ইংল্যান্ডে থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না হামজা। তবে পুরস্কার জেতার অনুভূতি ঠিকই প্রকাশ করেছেন লেস্টার সিটির এই মিডফিল্ডার।
এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘এই পুরস্কার পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি। কুল-বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড দেশের ঐতিহ্যবাহী পুরস্কার। আমি আমার পরিবার, কোচ, সতীর্থ, বন্ধু এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সারা বছর ধরে আমাকে ও জাতীয় দলকে সাপোর্ট দেওয়া জন্য।
প্রথমবার এই ক্রীড়া পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬৪ সালে। সবমিলিয়ে ১৬ বিভাগে মোট ১৫ জন ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সংস্থা পুরস্কার জিতেছেন।
পুরস্কার বিজয়ীরা—
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ : হামজা চৌধুরী (চ্যাম্পিয়ন), ঋতুপর্ণা চাকমা (রানারআপ), আমিরুল ইসলাম (রানারআপ)।
পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড : হামজা চৌধুরী।
বর্ষসেরা ক্রিকেটার : রিশাদ হোসেন।বর্ষসেরা ফুটবলার : হামজা চৌধুরী ও ঋতুপর্ণা চাকমা।
বর্ষসেরা হকি খেলোয়াড় : আমিরুল ইসলাম।
বর্ষসেরা আর্চার : আবদুর রহমান আলিফ।
বর্ষসেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় : খই খই সাই মারমা।
বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় : আল আমিন জুমার।
বর্ষসেরা কোচ : পিটার বাটলার (নারী ফুটবল)।
বর্ষসেরা আম্পায়ার : সেলিম লাকী (হকি)।
বর্ষসেরা সংগঠক : কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল (আর্চারি)।
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ : রিপন মন্ডল (ক্রিকেট)।
তৃণমূলের ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব : আলমগীর কবীর (ক্রিকেট কোচ)।
বিশেষ সম্মাননা : শাহনাজ পারভীন মালেকা (কাবাডি কোচ)।
সেরা পৃষ্ঠপোষক : প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।
সক্রিয় ফেডারেশন : বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন।
ক্রীড়া ডেস্ক :