমাণে অত্যন্ত দুর্বল।এত দুর্বল কর ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে এত বড় সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম চিন্তাই করা যায় না। তাই এ বিষয়ে সুপারিশ হবে কর ভিত্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ।বর্তমানে ৩০-৩২ লাখ লোকের টিআইএন আছে এবং সত্যিকার অর্থে ১২-১৪ লাখ টিআইএনধারী আয়কর দিয়ে থাকেন। তাতেও যে আয় হয়, তা খুব কম নয়।কিন্তু এ দেশে আয়কর প্রদানকারী ব্যক্তির সংখ্যা ও এ রাজস্ব বহুগুণ বৃদ্ধি সম্ভব।এক্ষেত্রে দুটি বিষয় গভীরভাবে ভেবে দেখা প্রয়োজন।এক. কর আয়সীমা ও করের হার যুক্তিযুক্তকরণ; দুই. করদাতাদের জন্য যথাযথ ও টেকসইপ্রণোদনা।তাছাড়া করবহির্ভূত অন্য বেশকিছু বিষয় আছে, যা দেশে সঠিক একটি রাজস্ব আহরণ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

প্রথমত, দেশে কর আয়ের নিম্নতম কোনো সীমা বা স্লাব থাকবে না এবং প্রতিটি কর্মক্ষম নাগরিক রাষ্ট্রকে কর দেবেন। এখন কি দিচ্ছেন না? দিচ্ছেন, তবে পরোক্ষভাবে দিচ্ছেন।তা ভ্যাটের মাধ্যমে দিচ্ছেন বলে সরাসরি বুঝতে পারে না।রাষ্ট্রযন্ত্রের ভয়, প্রচ্ছন্ন বা চোরাপথে না গেলে রাজস্ব আয় কমে যাবে।রাজস্ব বাড়ানোর জন্য রাষ্ট্র শুধু চোরাপথ খুঁজে বেড়ায়।১৬-১৭ কোটি মানুষের দেশে কম করে হলেও চার কোটি মানুষকে সরাসরি কর প্রদানকারীর আওতায় আনার সুযোগ আছে।আমাদের কর ব্যবস্থা করদাতাবান্ধব নয়, নিবর্তনমূলক।কর আদায় ব্যবস্থা ততোধিক অস্বাস্থ্যকর।তাই করহার হ্রাস এবং কর প্রশাসনকে করদাতাবান্ধব করে সাজাতে হবে।আয়সীমা নির্বিশেষে সবাইকে কর নিবন্ধন করতে হবে।যাদের কর দেয়ার মতো আয় নেই, তাদের বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় থাকবে।কিন্তু নিবন্ধন বাধ্যতামূলক হবে। যেমন স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে একজনের কর নিবন্ধন থাকবে এবং অন্যজন যুগল হিসেবে নিবন্ধিত হবেন।দুজনের পৃথক আয় থাকলে পৃথকভাবে নিবন্ধিত হবেন। করহার নিম্নপর্যায়ে ব্যাপকভাবে কমাতে হবে।উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১ লাখ টাকার বেশি বার্ষিক আয় হলে আয়করের আওতাভুক্ত হবেন। আয়কর দেবেন মোট আয়ের ১ শতাংশ।এভাবে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা আয়সীমা পর্যন্ত ১ শতাংশ করে বাড়বে।৫ লাখের উপরে এবং ১০ লাখে নিচের আয়শ্রেণীর জন্য নতুন একটি স্লাব হতে পারে।পরবর্তী অংকের আয়শ্রেণীর ক্ষেত্রেও আয়কর কিছু হ্রাস করার অবকাশ আছে।আয়কর উচ্চমাত্রায় ধার্য হলে সেখানে আয় লুকানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।মুসলিম করদাতাদের ক্ষেত্রে অন্য একটি বিষয় বিবেচ্য।তারা অনেকে মোট সম্পদের বা উদ্বৃত্তের ওপর আড়াই শতাংশ জাকাত দিয়ে থাকেন।জাকাত দেয়ার পর আবার উচ্চহারে করদানের বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে বিবেচনার দাবি রাখে।জাকাতের একটি পৃথক নিবন্ধন করে এনবিআর এ অর্থ গ্রহণ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে দাতাকে ওই পরিমাণ কর অব্যাহতি দিতে পারে।রাষ্ট্র এ অর্থ দুস্থ, এতিম, প্রতিবন্ধী এবং অতিদরিদ্রদের কার্যক্রমে সুনির্দিষ্টভাবে ব্যবহার করতে পারে। ‘জাকাত তহবিল’ নামে সরকারের একটি বিশেষ তহবিলও থাকতে পারে।মোদ্দাকথা হলো, চার কোটি করদাতার একটি আয়কর ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে একটি জাতীয় করনীতি প্রবর্তিত হলে সর্বজনীন নাগরিক পেনশন ব্যবস্থা সঠিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে।এটিকে একটি পাঁচ বছরব্যাপী পরিকল্পনার অধীনে আনা হলে প্রতি বছর যৌক্তিক হারে করদাতা বাড়বে এবং ষষ্ঠ বর্ষে তিন-চার কোটি করদাতার একটি ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। ২০৩০ সালের উন্নয়ন রূপকল্পে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে এবং অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় বিষয়টির সূচনা হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, যে বিষয়টি গভীরভাবে ভেবে দেখা দরকার তা হচ্ছে করদাতার প্রণোদনার বিষয়।যে  আয়করদাতা তার কষ্টের অর্জিত অর্থ রাষ্ট্রের হাতে তুলে দেন, তার প্রণোদনা, সন্তুষ্টি এবং প্রাপ্তি কী? দুটি প্রাপ্তি ও সন্তুষ্টির বিষয় থাকতে পারে। ১. করের বিনিময়ে করদাতা সরাসরি সুনির্দিষ্ট কোনো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে থাকেন। ২. করদাতা সন্তুষ্ট যে রাষ্ট্র তার অর্থ ইমানদারির সঙ্গে দেশের নানা সেবা-পরিষেবা উন্নয়ন ও সংরক্ষণে কাজে লাগাচ্ছে। তাতে কোনো দুর্নীতি, আত্মসাৎ, অপচয়, অনিয়ম ইত্যাদি নেই।এখানে একজন করদাতা কিন্তু দুদিক থেকে হতাশ।তাই বেশি করে কর রাজস্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে করদাতাদের উল্লিখিত দুটি সন্তুষ্টি বা প্রণোদনার বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এক্ষেত্রে করদাতাদের নাগরিক পেনশনের অন্তর্ভুক্তি একটি বড় প্রণোদনা হতে পারে এবং কর ব্যবস্থার সঙ্গে পেনশন ব্যবস্থার সংযুক্তি এ ব্যবস্থাকে টেকসই করতে পারে।প্রতিজন করদাতা তার সক্রিয় কর্মজীবন শেষে দেয় করহারের প্রগ্রেসিভ রেটে পেনশন পাওয়ার অধিকারী হবেন।একজন নাগরিক তিনি বেসরকারি চাকরিজীবী, কৃষিজীবী, ব্যবসায়ী, স্ব-কর্মে নিয়োজিত যেই হন, কমপক্ষে ৩০-৪০ বছর সমাজ ও রাষ্ট্রকে দেবেন; তার জীবনের শেষ সময় ৬০ বছর বয়স থেকে যতদিন বাঁচবেন, রাষ্ট্র তার দেখাশোনার দায়িত্ব নেবে।এটিই হবে একজন করদাতার কর দেয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রণোদনা।

এসব বিষয়ের আইনগত, প্রশাসনিক ও অর্থসংস্থানগত বিষয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন। 

মোটাদাগে পাঁচটি সুপারিশ

১. একটি একক মন্ত্রণালয়ের অধীনে সামাজিক নিরাপত্তা ও সর্বজনীন নাগরিক পেনশন ব্যবস্থা নিয়ে আসা হোক। অর্থ বা পরিকল্পনা যেকোনো একটি মন্ত্রণালয় নীতিনির্ধারক মন্ত্রণালয় (মুখ্য নিয়ন্ত্রক মন্ত্রণালয়) হিসেবে কাজ শুরু করতে পারে। আর সেবাদানকারী মন্ত্রণালয় ও বিভাগ হিসেবে পরবর্তী সময়ে স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশু প্রভৃতি মন্ত্রণালয় কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করবে। অর্থ বা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি অধিদপ্তর বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা মূল কাজটি সমন্বয় ও নীতি মনিটরিং করবে।

২. সরকার একটি জাতীয় পেনশন ফান্ড গঠন করবে। দেশের সব নাগরিক যাদের এনআইডি আছে, তাদের সবাইকে একটি সোস্যাল সিকিউরিটি নাম্বার এবং একটি টিআইএন নাম্বার দিয়ে দেবে। করদাতাদের দেয় আয়করের ৫ শতাংশ সরকারের পেনশন ফান্ডে এবং পেনশনারের হিসাবে সরাসরি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থানান্তর হবে। যারা কর আয়শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত নন, তারা বছরে একটি নির্ধারিত অংকের প্রিমিয়াম পেনশন তহবিলে জমা করবেন। এভাবে আয়কর ও পেনশনের একটি সম্পর্ক স্থাপিত হবে।

৩. কর প্রদান বা কোনো কনট্রিবিউশন না করলে কেউ পেনশনের অধিকারী হবেন না। এখন বেসরকারি করদাতারা কর দিয়ে তার কোনো সুবিধা পান না। আয়করের সঙ্গে পেনশনকে যুক্ত করলে সে অবস্থার অবসান হবে। দেশে করদাতার সংখ্যাও বেড়ে যাবে।

৪. আগামী অর্থবছর থেকে ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সী যারা সক্রিয় কর্মজীবনে আয়কর দিয়েছেন, তাদেরকে পেনশন দেয়া হোক।

৫. পেনশন আইন ও নীতিমালা, পেনশন তহবিল, পেনশন কর্তৃপক্ষ, এনবিআর ও পেনশন কর্তৃপক্ষ সম্পর্ক ইত্যাদি আইন, নীতিমালা ও বিধির মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়ার সব ব্যবস্থা অগ্রসর হোক।

তোফায়েল আহমেদশিক্ষাবিদ

সমাজ বিজ্ঞানী ও শাসন বিশেষজ্ঞ


© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত