Close Menu
    What's Hot

    কিডস হার্ট ফাউন্ডেশন ও কাতার চ্যারিটির উদ্যোগে ১৫৩ হৃদরোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা

    19 May, 2026

    মিরপুর-১০ নম্বর ফুটপাতের চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি ব্যবসায়ীদের

    19 May, 2026

    ট্রাম্পের পর এবার চীন যাচ্ছেন পুতিন, বৈশ্বিক কূটনীতিতে কী ঘটতে চলেছে?

    19 May, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • কিডস হার্ট ফাউন্ডেশন ও কাতার চ্যারিটির উদ্যোগে ১৫৩ হৃদরোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা
    • মিরপুর-১০ নম্বর ফুটপাতের চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি ব্যবসায়ীদের
    • ট্রাম্পের পর এবার চীন যাচ্ছেন পুতিন, বৈশ্বিক কূটনীতিতে কী ঘটতে চলেছে?
    • অটোরিকশার ধাক্কায় এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
    • বিটিভিতে তারার মেলা
    • বর্ষসেরা ক্রিকেটার রিশাদ, ফুটবলার হামজা
    • ভূমি সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ভূমিমন্ত্রী
    • চুক্তি না হলে ইরানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না: ট্রাম্প
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    19 May, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » মিরপুর-১০ নম্বর ফুটপাতের চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি ব্যবসায়ীদের

    মিরপুর-১০ নম্বর ফুটপাতের চাঁদাবাজির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি ব্যবসায়ীদের

    News DaskBy News Dask19 May, 2026 সর্বশেষ No Comments3 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    স্টাফ রিপোর্টার
    রাজধানীর ব্যস্ততম বাণিজ্যিক ও জনবহুল এলাকা মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাত ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে ওঠা চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে দাবি করেছেন স্থানীয় হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সরেজমিনে এলাকাটি ঘুরে ব্যবসায়ী, পথচারী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।
    ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে তারা তুলনামূলকভাবে স্বস্তি ও নিরাপত্তার মধ্যে ব্যবসা পরিচালনা করছেন এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে জোরপূর্বক অর্থ দিতে হচ্ছে না। দীর্ঘদিন পর তারা একটি স্থিতিশীল পরিবেশে ব্যবসা করতে পারছেন বলেও মন্তব্য করেন।
    একজন ফল বিক্রেতা বলেন,
    “আমরা অনেকদিন পর একটু শান্তিতে ব্যবসা করছি। আগে নানা ধরনের ঝামেলা ছিল, এখন সেসব নেই। কেউ এসে আমাদের ভয়ভীতি দেখায় না।”
    আরেকজন হকার বলেন,
    “বর্তমান সরকার আসার পর থেকে আমরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারছি। আগে যেসব সমস্যা ছিল, এখন সেই পরিস্থিতি নেই। আমরা প্রতিদিন যা বিক্রি করি, সেটাই আমাদের আয়—এখানে কাউকে আলাদা করে কোনো টাকা দিতে হয় না।”
    ব্যবসায়ীরা জানান, সন্ধ্যার পর দোকানপ্রতি ৩০ টাকা করে বিদ্যুৎ বিল বাবদ অর্থ হকার সমিতির কাছে পরিশোধ করা হয়। এটি ফুটপাতের দোকানগুলোতে ব্যবহৃত লাইটের বিদ্যুৎ খরচ ও কিছু যৌথ ব্যবস্থাপনার জন্য নেওয়া হয় বলে তারা জানান।
    একজন পোশাক বিক্রেতা বলেন,
    “আমরা শুধু ৩০ টাকা করে কারেন্টের লাইট বিল দিই। এটা সমিতির নিয়ম অনুযায়ী নেওয়া হয়। এর বাইরে কোনো ধরনের চাঁদা নেই।”
    হকার সমিতির এক সদস্য জানান,
    “সমিতি নিয়ম মেনে সীমিত পরিসরে কিছু যৌথ খরচের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। এতে আলো, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো দেখভাল করা হয়। এখানে অবৈধ কোনো অর্থ আদায়ের প্রশ্নই আসে না।”
    ফুটপাতের এক চা বিক্রেতা বলেন,
    “ফুটপাতে আমরা সবাই মিলেমিশে ব্যবসা করি। কেউ কোনো ধরনের চাপ বা জোরজবরদস্তি করছে—এমন কিছু আমরা দেখিনি।”
    আরেকজন হকার বলেন,
    “যদি কোথাও সমস্যা থাকত, আমরা নিজেরাই আগে বলতাম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি ভালো। তাই এসব অভিযোগ শুনে আমরা অবাক হয়েছি।”
    কয়েকজন দোকানদার জানান, সম্প্রতি তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিরপুর-১০ ফুটপাতে চাঁদা তোলা হচ্ছে—এমন কিছু পোস্ট দেখেছেন। তবে বাস্তবে তাদের কাছে কেউ কখনও চাঁদা দাবি করেনি।
    একজন দোকানদার বলেন,
    “আমরা কিছুদিন ধরে শুনতে পাচ্ছি চাঁদা তোলা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের কাছে কেউ কখনও চাঁদা চাইতে আসেনি। এটা সম্পূর্ণ গুজব।”
    আরেকজন ব্যবসায়ী মন্তব্য করেন,
    “গুজব ছড়ালে আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হয়। মানুষ ভুল ধারণা পোষণ করলে ক্রেতারাও ভয়ে আসতে চায় না।”
    একজন ভ্যানগাড়ি চালক বলেন,
    “আমরা সারাদিন কষ্ট করে রোজগার করি। আমাদের নিয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হলে সেটা আমাদের জন্য খুব কষ্টের।”
    ফুটপাতের এক পুরনো ব্যবসায়ী বলেন,
    “আগে বিশৃঙ্খলা বেশি ছিল। এখন সবাই নিজ নিজ জায়গায় বসে নিয়ম মেনে ব্যবসা করছে। পরিবেশ অনেক ভালো।”
    স্থানীয় পথচারীদের সঙ্গেও কথা বলে জানা যায়, আগের তুলনায় ফুটপাত দিয়ে হাঁটা এখন সহজ হয়েছে।
    একজন পথচারী বলেন,
    “আগে হাঁটতে কষ্ট হতো, এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। পরিবেশ আগের চেয়ে ভালো মনে হচ্ছে।”
    আরেকজন বলেন,
    “ফুটপাত এখন তুলনামূলকভাবে গোছানো। সন্ধ্যার পর আলো থাকায় চলাচলও নিরাপদ মনে হয়।”
    স্থানীয়দের মতে, গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি সাধারণ মানুষও ভুল ধারণার শিকার হন।
    একজন ব্যবসায়ী বলেন,
    “আমাদের অনুরোধ—যাচাই ছাড়া যেন কেউ কোনো তথ্য প্রচার না করেন। এতে সাধারণ ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়।”
    হকাররা প্রশাসনের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন, এ ধরনের গুজব ছড়ানো বন্ধে নজরদারি জোরদার করার জন্য।
    তারা বলেন,
    “যদি কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়ায়, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এতে আমাদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা স্বস্তিতে থাকতে পারবে।”
    স্থানীয়দের আশা, ভবিষ্যতেও মিরপুর-১০ ফুটপাতে বর্তমান স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকবে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।

    News Dask
    • Website

    Keep Reading

    শাহজালালে ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু, একসঙ্গে উপকৃত হবেন ৩৭ হাজার যাত্রী

    কলাপাড়ায় চাঁদাবাজ আটক।

    আরগন ও বিগো ফার্মাসিউটিক্যালসের ভয়ংকর সিন্ডিকেটের সন্ধান

    ১৫০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে পরিভ্রমণ সম্পন্ন করেছে সমতট মুক্ত স্কাউট গ্রুপ ও প্যাট্রিয়ট ওপেন স্কাউট গ্রুপের রোভার স্কাউটবৃন্দ।

    যাত্রাবাড়ীর কাজলারপাড় স্কুল গলির কথিত নারী সাংবাদিক  সুইটি সিনহাকে ঘিরে চাঁদাবাজি,

    ওকে ধরিয়ে দিন

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    Your source for the serious news. This demo is crafted specifically to exhibit the use of the theme as a news site. Visit our main page for more demos.

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1819044472
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.