Close Menu
    What's Hot

    সংস্কার শেষে খুলে দেওয়া হলো কামরাঙ্গীরচর লোহার সেতু

    28 August, 2026

    সেনাবাহিনী মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    28 August, 2026

    মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান

    28 August, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • সংস্কার শেষে খুলে দেওয়া হলো কামরাঙ্গীরচর লোহার সেতু
    • সেনাবাহিনী মুষ্টিযুদ্ধ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
    • মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান
    • নরওয়ের রাজা হ্যারাল্ড মারা গেছেন
    • নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে নিহত বেড়ে ৪৭৫
    • নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯
    • যুক্তরাজ্যের তিন বিমানবন্দরে সাইবার হামলা, ৮৭ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি
    • চলন্ত ট্রেনের ছাদে দৌড়াদৌড়ির চরম পরিণতি
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    28 August, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » যে কারণে মানচিত্র থেকে সরে গেল জাপান, কী বলছে গবেষণা

    যে কারণে মানচিত্র থেকে সরে গেল জাপান, কী বলছে গবেষণা

    ReporterBy Reporter24 June, 2026 আন্তর্জাতিক No Comments3 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জাপান আগের অবস্থানে নেই—এমনই এক বিস্ময়কর তথ্য উঠে এসেছে সাম্প্রতিক এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায়। গবেষকদের দাবি, ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রায় ১৫ মিনিট পর দেশটির ভূখণ্ড স্থায়ীভাবে পূর্ব দিকে সরে যায়।

    গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন  ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর ভূ-পদার্থবিদ সানইয়ং পার্ক। গবেষণার ফলাফল সম্প্রতি একটি বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সিএনএন।

    ২০১১ সালের ১১ মার্চ স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৬ মিনিটে জাপানে ৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। জিপিএস তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভূমিকম্পের কিছু সময় পর হোক্কাইডো থেকে কিউশু পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত অঞ্চল প্রায় একই সময়ে পূর্ব দিকে স্থানচ্যুত হয়।

    প্রথমে বিজ্ঞানীরা এটিকে তথ্যগত ত্রুটি বা যন্ত্রের ভুল বলে মনে করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিনের বিশ্লেষণের পর গবেষকেরা নিশ্চিত হন, ঘটনাটি বাস্তব ছিল এবং এর পেছনে কাজ করেছে এক বিরল ভূ-ভৌত প্রক্রিয়া।

    গবেষণা অনুযায়ী, ভূমিকম্পে সৃষ্ট শক্তিশালী ভূকম্পন তরঙ্গ পৃথিবীর গভীরে থাকা তরল ধাতব বহিঃকেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছে সেখান থেকে প্রতিফলিত হয়ে আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ফিরে আসা এই তরঙ্গের প্রভাবে জাপানের নিচে থাকা চারটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটে সামান্য নড়াচড়া সৃষ্টি হয়।

    গবেষক পার্কের ভাষায়, সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় ছিল যে জাপানের প্রায় পুরো ভূখণ্ড একই সময়ে প্রায় সমানভাবে সরে যাচ্ছিল। এই নড়াচড়া মূল ভূমিকম্প বা বড় কোনো আফটারশকের সঙ্গে ঘটেনি বরং সেগুলোর আগেই এটি সংঘটিত হয়।

    ভূকম্পনবিদেরা আগে থেকেই জানতেন যে বড় ভূমিকম্পের তরঙ্গ পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে প্রতিফলিত হতে পারে। তবে এত গভীর থেকে ফিরে আসা কোনো তরঙ্গের ভূপৃষ্ঠে এত স্পষ্ট প্রভাব ফেলতে পারে—এমন প্রমাণ আগে পাওয়া যায়নি।

    এ বিষয়ে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-পদার্থবিদ গোরান একস্ট্রম জানান, ২০১১ সালের মূল ভূমিকম্পে জাপানের নিচের দুটি টেকটোনিক প্লেট প্রায় ১০ মিটার সরে গিয়েছিল। এর ফলেই সুনামির সৃষ্টি হয় এবং জাপানের প্রধান দ্বীপ হনশু প্রায় ২০ সেন্টিমিটার পূর্ব দিকে সরে যায়। তবে নতুন গবেষণায় যে স্থানচ্যুতির কথা বলা হয়েছে, তা মূল কম্পনের পরবর্তী ঘটনা।

    গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই দেশব্যাপী মৃদু স্থানচ্যুতির পেছনে যে শক্তি কাজ করেছে, তা প্রায় ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের সমতুল্য। তবে শক্তিটি বিশাল এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব দেখা যায়নি।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পৃথিবীর কেন্দ্র ঘুরে ফিরে আসা এই ধরনের তরঙ্গ ভূত্বকের বিভিন্ন ফল্টকে পুনরায় সক্রিয় করতে পারে এবং দূরবর্তী প্লেট-সংযোগস্থলেও নড়াচড়ার সূচনা ঘটাতে সক্ষম।

    ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের ভূতাত্ত্বিক অধ্যাপক ভেদরান লেকিচ বলেন, জাপানের অত্যাধুনিক ভূকম্পন ও স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা থাকায় এত সূক্ষ্ম ঘটনা শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বিশ্বের অন্য অঞ্চলগুলোতেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে, কিন্তু পর্যাপ্ত প্রযুক্তির অভাবে তা নজরে আসছে না।

    গবেষণায় যুক্ত না থাকলেও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ভূ-পদার্থবিদ আমান্ডা থমাস এই গবেষণাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, বড় ভূমিকম্পের প্রভাব শুধু মূল কম্পন বা আফটারশকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; অনেক সময় পরে ফিরে আসা গভীর ভূকম্পন তরঙ্গও ফল্ট সিস্টেমে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

    বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, পৃথিবীর গভীরের ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে এই আবিষ্কার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং ভবিষ্যতে ভূমিকম্প-পরবর্তী ঝুঁকি মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    Reporter

    Keep Reading

    মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগ দেয়া সম্পর্কে যে বার্তা দিল পাকিস্তান

    নরওয়ের রাজা হ্যারাল্ড মারা গেছেন

    নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে নিহত বেড়ে ৪৭৫

    নেপালের ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯

    যুক্তরাজ্যের তিন বিমানবন্দরে সাইবার হামলা, ৮৭ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরি

    নেপালের বন্যায় এখনও কোনো বাংলাদেশির হতাহতের খবর মেলেনি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.