শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

সেনেগালে আটকে গেল ব্রাজিল

অর্ধ কোটির মতো জনগণের দেশ সিঙ্গাপুর। প্রায় অর্ধেক তার প্রবাসী। ব্রাজিলের খেলা হওয়া স্বত্ত্বেও তাই কানায় কানায় পূর্ণ হয়নি স্টেডিয়াম। শহর খ্যাত দেশ সিঙ্গাপুরে ৫৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষম স্টেডিয়াম। তা পরিপূর্ণ হওয়া অবশ্য সহজ কথা নয়। সেনেগাল স্বাগতিক হলেও কথা ভিন্ন ছিল। তার ওপরে প্রতিবেশি চীন, কোরিয়া রিপাবলিক, জাপান, অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের খেলা ছিল। তবে মাঠে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা নিশ্চয় ম্যাচটা উপভোগ করেছেন। নেইমারদের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করে তাদের ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে সেনেগাল।

ম্যাচের নয় মিনিটের মাথায় গোল করে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। গ্যাব্রিয়েল জেসুস দারুণ এক ড্রিবলিং করে লিভারপুল তারকা রর্বাতো ফিরমিনোকে বল বাড়ান। তিনি সামান্য চিপ করে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন বল। এগিয়ে যায় ব্রাজিল। বলের দখলে আক্রমণে ব্রাজিল প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল। কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে গোল করে সমতায় ফেরে সেনেগাল।

নিজেদের অর্ধে ব্রাজিলের পিএসজি ডিফেন্ডার মারকুইনস ‘অহেতুক’ সেনেগাল তারকা সাদিও মানেকে ফাউল করেন। পেনাল্টির বাঁশি বাজাতে দেরি করেননি রেফারি। গোলও করতে ভুল করেননি ফামারা দায়েউস। পরের অর্ধে চেষ্টা চালিয়েও গোল করতে পারেনি কোন দল। শুধু ব্রাজিল নয় সমান তালে সেলেকাওদের রক্ষণভাগকে পরীক্ষা নিয়ে গেছে সেনেগাল।

ম্যাচের বল দখল, গোলে আক্রমণই তার প্রমাণ দেয়। ম্যাচে ব্রাজিল পায়ে বল রাখে ৫৩ ভাগ। সেনেগাল ৪৭ ভাগ বল পায়ে রেখে প্রমাণ দেয় তারাও পিছিয়ে ছিল না। ওদিকে ব্রাজিলের ৪৯৯ সফল পাসের বিপরীতে সেনেগাল ৪৩৬টি সফল পাস দিয়েছে মাঠে। গোছালো আক্রমণ করেছে। গোলের লক্ষ্যে ব্রাজিলের সমান চারটি শট নিয়েছে সাদিও মানেরা। গোলের বাইরে শট ব্রাজিলের ছয়টি। সেনেগালেরও ছয়টি। সব মিলিয়ে সমানে সমানে ছিল দু’দল।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত