আবহাওয়া ডেস্কঃ নওগাঁয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। বুধবার সকাল ৬টার দিকে জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এটিই এ বছরে সারা দেশের এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে রাজশাহীতে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
জানা যায়, কুয়াশার ঘনত্ব তুলনামূলক কম থাকলেও হিমেল বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। ফলে সকাল থেকেই নগর ও গ্রামাঞ্চলে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। ঠাণ্ডার কারণে ব্যাহত হচ্ছে এ মৌসুমের ধান রোপণ। কষ্টে আছেন ছিন্নমূল মানুষ। গত তিন দিন থেকেই এমন আবহাওয়া বইছে জেলাজুড়ে।
নওগাঁ সদরের বোয়ালিয়া গ্রামের কৃষক সামিউল ইসলাম বলেন, অনেক ঠান্ডা পড়েছে। এই ঠান্ডায় জমিতে যেতেই ভয় লাগে। তারপরও যেতে হয়।
শহরের তাজের মোড়ের অটোরিকশা চালক সালাম ও বক্কর বলেন, মাঝে মাঝে ভাবি, এই ঠান্ডায় গাড়ি নিয়ে বের হবো না। কারণ ঠান্ডার কারণে যাত্রী বের হতে চায় না। তারপরও জীবিকার তাগিদে বের হতে হয়।
হাপানিয়া এলাকার বাসিন্দা স্বপন আহমেদ বলেন, সন্ধ্যার পর থেকেই শীতের প্রকোপ বেড়েছে। সেই সঙ্গে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতা কয়েকগুণ বাড়িয়েছে। সন্ধ্যার পর থেকেই গরম কাপড় পরে চলাফেরা করছে মানুষ। ভোর থেকে এখনো পর্যন্ত কুয়াশায় আচ্ছন্ন আছে চারপাশ।
বদলগাছী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, টানা তিন সপ্তাহ ধরে বৈরী আবহাওয়া জনজীবনে প্রভাব পড়েছে। বুধবার সকাল ৬টায় ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এই মৌসুমে এটিই সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড। জেলায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ চলছে। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472