Close Menu
    What's Hot

    হরমুজে আসলেই জাহাজ জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের

    3 March, 2026

    প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

    3 March, 2026

    পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও

    3 March, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • হরমুজে আসলেই জাহাজ জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের
    • প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত
    • পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ আজ, দেখা যাবে বাংলাদেশ থেকেও
    • আমিরাতে অ্যামাজনের একাধিক ডেটা সেন্টার ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত
    • সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানে অভিযান
    • ৩০ বছর পর মন্ত্রণালয়ে বাবার চেয়ারে বসলেন পুতুল
    • সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, বিকট বিস্ফোরণ
    • চারদিনে বাংলাদেশ থেকে বাতিল হলো ১৩১ ফ্লাইট
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    3 March, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home»জাতীয়

    বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

    MisuBy Misu30 December, 2025 জাতীয় No Comments4 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    ডেস্ক নিউজঃ আপসহীন নেত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।

    অন্যদিকে, বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আমরা তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তার বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

    বার্তায় আরও জানানো হয়, মৃত্যুর সময় এভারকেয়ার হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, ছোট ছেলের স্ত্রী শামিলা রহমান সিঁথি, ছোট ভাই শামীম এসকান্দার, ছোট ভাইয়ের স্ত্রী, বড় বোন সেলিনা ইসলামসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

    এছাড়া, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় নিয়োজিত মেডিকেল বোর্ডের সব সদস্য মৃত্যুর সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় তা সম্ভব হয়নি।

    উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান।

    বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো সংসদীয় নির্বাচনে কোনো আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।

    ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তার জন্ম। তার বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন। তাদের আদি বাড়ি ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।

    জিয়াউর রহমান বীর উত্তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর বেগম জিয়া ফার্স্ট লেডি হিসেবে তার সঙ্গে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন। এ সময় তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসহ বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ৪৪ বছর আগে রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিহত হন সেনাবাহিনীর বিপথগামী একদল সদস্যের হাতে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে খালেদা জিয়া অবস্থান করছিলেন ঢাকা সেনানিবাসে। সেসময় বিএনপি ছিল বিপর্যস্ত। দলের নেতৃত্ব কে নেবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল। এমন পরিস্থিতিতে ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে যোগ দেন।

    রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তা দিয়ে দ্রুতই দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ সালের ১২ জানুয়ারি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন এবং একই বছরের ১০ মে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯৩, ২০০৯ এবং ২০১৬ সালের কাউন্সিলে তিনি আরো তিনবার চেয়ারপারসন হন।

    দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন তিনি। দলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। কোনো সমঝোতা ছাড়াই দেশ ও জনগণের স্বার্থে আন্দোলন চালিয়ে যান। এতে এরশাদের পতন ত্বরান্বিত হয়। ১৯৮৭ সাল থেকে তিনি এরশাদ হটাও এক দফা আন্দোলন শুরু করেন এবং দীর্ঘ সংগ্রামের ফলেই ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।

    ১৯৯১ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া। এরপর ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয়বার এবং ২০০১ সালে জোটগতভাবে নির্বাচন করে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। সার্কের চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি দুইবার দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনী ইতিহাসে তার একটি অনন্য রেকর্ড হলো পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনে ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতে জয়ী হওয়া।

    সেনাসমর্থিত ওয়ান ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ কারাবাসের পর তিনি সব মামলায় জামিন পান। কারাগারে থাকাকালে তাকে বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি দেশ ছাড়েননি।

    ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। বাড়িটিতে তিনি ২৮ বছর বসবাস করছিলেন। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার বাড়িটি তার নামে বরাদ্দ দিয়েছিলেন।

    গত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তার বিরুদ্ধে ৩৭টি মামলা হয়। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের আপসহীন নেত্রীতে পরিণত হয়েছিলেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে এবং ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর তিনি গ্রেফতার হন। ওয়ান ইলেভেনের সময়ও তার ওপর গ্রেফতারি ঝড় নেমে আসে। দেশ ছাড়ার জন্য চাপ থাকলেও তিনি তার অবস্থান থেকে সরে যাননি। গত ১৫ বছরে নানা নির্যাতনের মুখে পড়তে হয়েছে, কারাগারেও থাকতে হয়েছে। তবুও খালেদা জিয়া কোনো আপস করেননি।

    বেগম খালেদা জিয়ার পুরো রাজনৈতিক যাত্রা আপসহীনতা, দৃঢ়তা এবং সংগ্রামের প্রতীক হয়ে আছে। তাই তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের রাজনীতিতে হার না মানা সংগ্রামের নাম।

    Misu
    • Website

    Keep Reading

    প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

    ৩০ বছর পর মন্ত্রণালয়ে বাবার চেয়ারে বসলেন পুতুল

    চারদিনে বাংলাদেশ থেকে বাতিল হলো ১৩১ ফ্লাইট

    ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু আজ

    ইরাকে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিশেষ সতর্কবার্তা

    জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    Your source for the serious news. This demo is crafted specifically to exhibit the use of the theme as a news site. Visit our main page for more demos.

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.