এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি—যা সামগ্রিক উৎপাদন খরচকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রধান বাজার। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। মার্চ মাসে রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, আর চলতি অর্থবছরের সামগ্রিক হিসাবেও প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক ধারায় রয়েছে।
উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সামনের মাসগুলোতে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার মধ্যে বাংলাদেশি পোশাক খাত এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নতুন অর্ডার কমে যাচ্ছে, অনেক ক্রেতা অপেক্ষায় থাকছে অথবা বিকল্প বাজার খুঁজছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে ক্রেতারা অন্য দেশে ঝুঁকে পড়তে পারেন—যা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সংকট মোকাবিলায় সরকার কিছু তাৎক্ষণিক উদ্যোগ নিয়েছে। পোশাক কারখানাগুলোর জন্য বিশেষ ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ সহজ করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, দ্রুত স্থায়ী সমাধান না এলে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাতটি বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে উৎপাদন আরও কমবে, রপ্তানি হ্রাস পাবে এবং কর্মসংস্থানেও প্রভাব পড়বে।
অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এই খাতকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
ডেস্ক নিউজ : দেশে তীব্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব এবার সরাসরি আঘাত হানছে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতে। দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিং, ডিজেলের ঘাটতি এবং উৎপাদন ব্যয়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি সব মিলিয়ে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ধরে রাখা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে উদ্যোক্তাদের মধ্যে।