Close Menu
    What's Hot

    Monsterwincz CZ Váš Spolehlivý Partner pro Online Sázky

    30 July, 2026

    Magicplanetkasinozc CZ 2026 Vstupte do Světa Kasinových Zábav

    30 July, 2026

    Casinofairspin CZ Vstupte do světa online hazardu 1491891093

    30 July, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • Monsterwincz CZ Váš Spolehlivý Partner pro Online Sázky
    • Magicplanetkasinozc CZ 2026 Vstupte do Světa Kasinových Zábav
    • Casinofairspin CZ Vstupte do světa online hazardu 1491891093
    • Mostbetceske CZ Váš Guide k Online Sázkám v České Republice
    • Cosmobet CZ Váš online herní zážitek
    • Nové trendy a inovace na 69gamescz v roce 2026
    • Roobetkasinocz CZ 2026 Vstupte do světa online hazardu 1496183390
    • Monsterwinkasino CZ Váš Průvodce Světem Online Hraní 1484572875
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    30 July, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » সরকারি গৃহঋণে জটিলতা: অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ব্যাংকের আচরণে বিস্ময়

    সরকারি গৃহঋণে জটিলতা: অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ব্যাংকের আচরণে বিস্ময়

    MisuBy Misu11 December, 2025 অর্থনীতি No Comments3 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ সম্পূর্ণ ঘটনাটি শুরু হয় যখন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মফিজ উদ্দীন আহমেদ রূপালী ব্যাংক থেকে ২০২২ সালের মে মাসে ৭৫ লাখ টাকার গৃহঋণ নেন। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ২০ বছর ধরে ২৪১ কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। তিনি নিজের সঞ্চয় যোগ করে ঢাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকায় একটি ফ্ল্যাটও কেনেন এবং ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে নিয়মিত কিস্তি দিতেও থাকেন। এক বছরের অবসর-উত্তর ছুটি শেষে ২০২৪ সালের ১ জুলাই তিনি অবসর নেন, কিন্তু অবসরের মাত্র দুই মাস পরই ব্যাংক থেকে অস্বাভাবিক চাপের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে।

    গত ৩ সেপ্টেম্বর রূপালী ব্যাংকের করপোরেট শাখা তাঁকে হাজির হতে বলে এবং সেখানে গিয়ে তিনি একটি চিঠি পান। চিঠিতে জানানো হয়, তাঁকে হঠাৎ করেই ৪৭ লাখ টাকা একবারেই পরিশোধ করতে হবে, বাকি অংশ কিস্তিতে দেওয়া যাবে। অথচ তিনি তো নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করছিলেন! এই আচরণ তাঁর কাছে পুরোপুরি অযৌক্তিক মনে হয়। বিষয়টি তিনি লিখিতভাবে অর্থ বিভাগকে জানান, এবং অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়—ব্যাংকের এই দাবি সরকারি গৃহনির্মাণ ঋণের নীতিমালা-২০১৮–এর সঙ্গে একদমই যায় না। নীতিমালায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, অবসরের পর কিস্তি বকেয়া থাকলেও গ্রাহকের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে কিস্তি পুনর্গঠন করা যাবে, কিন্তু এককালীন চাপ দেওয়া যাবে না।

    ঘটনা এখানেই থামেনি। ২৬ অক্টোবর নিজের এলাকার একটি শাখা থেকে নিজের জমা টাকার অর্ধেক তুলতে গেলে তাঁর চেক প্রত্যাখ্যাত হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ব্যাংক হিসাব ‘ওপরের নির্দেশে’ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। অথচ কোনো সরকারি অনুমতি ছাড়া ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নিয়ম নেই—এটি স্পষ্টভাবে নীতিবহির্ভূত। পরে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবুও প্রশ্ন থেকেই যায়—একজন নিয়মিত কিস্তি দেওয়া গ্রাহকের সঙ্গে এমন অদ্ভুত আচরণ কেন হলো?

    অন্যদিকে অভিযোগ উঠেছে শুধুমাত্র রূপালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে নয়। সরকারি কর্মচারীরা জানাচ্ছেন, যেসব ব্যাংক গৃহঋণ কার্যক্রমে যুক্ত—তার মধ্যে অনেক ব্যাংকই এখন গ্রাহকদের নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে হয়রানি করছে। কারণ সাধারণ ঋণের সুদের হার বাড়ায় ব্যাংকগুলো এখন ভালো মুনাফা ধরে রাখতে ব্যস্ত, আর সরকারি গৃহঋণে সুদের হার মাত্র ৪ শতাংশ হওয়ায় এ ঋণ দিতে অনীহা দেখা যাচ্ছে। ফলে নানা সীমাবদ্ধতার কথা বলে ব্যাংকগুলো গ্রাহকদের চাপের মুখে ফেলছে।

    এ অবস্থায় অর্থ বিভাগ ১১ নভেম্বর ১২টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেয়—গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া পুনঃতফসিল করা যাবে না, অবসরের পর কোনো বাড়তি চাপ দেওয়া যাবে না, এবং কোনো অস্পষ্টতা হলে তা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে। আরও বলা হয়, গৃহঋণের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বা বাড়ির দলিল থাকে, তাই ঋণ ঝুঁকিপূর্ণ নয়; ফলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ওপর অযাচিত চাপ দেওয়া অনুচিত।

    এর মধ্যে ২০১৮ সালের জুলাইয়ে চালু হওয়া সরকারি গৃহনির্মাণ ঋণ নীতিমালার আওতায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ১৯৪ জনের নামে ঋণ অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৩০ জন চূড়ান্তভাবে ভর্তুকি পেয়েছেন। সরকার ইতোমধ্যে ১৮৩ কোটি টাকারও বেশি ভর্তুকি দিয়েছে।

    পুরো ঘটনায় মফিজ উদ্দীন আহমেদ শুধু জানান, অর্থ বিভাগ ও ব্যাংক এখন বিষয়টি সমাধানের পথে এনেছে। তবে এই ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—সরকারি কর্মচারীদের গৃহঋণ ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব জরুরি প্রয়োজন।

    Misu
    • Website

    Keep Reading

    ঢাকায় কাঁচা মরিচের ডাবল সেঞ্চুরি

    ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

    পে-স্কেল: প্রস্তুত সুপারিশে অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পেলেই পাঠানো হবে মন্ত্রিসভায়

    নতুন বেতনকাঠামোর প্রতিবেদন দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিসভায়

    গেজেট পেছালেও পে-স্কেল কার্যকর হবে জুলাই থেকেই

    পে-স্কেলের গেজেট জুলাইয়ে হচ্ছে না, চূড়ান্ত সময় নির্ধারণ

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.