সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

Advertisement

সারাক্ষণ মাস্ক পরায় বাড়াচ্ছে ব্রণ ও ত্বকের সমস্যা

Advertisement

করোনা ভাইরাসের কারণে বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষের জীবনযাপনই ওলট পালট হয়ে গিয়েছে। অদৃশ্য শত্রুকে ফাঁকি দিতে এখন বেশির ভাগ মানুষ নাক মুখ ঢেকে রাখেন মাস্কে। এর ফলেও বাড়ছে ব্রণ তথা ত্বকের সমস্যা।

ব্রণের মেডিক্যাল নাম অ্যাকনে ভালগারিস। আমাদের ত্বকের নীচে সেবেসাস গ্রন্থি থাকে। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত সেবাম বাইরের ঘাত প্রতিঘাত থেকে ত্বককে বাঁচানোর পাশাপাশি ত্বককে কোমল রাখতে সাহায্য করে। নানা কারণে রোমকূপের মুখ আটকে গেলে ব্রণ হয়। মূলত মুখেই বেশি ব্রণ দেখা যায়। তবে বুকে, পিঠে বা নিতম্বেও এই স্কিন র‍্যাশ হতে পারে।

ইদানিং লম্বা সময় মুখে মাস্ক পরে থাকার কারণে ছোট থেকে বয়স্ক অনেকেরই অ্যাকনে ভালগারিসের প্রবণতা বাড়ছে। একেই তো সেবেসাস গ্রন্থির নিঃসরণ, তার সঙ্গে যদি বাইরের ময়লা জমে রোমকূপে আটকে যায়, তা হলেই ব্রণ সমস্যা মাথাচাড়া দেয়। এর সঙ্গে জীবাণুর সংযোগে বেশ বাড়াবাড়ি রকমের ব্রণর ঝুঁকি থাকে।

ব্রণ নিয়ে বয়ঃসন্ধির ছেলেমেয়েরা এতটাই সংবেদনশীল যে, এই কারণে আত্মবিশ্বাস কমে গিয়ে হতাশা বোধ তৈরি হতে পারে। শহরাঞ্চলের বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের ব্রণ নিয়ে কিছুটা যত্নশীল হলেও প্রত্যন্ত গ্রামে অভিভাবকরা ব্রণর ব্যাপারে তেমন কোনও গুরুত্বই দেন না। এর ফলে বিভিন্ন লোকের পরামর্শে এটা ওটা লাগিয়ে সমস্যা বাড়িয়ে ফেলে অনেকে। মুখে কালো দাগ ও ত্বক অসমান ও কর্কশ হয়ে যাওয়ারও ঝুঁকি থাকে। সাধারণত অল্প-স্বল্প ব্রণ হলে আপন নিয়মেই তা সেরে যায়। কিন্তু সমস্যা বেড়ে গেলে ত্বক বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কোভিড ১৯-এর কারণে এখন সবাইকেই মাস্ক পরতে হচ্ছে। এর ফলে মুখে ব্রণ-সহ ত্বকের নানা সমস্যা বাড়ছে। যেকোনো বয়সেই মাস্কের সংস্পর্শে ব্রণর ঝুঁকি বাড়ে, বললেন পিয়ালী। বিশেষ করে যাঁদের নাগাড়ে মাস্ক পরে থাকতে হয়, তাঁদের সমস্যার ঝুঁকি বেশি। সার্জিকাল ফেস মাস্ক যে উপাদানে তৈরি, তা ভাইরাস আটকাতে অত্যন্ত কার্যকর হলেও ত্বকবান্ধব নয়। বিশেষ করে যাঁদের সংবেদনশীল ত্বক, তাঁদের নাগাড়ে মাস্ক পরার কারণে ব্রণ-সহ নানা র‍্যাশের ঝুঁকি বাড়ে। তুলনামূলক ভাবে সার্জিক্যাল মাস্ক বা কিছু না হলেও পরিষ্কার সুতির কাপড়ের মাস্ক অনেক বেশি নিরাপদ।

Advertisement


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত