Close Menu
    What's Hot

    Zahranične online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1303197500

    11 July, 2026

    Zahranične online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1307953125

    11 July, 2026

    Casino uden ROFUS med Mastercard – Din Guide til Spiloplevelse

    11 July, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • Zahranične online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1303197500
    • Zahranične online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1307953125
    • Casino uden ROFUS med Mastercard – Din Guide til Spiloplevelse
    • Zahraničné online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1299334203
    • Experience the Magic of Lord of the Spins Casino -534180198
    • Zahranične online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1302617250
    • Online Kasíno Hrajte a Vyhrávajte Zábavnou Formou
    • Zahraničné online kasína Všetko, čo potrebujete vedieť 1301413515
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    11 July, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » মাদকাসক্তির শীর্ষে ঢাকা, সর্বনিম্নে বরিশাল

    মাদকাসক্তির শীর্ষে ঢাকা, সর্বনিম্নে বরিশাল

    MisuBy Misu26 January, 2026 জাতীয় No Comments4 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশের মাদক ব্যবহারকারীদের ৬০ শতাংশের বেশি প্রথমবার মাদক গ্রহণ করে। মাদক গ্রহণ শুরুর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বন্ধুদের প্রভাব। বর্তমানে দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ। দেশে মাদক সমস্যা নিয়ে এক জাতীয় গবেষণায় এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট লিমিটেড।

    গবেষণা মতে, এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে আর সর্বনিম্ন বরিশাল বিভাগে। গবেষকরা জানান, তরুণদের পাশাপাশি কিশোরদের মধ্যেও মাদক ব্যবহারের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

    গতকাল রবিবার রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউর কনফারেন্স হলে ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরন ও সংশ্লিষ্ট কারণগগুলো’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষণায় দেশের আট বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলা থেকে পাঁচ হাজার ২৮০ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এতে পরিমাণগত ও গুণগত উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

    গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। তাদের বড় একটি অংশ তরুণ বয়সী। গবেষণায় উঠে আসে, মাদক ব্যবহার এখন শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব না দিলে এই সংকট আরো গভীর হবে। গবেষণার এই ফল এবং প্রস্তাবিত পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক মাদক নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণে সহায়ক হবে।

    গবেষণাটির প্রধান গবেষক বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল ও কোডিনজাত কাশির সিরাপ।’

    তিনি বলেন, ‘ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে, যা এইচআইভি, হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিষয়টি এখন বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।’

    গবেষণায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলেও এর বিস্তার দ্রুত বাড়ছে। বিভাগভিত্তিক হিসেবে ঢাকা বিভাগে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বাধিক এবং বরিশাল বিভাগে সর্বনিম্ন। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলা এবং বড় শহরের আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবহার ও সরবরাহের ঝুঁকি বেশি বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    গবেষণায় মাদক গ্রহণের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা সামাজিক পরিবেশ ও সঙ্গদোষে অল্প বয়সেই মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে গবেষকরা জানান।

    গবেষণায় আরো বলা হয়, মাদকাসক্তদের বড় একটি অংশ কখনোই চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা গ্রহণ করে না। যারা চিকিৎসা নেয়, তাদের অনেকেই ধারাবাহিক ও মানসম্মত সেবা পায় না। ফলে পুনরায় মাদক গ্রহণে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

    বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাদক সমস্যা শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে দেখলে সমাধান আসবে না। এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের লক্ষ করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

    মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা বিস্তারের লক্ষ্যে সরকার ঢাকার বাইরে আরো সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ।

    তিনি বলেন, ‘দেশে মাদক ব্যবহার এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু মানুষের সমস্যা নয়, এটি একটি বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী লড়াইকে একটি সামাজিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতে হবে এবং পরিবার থেকেই এর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে।’

    ডিএনসি মহাপরিচালক বলেন, ‘শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবার থেকেই যদি প্রতিরোধ শুরু না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ একা কার্যকর হবে না।’

    মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে হাসান মারুফ জানান, এই সংকট মোকাবেলায় ঢাকার বাইরে আরো সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কেন্দ্রগুলো চালু হলে বিভাগীয় পর্যায়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার সুযোগ বাড়বে এবং মাদকাসক্তদের সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ হবে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেন, ‘মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক কমিটমেন্ট এবং আরো গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, কিছুসংখ্যক খারাপ মানুষই শুধু মাদকাসক্ত এবং আমরা বা আমাদের সন্তানেরা নিরাপদ। প্রকৃতপক্ষে আমরা সবাই এবং আমাদের সন্তানরাও মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, ‘মাদক সমস্যার সমাধানে শুধু সরবরাহ বন্ধ করলেই হবে না, একই সঙ্গে চাহিদাও কমাতে হবে। বিশেষ করে শিশুরা ও তরুণরা জীবনকে ঠিকভাবে বুঝে ওঠার আগেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

    Misu
    • Website

    Keep Reading

    দেশজুড়ে আরও ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে

    মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চট্টগ্রামের সব জেলার শনিবারের পরীক্ষাও স্থগিত

    ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু

    বন্যা পরিস্থিতি জানাতে পাউবোর ‘কন্ট্রোল রুম’ চালু

    বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকা থেকে ঢাকার অবস্থান বদলাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    পে-স্কেলের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে সচিব কমিটি, আসছে বড় পরিবর্তন

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.