মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

Advertisement

হাঁচি-কাশিতে ছড়ানো করোনা বাতাসে ভেসে বেড়ায়

Advertisement

করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের হাঁচি-কাশিতে দূষিত বায়ুকণার (পার্টিকেলস) মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। অর্থাৎ, বাতাসের কণায় ভাইরাসটি ভেসে বেড়াতে পারে, যদিও তা যৎসামান্য মাত্রায়। তবে ভাইরাসটি দূষিত বায়ুকণায় ভর করে কতটা দূরে ভেসে যেতে পারে এবং ওইরকম দূষিত বাতাসে নিঃশ্বাস নিলে মানুষ আক্রান্ত হবে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। যদি বাতাসের মাধ্যমে ভাইরাসটির সংক্রমণ ঘটে, তবে মহামারিতে আরও অনেক বেশি মানুষ আক্রান্ত হবে বলে আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

করোনা মহামারিতে ব্যাপক প্রাণহানির শিকার হওয়া অন্যতম দেশ ইতালি। দেশটির বিজ্ঞানীরা করোনা আক্রান্ত একটি শহুরে এলাকা এবং বারগামো শিল্প এলাকা থেকে বায়ু দূষণের নমুনা সংগ্রহ করেন। ওই নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তারা দেখেছেন, তাতে কোভিড-১৯ ভাইরাসের জিন উপস্থিত। তারা একাধিকবার এবং স্বতন্ত্র ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা চালিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন, পার্টিকেলের সঙ্গে করোনার এক প্রকারের জিন স্পষ্ট।

গবেষকরা বলছেন, করোনায় আক্রান্ত মানুষ যখন হাঁচি দেন, কফ বা থুথু ফেলেন, তখন তার ভারি কণাগুলো  মাটিতে এক বা দুই মিটার দুরে পতিত হয়। কিন্তু যেগুলো অতিসূক্ষ্ম বা ৫ মাইক্রোগ্রামের ছোট কণা, সেগুলো বাতাসে ভেসে বেড়ায়। এই ছোট কণা বাতাসে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত ভেসে থাকতে পারে। যেতে পারে দূরেও। প্রসঙ্গত, যে এলাকা থেকে দূষণকণা সংগ্রহ করা হয়েছে, ওই এলাকায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে করোনায়।

গবেষক দলের প্রধান ইতালির বোলোগনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিওনার্দো সেটি বলেন, এখন গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ভাইরাসটি দূষিত বাতাসের পার্টিকেলে ভর করে কতটা দূরে যেতে পারে, সেটি খতিয়ে দেখা। এছাড়া বাতাসে যে সামান্য মাত্রায় ভাইরাসটি ভেসে বেড়ায়, ওই মাত্রা মানুষকে আক্রান্ত  করতে পারে কিনা?

Advertisement


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত