মাসুদ মৃধা স্টাফ রিপোর্টার:
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নে শ্রমিকদল রাজনীতিতে এক সুদৃঢ় ও আস্থার নাম জহিরুল ইসলাম জনি। তিনি বর্তমানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়, সামাজিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এই ত্যাগী নেতা।
জহিরুল ইসলাম জনি শুধু একজন রাজনৈতিক সংগঠকই নন, তিনি একজন সৎ, আদর্শবান ব্যবসায়ী, পাশাপাশি দানশীল সমাজসেবক হিসেবেও এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিত ও শ্রদ্ধেয়। দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় শ্রমিকদের সহায়তা করা এবং সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ কোন্ডা ইউনিয়নে একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নির্বাচনী প্রচারণায় শ্রমিক দলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই প্রচারণায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দল রাজপথে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এর নেপথ্যে অন্যতম সংগঠক হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছেন জহিরুল ইসলাম জনি।
নির্বাচনী প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরীর সার্বিক দিকনির্দেশনায়। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচনী কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রতিটি ইউনিট ও অঙ্গসংগঠনকে সুসংগঠিতভাবে মাঠে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করছেন। তার নির্দেশনায় শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ, লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিচ্ছেন।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, জহিরুল ইসলাম জনি ১৭ বছর নির্যাতিত নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার হামলা, মামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবুও তিনি কখনো রাজপথ ছেড়ে যাননি। বরং প্রতিটি প্রতিকূলতার মুখে আরও দৃঢ় সংকল্পে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
স্থানীয় শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের মতে, জহিরুল ইসলাম জনির নেতৃত্বে কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দল আজ ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত। তার সততা, ত্যাগ ও মানবিক গুণাবলি শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করেছে। নির্বাচনী মাঠে এই আস্থা বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পক্ষে জনসমর্থন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের মতো শ্রমঘন এলাকায় শ্রমিক দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ নির্বাচনের ফলাফলে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। আর সেই অংশগ্রহণের অন্যতম চালিকাশক্তি হচ্ছেন জহিরুল ইসলাম জনির মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা।
সব মিলিয়ে বলা যায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক দল আজ রাজপথে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। আর এই লড়াইয়ে ১৭ বছরের নির্যাতিত নেতা জহিরুল ইসলাম জনির নেতৃত্ব শ্রমিক সমাজের জন্য একটি অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472