Close Menu
    What's Hot

    ছড়ালেন বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া

    20 August, 2026

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা

    20 August, 2026

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সব দল অঙ্গীকারবদ্ধ : তথ্যমন্ত্রী

    20 August, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • ছড়ালেন বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া
    • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা
    • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সব দল অঙ্গীকারবদ্ধ : তথ্যমন্ত্রী
    • স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
    • প্রতি উপজেলায় ১৫০ শয্যার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
    • ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেশি যে পাঁচ জেলায়
    • রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৬, মাদক-অস্ত্র উদ্ধার
    • YegaraBet Your Gateway to Online Betting Adventure
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    20 August, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেশি যে পাঁচ জেলায়

    ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেশি যে পাঁচ জেলায়

    NasimBy Nasim20 August, 2026 জাতীয় No Comments5 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বাংলাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা জুলাই মাস থেকেই বাড়ছে। তবে অগাস্টের তিন সপ্তাহেই জুলাইয়ের চেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে (১৯ শে অগাস্ট পর্যন্ত) প্রায় ১১ হাজার মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    এর আগে জুলাইয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন নয় হাজার ২০০-এর বেশি ডেঙ্গু রোগী। এদিকে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৭৬ জন মারা গেছেন। আর আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ২৬ হাজারের বেশি।

    তবে অন্যান্য বছরের মতো ডেঙ্গুর প্রকোপ এখন আর মূলত রাজধানী ঢাকা-কেন্দ্রিক নয়। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলাতেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। ফলে কোন কোন এলাকায় ডেঙ্গু দ্রুত ছড়াচ্ছে এবং সামনে পরিস্থিতি কোথায় বেশি খারাপ হতে পারে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সাধারণত এডিস মশার প্রজননের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

    বৃষ্টির পর বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা সামনে আরও বাড়বে কি না, সেই প্রশ্নও সামনে আসছে।

    ঢাকার বাইরে বেশি সংক্রমণ যে পাঁচ জেলায়
    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাজধানী ঢাকায় গত জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ৩৪ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন সাত হাজারের বেশি রোগী।

    ঢাকার বাইরে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে খুলনা জেলায়। এই জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৬০০ জনেরও বেশি। মৃত্যুর দিক থেকেও সর্বোচ্চ খুলনা জেলা, যেখানে এই রোগে মারা গেছেন মোট ১৪ জন। এরপরই হলো চট্টগ্রাম জেলা, সেখানে আক্রান্ত এক হাজার ৩৯১ জন, মারা গেছেন তিনজন।

    তৃতীয় অবস্থানে বরিশালের পিরোজপুর। সেখানে এ বছর এখন পর্যন্ত এক হাজার দু’শোর বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন এক জন। আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে আছে ময়মনসিংহ জেলা। সেখানে ৯২৪ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ছয় জন।

    ঢাকা বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে গাজীপুরে এখন পর্যন্ত ৭২০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে সেখানে কারও মৃত্যু হয়নি। এই বিভাগে শুধু ঢাকার মানিকগঞ্জে একজন ডেঙ্গুতে মারা গেছেন। একসময় সাধারণত ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেশি দেখা গেলেও এবার ঢাকার বাইরের কয়েকটি জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা আগের চেয়ে বেশি।

    জনস্বাস্থ্য ও মহামারী বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে বলেন যে, তারা হিসেব করেছিলো যে এ বছর উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে বরগুণা, ঝালকাঠী ও পিরোজপুরে এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি বেশি পাওয়া গেছে।

    এর একটি কারণ হিসেবে উপকূলীয় এলাকার লবণাক্ততা ও বছরব্যাপী বৃষ্টির পানি মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করে রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    কোনো পাত্র বা স্থানে ৪৮ ঘণ্টার বেশি পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশার ডিম পাড়া ও লার্ভা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে উল্লেখ করে তিনি জানান, সংরক্ষিত পানিতে ক্লোরিন ট্যাবলেট ব্যবহার করলে মশার লার্ভা ধ্বংস করা সম্ভব। কিন্তু কিছু এলাকায় এ বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা করা হলেও সব লবণাক্ত এলাকায় একইভাবে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হয়নি।

    গাজীপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপের ক্ষেত্রে ঘনবসতি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে দেখছেন ডা. মুশতাক। তিনি বলেন, নিম্ন আয়ের বিপুলসংখ্যক মানুষের বসবাসের কারণে ওই এলাকার পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ব্যক্তিগতভাবে সম্ভব নয়। সেখানের পরিবেশের মান উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ প্রয়োজন।

    ময়মনসিংহের ক্ষেত্রেও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও পানি জমে থাকার মতো বিষয় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশের আট বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাহাড় চট্টগ্রাম বিভাগে। ডেঙ্গু আক্রান্তের দিক থেকে এবার চট্টগ্রাম জেলা দ্বিতীয়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, চট্টগ্রাম পাহাড়ি বা গাছপালাযুক্ত এলাকা হওয়ায় বৃষ্টির পানি জমে থাকে সেখানে। কিন্তু ডেঙ্গুর বিস্তারের মূল কারণ সেটি না। ডা. মুশতাক বলেন, ‘চট্টগ্রাম আর ঢাকা একই রকম। পাহাড়ি এলাকা জনবিরল হলে কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু যখন সেটি ঘনবসতিপূর্ণ হয়, তখনই ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ে’।

    এদিকে, কীটতত্ত্ববিদ ও জাতীয় নদী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, উপকূলীয় এলাকা ছাড়াও যেসব এলাকার পানিতে আর্সেনিক বেশি, ওই সব এলাকায়ও ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেশি হতে পারে।

    এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, আর্সেনিকপ্রবণ এলাকায় মানুষ অনেক সময় আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে বিভিন্ন পাত্রে জমিয়ে রাখেন। দীর্ঘ সময় ধরে এভাবে পানি সংরক্ষণ করা হলে সেসব পাত্র এডিস মশার প্রজননস্থল হয়ে উঠতে পারে।

    ডেঙ্গু বাড়ার পেছনে আর কী কী কারণ?
    পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রজাতির মশা রয়েছে। বাংলাদেশে যেসব প্রজাতি বেশি দেখা যায় তার মধ্যে অ্যানোফিলিস, এডিস ও কিউলেক্স এই তিন ধরনের মশাই বেশি ক্ষতিকর।

    স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়। এডিস মশার কামড়ে ছড়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া। আর ফাইলেরিয়া বা গোদরোগের কারণ কিউলেক্স মশার কামড়। ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক হলো এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস এলবোপিকটাস জাতের মশা।

    কীটতত্ত্ববিদ মনজুর আহমেদ চৌধুরী জানান, এডিস ইজিপ্টাই প্রধানত শহরকেন্দ্রিক। আর এডিস এলবোপিকটাস জাতের মশা গাছপালা বেশি থাকা গ্রামীণ এলাকায় বেশি দেখা যায়।

    ‘হাঁড়ি-পাতিল, প্লাস্টিকের বোতল, ক্যান, দইয়ের পাত্রসহ বিভিন্ন কৃত্রিম পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস ইজিপ্টাই বংশবিস্তার করে। সেজন্য একে বলাই হয় কন্টেইনার ব্রিডিং মসকুইটো। অন্যদিকে, গাছের কোটর বা কচুর পাতার গোড়ার মতো প্রাকৃতিকভাবে পানি জমে থাকা স্থানে এডিস এলবোপিকটাস মশার প্রজনন হয়।’

    তার মতে, ডেঙ্গু ছড়ানোর ক্ষেত্রে এডিস ইজিপ্টাই তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর বাহক। তবে কোনো কোনো এলাকায় এলবোপিকটাস-ই প্রধান বাহক হিসেবে কাজ করতে পারে।

    এমন এলাকাও আছে যেখানে এডিস ইজিপ্টাই পাওয়া না গেলেও ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছে। এ কারণেই ডেঙ্গুকে এখন আর শুধু শহরকেন্দ্রিক রোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    Nasim

    Keep Reading

    ছড়ালেন বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সব দল অঙ্গীকারবদ্ধ : তথ্যমন্ত্রী

    স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

    প্রতি উপজেলায় ১৫০ শয্যার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

    পিক আওয়ারে দেশজুড়ে ৫২৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.