সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০

হাজার হাজার কোটি টাকার নদী খনন শুভংকরের ফাঁকি

দেশে হাজার কোটি টাকার নদী খনন হলেও সেই সব কাজ দৃশ্যমান নয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এটিকে শুভংকরের ফাঁকি উল্লেখ করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কাছে আগামী একমাসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে তারা। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে একথা বলেন কমিটির সভাপতি আ স ম ফিরোজ এমপি। 

তিনি আরও বলেন, নদী ড্রেজিংয়ের ব্যাপারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানকে বলেছে সংসদীয় কমিটি।  নদী খনন করে বালু নদীতেই রাখা হয়।  এটা একটা শুভংকরের ফাঁকি।  সংসদীয় কমিটি বলেছে- নদী খননের পর সরকারি জমি বা ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি লিজ নিয়ে বালি রাখা হোক।  হাজার হাজার কোটি টাকার নদী খনন হয় কিন্তু এসবের কিছুই দৃশ্যমান নয়।  এখন আরিচা, গোয়ালন্দ, মাওয়া ঘাটসহ বেশ কয়েকটি ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে গেছে।  অথচ তারা বলেছে ড্রেজিং করেছে।  তাই এ ব্যাপারে কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চেয়েছে।  এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ কী করছে, সে বিষয়ে আগামী একমাসের মধ্যে প্রতিবেদন চেয়েছে সংসদীয় কমিটি।


©  দেশবার্তা কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত