Close Menu
    What's Hot

    নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের ‘চাপ’, আজই যুদ্ধবিরতির আলাপে বসছে ইসরায়েল-লেবানন

    16 April, 2026

    মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন মাহেরীন চৌধুরী

    16 April, 2026

    সংস্কৃতিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন হানিফ সংকেত

    16 April, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের ‘চাপ’, আজই যুদ্ধবিরতির আলাপে বসছে ইসরায়েল-লেবানন
    • মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন মাহেরীন চৌধুরী
    • সংস্কৃতিতে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পেলেন হানিফ সংকেত
    • খালেদা জিয়ার পক্ষে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন নাতনি জাইমা রহমান
    • আমার এলাকার হাসপাতাল ‘নিজেই একটা রোগীর মতো’: সংসদে রুমিন ফারহানা
    • দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বন্ধ দোকানে মিলল ব্যবসায়ীরা মরদেহ
    • মাছ খেলে আপনাদের বাংলাদেশি বলা হবে: মমতা
    • সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    16 April, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিট ব্যুরোর সদস্য কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা প্রয়াত কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর স্মরণে শোকসভা

    বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিট ব্যুরোর সদস্য কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা প্রয়াত কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর স্মরণে শোকসভা

    News DaskBy News Dask16 April, 2026 অন্যান্য No Comments6 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের আপসহীন বিপ্লবী নেতা কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর শোকসভা আগামীকাল ১৭ এপ্রিল ২০২৬, শুক্রবার, বিকাল ৪টায়, ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। শোকসভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রয়াত কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শোকসভা আয়োজক জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সভাপতি ব্রিগেঃ জেনাঃ (অবঃ) ডাঃ এম. জাহাঙ্গীর হোসেন। শোকসভা সফল করতে সর্বস্তরের সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সকল গণতান্ত্রিক ব্যক্তি, শক্তি ও সংগঠনের নেতা-কর্মি-দরদি-সমর্থকদের উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হলো।

    উল্লেখ্য, কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল) ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী-এ’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পলিট ব্যুরোর সদস্য। তিনি ১৯৫১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার পদ্মা পাড়ের ফারাকপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুর রহিম রেলওয়েতে কর্মরত ছিলেন এবং মা আমেনা খাতুন ছিলেন গৃহিনী। তিনি ৫ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে বড় বোনের পর দ্বিতীয় এবং ভাইদের মধ্যে বড় ছিলেন। তিনি দৌলতপুর মহসিন স্কুল থেকে ১৯৬৭ সালে মেট্রিক এবং ১৯৬৯ সালে বিএল কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন। ১৯৬৯-৭০ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবস্থায় পার্টি বিপ্লব অগ্রসর করার লক্ষ্যে ব্যক্তিগত সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য এবং আত্মপ্রতিষ্ঠার মোহ ত্যাগ করে সার্বক্ষণিক বিপ্লবী কর্মি হিসেবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেন। এ সময়টা দক্ষিণ এশিয়া ও পাকিস্তানের রাজনীতিতে আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার যেমন মুখোমুখি অবস্থান ছিলো, তেমনই বিশ্বব্যাপী সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের দালাল বিরোধী গণআন্দোলন-গণসংগ্রাম ও বিপ্লবের ছিল উত্তাল সময়। এ সময়ে বিশ্বের পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোতে শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব এবং নয়াঔপনিবেশিক-আধাসামন্তবাদী দেশগুলোতে জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব তথা বিশ্ববিপ্লবকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত তীব্রতর হয়ে উঠে।

    সমাজাতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নে ১৯৫৩ সালে কমরেড স্ট্যালিনের মৃত্যু এবং ১৯৫৪ সালে সংশোধনবাদী ক্রুশ্চেভ চক্র ক্ষমতাসীন হয়ে ১৯৫৬-এর ধারাবাহিকতায় ১৯৬০-এর দশকে ক্রুশ্চেভ-ব্রেজনেভ সংশোধনবাদ সামনে আনা হলে এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহাবিতর্ক শুরু হয়। প্রয়াত কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল) এই মহাবিতর্কে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) বিকল্প বিপ্লবী ধারার পক্ষে থাকেন। তিনি ১৯৬৮-৬৯-এর গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে খুলনায় মন্ত্রী সবুর খানের বাড়ী ঘেরাও কর্মসূচির রূপকার ও নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সভ্যপদ লাভ করেন। ১৯৭০-৭১ সালে পার্টির খুলনা জেলা কমিটির নবীন ও সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ১৯৭১ সালের বিপ্লবী যুদ্ধে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের চীন ঘেরাও নীতির প্রেক্ষিতে পাকিস্তান সরকার ভারতের সাথে যুক্ত হয়ে ১৯৬২-এর চীন-ভারত যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ১৯৬৫ সালে ভারতকে দিয়ে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত করে। এতে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬৬ সালে আওয়ামীলীগকে দিয়ে ৬-দফার আন্দোলন প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানকে দ্বিখন্ডিত করার পরিকল্পনায় অগ্রসর হয়। এ সময়ে প্রতিপক্ষ সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদও বসে থাকে না। এ প্রেক্ষিতে আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে যুদ্ধ শুরু হয়।

    প্রতিবিপ্লবী এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী যুদ্ধ গড়ে তোলা হয়। দেশব্যাপী বিপ্লবী যুদ্ধকে অগ্রসর করার প্রেক্ষিতে ‘গণমুক্তি ফৌজ (PLA-Peoples Liberation Army)’ গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিপ্লবী সেনাবাহিনী, গেরিলা স্কোয়াড, ঘাঁটি এলাকা, মৌসুমি ঘাঁটি এলাকা ইত্যাদি গড়ে তুলে বিপ্লবী যুদ্ধকে অগ্রসর করা হয়। খুলনা জেলার বিভিন্ন লড়াইতে গুরুত্বপূর্ণ ও নেতৃত্বকারী ভূমিকা পালন করেন কমরেড রউফ। এ সময়ে ২৬ নভেম্বর ১৯৭১ সালে কমরেড রউফ গুলিতে আহত হন। আহত হয়ে প্যারালাইজড অবস্থায় তাকে স্ট্রেচারে করে চলাচল করতে হতো। এ সময়ে এলাকার পতন না হওয়া পর্যন্ত তিনি নৌকায়, পায়ে পায়ে স্ট্রেচারে করে বিভিন্ন অঞ্চলে বিপ্লবী সেনাবাহিনীর সাথেই থাকতেন। বাংলাদেশ হওয়ার পর ১৯৭২ সালে কমরেড রউফকে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় পাঠানো হয়। তাঁর চিকিৎসায় ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। চিকিৎসায় কমরেড আব্দুর রউফ জীবনে বেঁচে গেলেও তাঁর নিম্নাঙ্গ অর্থাৎ মেরুদন্ডের নীচের অংশ দুই পা অকার্যকর হয়ে যায়। তখন থেকে তিনি পায়ে ভর করে চলাফেরা করতে পারতেন না। দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং ক্রাচে ভর দিয়ে চলাফেরা করতেন। কোলকাতা থেকে ফিরে আসার পর তিনি বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে চলেন। ফিরে আসার পর প্রথমে খুলনা জেলার সাথে যুক্ত হন।

    বাংলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনে মতাদর্শিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামে তিনি উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর আন্তর্জাতিকতাবাদী লাইনের পক্ষে কমরেড রউফ দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনে সামরিক শাসক মার্কিনের দালাল জিয়াউর রহমান সরকারকে মোহাম্মাদ তোয়হা’র নেতৃত্বে সাম্যবাদী দল ‘দেশপ্রেমিক সরকার’ এবং ইদ্রিস লোহানী-সত্য মৈত্রী’র নেতৃত্বে বিসিপি (এম-এল)’র ‘জাতীয় সরকার’ হিসেবে বক্তব্য প্রদান করে। এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল) বাংলাদেশ একটি নয়াঔপনিবেশিক-আধাসামন্তবাদী রাষ্ট্র এবং জিয়াউর রহমানকে মার্কিনের দালাল হিসেবে চিহ্নিত করে পাটির্র মূল্যায়ন উর্ধ্বে তুলে ধরা হয়। এ প্রেক্ষিতে কমরেড রউফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৭ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি প্রদত্ত সংশোধনবাদী ‘তিন বিশ্ব তত্ত্ব’-এর বিরুদ্ধে কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে পার্টির তুলে ধরা মার্কসবাদ-লেনিনবাদী লাইনকে প্রতিষ্ঠায় তিনি নেতৃত্বকারী ভূমিকা রাখেন। ১৯৮৩ সালে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ পার্টি কংগ্রেসে পার্টির তাত্ত্বিক ভিত্তি হিসেবে মাও সেতুং চিন্তাধারা বাদ দিয়ে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, পার্টির সামরিক লাইন উন্নত করতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা গ্রহণ এবং কন্ট্রোল কমিশনের সদস্য হিসেবে কমরেড রউফ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত বিশেষ কংগ্রেসে মাও সেতুং চিন্তাধারার মূল্যায়ন ও এর স্বরূপ উন্মোচনে কমরেড আবদুল হক-এর সাথে তিনি অনন্য ভূমিকা গ্রহণ পালন করেন।

    ১৯৯০-৯১ সালে আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনে সাম্রাজ্যবাদী পরিকল্পনায় যে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি করা হয় তা মোকাবেলায় কমরেড আবদুল হক-এর নেতৃত্বে নির্ধারিত সময়ের এক বছর এগিয়ে এনে ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত ৮ম পার্টি কংগ্রেসে পার্টির নেতৃত্বে সকল রূপের সংশোধনবাদের বিরুদ্ধে মার্কসবাদ-লেনিনবাদের ভিত্তিতে পার্টি লাইনে সংগঠন-সংগ্রাম পরিচালনার যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় তা কার্যকরী করতে ৮ম কেন্দ্রীয় কমিটি নির্বাচিত হয়। কমরেড আবদুল হক-এর জীবদ্দশায় কমরেড আব্দুর রউফ পার্টির ৮ম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৫ সালে কমরেড আবদুল হক-এর মৃত্যুকে তাৎপর্যমন্ডিত করাসহ বাংলাদেশে বিসিপি’র ট্রটস্কিবাদী অবস্থান থেকে সংশোধনবাদের স্বরূপ উন্মোচন করে মতাদর্শিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামকে সফল পরিণতিতে নেওয়া হয়। কমরেড আব্দুর রউফ-এর নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত পার্টির ৯ম পার্টি কংগ্রেসে পার্টির সামরিক লাইনে সশস্ত্র সংগ্রাম ও বিপ্লবী যুদ্ধের সাথে গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানের সার্থক সমন্বয় সাধনের প্রেক্ষিতে সামরিক লাইন উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ৯ম কেন্দ্রীয় কমিটিতে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে অব্যাহত থাকেন। শারীরিক কারণে ২০০৬ এবং ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত দশম ও একাদশ কংগ্রেসে তিনি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে না থাকলেও কার্যত তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর তাত্ত্বিক নেতা।

    কমরেড আব্দুর রউফ (মুকুল)-এর মৃত্যুতে বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টি (এম-এল)-এর কেন্দ্রীয় কমিটি গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং তাঁর অসমাপ্ত বিপ্লবী দায়িত্ব পালনে দীপ্ত শপথ গ্রহণ করছে। তাঁর মৃত্যুতে সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা-মুৎসুদ্দিপুঁজি বিরোধী জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লবী আন্দোলনের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হলো। একই সাথে দেশের শ্রমিক-কৃষক-জনগণ হারালো তাদের অকৃত্রিম বন্ধু ও বিপ্লবী নেতাকে । কমরেড মুকুল ছিলেন দৃঢ়, সাহসী, নীতিনিষ্ঠ, প্রখর ও গভীর জ্ঞানের অধিকারী আপসহীন কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা। তিনি সর্বদা দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদী দর্শন এবং মার্কসবাদ-লেনিনবাদকে ভিত্তি করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতেন। কমরেড আবদুল হক-এর মৃত্যুর পর কমরেড রউফ ছিলেন এ দেশের কমিউনিস্ট বিপ্লবের অবিসংবাদিত তাত্ত্বিক নেতা। সদালাপি, সদা হাস্যমুখ এবং সৎ চরিত্রের অধিকারী এ মহান বিপ্লবী শ্রমিক-কৃষক-জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে পার্টি ও বিপ্লবের স্বার্থকে সর্বদা অগ্রাধিকার দিয়েছেন। জনগণের প্রতি অগাধ ভালোবাসা এবং সহযোদ্ধাদের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ছিলো কমরেড আব্দুর রউফ-এর জীবনের অন্যতম সুমহান বৈশিষ্ট্য। কমরেড আব্দুর রউফ-এর রেখে যাওয়া অসমাপ্ত বিপ্লবী দায়িত্ব পালনে আজ প্রয়োজন সাম্রাজ্যবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শ্রমিক-কৃষক-জনগণের রাষ্ট্র, সরকার ও সংবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম অগ্রসর করা।

    News Dask
    • Website

    Keep Reading

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    বন বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্টে সক্রিয় চক্র, অভিযোগ ভুক্তভোগীদের

    পত্রিকার প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রতিক্রিয়া

    ঢাকা মিরপুর প্রেসক্লাবে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

    ১৪ নং ওয়ার্ড এ শরিফুল মিলন এগিয়ে

    ১৪ নং ওয়ার্ড এ শরিফুল মিলন এগিয়ে

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    Your source for the serious news. This demo is crafted specifically to exhibit the use of the theme as a news site. Visit our main page for more demos.

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.