ডেস্ক নিউজ : সনদ জাল বা ভুয়া বলে চিহ্নিত হওয়া আরও ১৪১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন মাদরাসার ১১৪ জন, কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং কারিগরি পর্যায়ের ৩ জন শিক্ষক।
নোটিশে কেন তাদের এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান) বাতিল বা স্থগিত, নিয়োগ বাতিল এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না, সে বিষয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রবিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পৃথকভাবে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। গত ২৩ মে মাউশি প্রথম ধাপে ৬৩ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়।
এর আগে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব শিক্ষকের সনদ জাল বা ভুয়া বলে চিহ্নিত করে। এর ভিত্তিতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে তালিকাসহ সুপারিশ পাঠায় ডিআইএ।
পরে মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে চিঠি দেয়। এখন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ডিআইএ চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই দফায় মোট ৭৩৩ জন শিক্ষকের সনদ জাল চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায় ৪৭১ জনের তালিকা গত ১৬ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠিয়ে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন ও কারিগরি পর্যায়ের ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
আর গত ২৭ এপ্রিল মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগে ২৬২ জন জাল সনদধারী তথ্য পাঠিয়ে একই সুপারিশ করে সংস্থাটি। ২৬২ জনের মধ্যে ২৫১ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও বাকি ১১ জনের বিপিএড, বিএড বা গ্রন্থাগার বিষয়ের সনদ জাল।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472