Close Menu
    What's Hot

    Explore the Excitement of Bonanza Megaways Slot What You Need to Know 2003009766

    22 September, 2026

    Exploring Wolf Gold Slot An Alternative Journey Beyond GamStop

    22 September, 2026

    Exploring Big Bass Splash Slot Not A Deep Dive into the Game

    22 September, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • Explore the Excitement of Bonanza Megaways Slot What You Need to Know 2003009766
    • Exploring Wolf Gold Slot An Alternative Journey Beyond GamStop
    • Exploring Big Bass Splash Slot Not A Deep Dive into the Game
    • Big Bass Day Unleashing the Thrill of Sport Fishing
    • Experience Cleopatra Slot Not on GamStop Unveiling the Thrills
    • Wanted Dead or a Wild – The Ultimate Slot Adventure
    • Exploring the Reel Rush Slot Not on GamStop 2000552797
    • Gonzo’s Quest Slot Not Online What You Need to Know
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • রাজধানী
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    22 September, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • রাজধানী
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » গণপূর্তে পদোন্নতি ঘিরে বিতর্ক, ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান : তবুও তিন প্রকৌশলীকে ‘চলতি দায়িত্ব’ দেওয়ার প্রস্তাব !

    গণপূর্তে পদোন্নতি ঘিরে বিতর্ক, ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান : তবুও তিন প্রকৌশলীকে ‘চলতি দায়িত্ব’ দেওয়ার প্রস্তাব !

    NasimBy Nasim21 September, 2026 অপরাধ ও দুর্নীতি No Comments7 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    নিজস্ব প্রতিবেদক : গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/এম (ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল) শাখায় তিন নির্বাহী প্রকৌশলীকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি কিংবা চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্যাডারভুক্তি, বিভাগীয় ও সিনিয়র স্কেল পরীক্ষা, জ্যেষ্ঠতা এবং পদোন্নতির যোগ্যতা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আগেই তাদের উচ্চতর পদে নেওয়ার উদ্যোগ কেন—এ নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম (২০৩২৫) এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) মুহাম্মদ সারওয়ার জাহান-এর ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে পৃথক অনিয়মের অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকার তথ্যও সরকারি নথিতে রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়মিত ক্যাডার সার্ভিসের পদোন্নতি বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই তিন প্রকৌশলীকে উচ্চতর পদে নেওয়ার পথ তৈরি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।

    ২০২৫ সালের প্রস্তাবেই শুরু বিতর্ক : গণপূর্ত অধিদপ্তরের সংস্থাপন শাখা-১ থেকে ২৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে স্মারক নম্বর ২৫.৩৬.০০০০.২১৫.১২.১০৭.১৮-১৩৫৭-এর মাধ্যমে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে তিন নির্বাহী প্রকৌশলীকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ই/এম) পদে চলতি দায়িত্ব দিয়ে পদায়নের প্রস্তাব পাঠানো হয়। ওই পত্রে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ই/এম)-এর অনুমোদিত পদ ১১টি। এর মধ্যে সাতজন নিয়মিতভাবে কর্মরত এবং অবসর, প্রেষণ, পদোন্নতি ও নতুন পদ সৃজনের কারণে চারটি পদ শূন্য হয়েছে। একটি পদে পদোন্নতির প্রস্তাব আগে পাঠানো হওয়ায় আরও তিনটি পদ শূন্য রয়েছে। সরকারি কাজের স্বার্থে এসব পদ জরুরি ভিত্তিতে পূরণের কথা উল্লেখ করে নিয়মিত পদোন্নতি সময়সাপেক্ষ হওয়ায় তিনজন জ্যেষ্ঠ নির্বাহী প্রকৌশলীকে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

    প্রস্তাবিত তিন কর্মকর্তা হলেন— মো. জিয়াউর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত ই/এম ডিজাইন বিভাগ-১, ঢাকা;
    মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), রিজার্ভ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা, সংযুক্ত—গণপূর্ত ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ;
    তাসফিন মুহাইমীন হক, নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত ই/এম প্ল্যানিং বিভাগ-৩, ঢাকা।
    পত্রে তাদের যথাক্রমে ঢাকা গণপূর্ত ই/এম সার্কেল-২, রাজশাহী গণপূর্ত ই/এম সার্কেল এবং চট্টগ্রাম গণপূর্ত ই/এম সার্কেলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে পদায়নের প্রস্তাব করা হয়। পত্রে স্বাক্ষর করেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) মুহাম্মদ সারওয়ার জাহান।

    ২০২৬ সালে বিষয়টি আদালতে : তিন কর্মকর্তার পদোন্নতি/চলতি দায়িত্বের উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই বিষয়টি গড়িয়েছে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে। প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১, ঢাকা-এর এ.টি. মামলা নম্বর ২৭৯/২০২৬, মো. আবদুল হালিম ও অন্য ৯ জন বনাম বাংলাদেশ সরকার ও অন্যান্য-এর আদেশে বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ এসেছে। ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখের আদেশ নম্বর-০২-এ ট্রাইব্যুনাল মামলাটি প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করে বিবাদীদের নোটিশ জারি করেন এবং ১৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে সার্ভিস রিটার্নের জন্য দিন ধার্য করেন। আদেশে ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখের গণপূর্ত অধিদপ্তরের স্মারক ২৫.০৩৬.০০০০.২১৫.১২.১০৭.১৮-৩৫২-এর বৈধতা চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই স্মারকে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মত দেওয়া হয়েছিল যে, গ্রেড-৬-এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (ই/এম) পদে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পদোন্নতির জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৭ প্রযোজ্য নয় এবং তাদের গ্রেড-৪-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির জন্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছিল।

    পিটিশনারদের বক্তব্য ছিল, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীরা ক্যাডার সার্ভিসে এনক্যাডারভুক্ত নন এবং সংশ্লিষ্ট নিয়োগ ও পদোন্নতি বিধির আলোকে তাদের ক্যাডার পদে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতির সুযোগ নেই। ট্রাইব্যুনাল বিবাদীদের কাছে জানতে চেয়েছেন—৩ মার্চ ২০২৬-এর ওই স্মারক এবং এর ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি/চলতি দায়িত্ব দেওয়ার পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কেন আইনানুগ কর্তৃত্ববহির্ভূত ও আইনগতভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না। ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার কর্তৃক প্রেরিত পত্রে আদেশটি সচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়।

    এমন অবস্থায় ডিপিসি প্রক্রিয়া কেন ? প্রশ্ন উঠেছে, যখন সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি/চলতি দায়িত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান এবং বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তখন একই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি বা ডিপিসি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার যৌক্তিকতা কী ? অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রশাসনিকভাবে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলতে পারে।

    ‘ক্যাডার’ পরিচয় নিয়েও প্রশ্ন : সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (নন-ক্যাডার)-এর একটি প্রজ্ঞাপনের আওতায় কেবল ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিয়োগ পান। অভিযোগকারীদের দাবি, তৎকালীন সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও সংশ্লিষ্ট একটি প্রকৌশলী সংগঠনের তৎকালীন নেতৃত্বের প্রভাবের কারণে লিখিত পরীক্ষা ছাড়াই তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি ওই নিয়োগের বৈধতা নিয়ে বিসিএস কর্মকর্তাদের করা মামলায় স্থগিতাদেশও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। সেই অবস্থায় সংশ্লিষ্টরা চাকরিতে যোগ দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
    তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়োগের মূল প্রজ্ঞাপন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো প্রয়োজন।

    পদোন্নতি বিধি বনাম বাস্তব উদ্যোগ : অভিযোগকারীরা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পদোন্নতির জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৭-এর বিধি ৮(২)-এর বিষয়টি সামনে এনেছেন। তাদের দাবি, বিভাগীয় পরীক্ষা ও সিনিয়র স্কেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি উচ্চতর পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। একই সঙ্গে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের বিধানেও ক্যাডারভুক্ত কর্মকর্তা ও বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা এবং পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের বিভিন্ন পদ্ধতি নির্ধারিত রয়েছে। ফলে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ই/এম প্রকৌশলীদের ক্যাডার সার্ভিসের উচ্চতর পদে পদোন্নতি দেওয়ার আগে তাদের নিয়োগের প্রকৃতি, ক্যাডারভুক্তির আইনগত ভিত্তি, জ্যেষ্ঠতা এবং পদোন্নতির যোগ্যতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না—এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

    জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান : তিন কর্মকর্তার মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগের তদন্ত চলমান থাকার তথ্য সরকারি নথিতে পাওয়া যায়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা অধিশাখার স্মারক নম্বর ২৫.০০.০০০০.০০০.১০২.৩১.০০৬.২৬-১৭-এ তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির সভা ৯ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানানো হয়। ওই নথিতে বলা হয়েছে, গণপূর্ত ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে একটি পত্রিকায় প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। তদন্ত কমিটিতে রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদিউল আলম এবং গণপূর্ত ই/এম ডিজাইন বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী অজান্তা শুক্লা তন্মাকে সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়। অর্থাৎ, একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তার পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্বের জন্য তার শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত তথ্য সম্পূর্ণভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে কি না—এ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

    ‘দুই প্রতিষ্ঠানের বেতন’ ও প্রকল্পের অর্থ নিয়ে অভিযোগ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে : আরও গুরুতর অভিযোগ করেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, তিনি একই সময়ে বিআইডব্লিউটিএতে চাকরি করে বেতন নেওয়ার পাশাপাশি গণপূর্ত থেকেও বেতন নিয়েছেন। এ ছাড়া জিগাতলা সরকারি কোয়ার্টারের মাল্টিপারপাস হলে এলইডি ডিসপ্লে স্থাপনের কাজের অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বিষয়টি তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন দেখানোর জন্য পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মালামাল সংগ্রহ ও স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত রেকর্ড, প্রকল্পের বিল-ভাউচার, কার্যাদেশ, পরিমাপ বই, ক্রয় নথি এবং তদন্ত প্রতিবেদন পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

    ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ—প্রমাণের অপেক্ষায় : অভিযোগকারীদের একটি অংশ দাবি করছে, তিন প্রকৌশলীর পদোন্নতি নিশ্চিত করতে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে প্রভাব খাটানো হচ্ছে। এমনকি মো. জাহাঙ্গীর আলম মন্ত্রীকে অবহিত না করেই ডিপিসি-সংক্রান্ত ফাইলে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন—এমন দাবিও করা হয়েছে।তবে ঘুষ লেনদেনের এই অভিযোগের পক্ষে এই নথিপত্রে কোনো প্রত্যক্ষ আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি। ফলে অভিযোগটি তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। ব্যাংক লেনদেন, সম্পদ বিবরণী, সংশ্লিষ্ট ফাইলের গতিপথ, নোটশিট এবং ডিপিসি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা পরীক্ষা করলেই অভিযোগের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ণয় করা সম্ভব।

    বিসিএস কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ : অভিযোগকারীদের ভাষ্য, নিয়মিত বিসিএস কর্মকর্তাদের পদোন্নতি যেখানে নির্ধারিত বিধি ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে হওয়ার কথা, সেখানে নিয়োগের বৈধতা ও ক্যাডার মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন থাকা কর্মকর্তাদের উচ্চতর পদে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈষম্য ও হতাশা তৈরি হতে পারে।
    এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—একই পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে সকল কর্মকর্তার জন্য একই আইন, একই যোগ্যতার মানদণ্ড এবং একই জ্যেষ্ঠতা নীতি প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না।

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ : গণপূর্তের মতো গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি অধিদপ্তরে পদোন্নতি ও চলতি দায়িত্ব প্রদান শুধু ব্যক্তিগত পদোন্নতির বিষয় নয়; এর সঙ্গে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, জ্যেষ্ঠতা, ক্যাডার কাঠামো এবং সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বচ্ছতা জড়িত।

    তাই গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সচিবের কাছে প্রশ্ন—প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন একটি বিষয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে কি না; হলে তার আইনগত ভিত্তি কী ? একই সঙ্গে ৩ মার্চ ২০২৬-এর স্মারক ২৫.০৩৬.০০০০.২১৫.১২.১০৭.১৮-৩৫২, ৭ অক্টোবর ২০২৫-এর পদোন্নতি-সংক্রান্ত প্রস্তাব এবং ২৬ অক্টোবর ২০২৫-এর স্মারক ২৫.৩৬.০০০০.২১৫.১২.১০৭.১৮-১৩৫৭—এসব নথির আলোকে পুরো প্রক্রিয়াটি পুনঃপরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।
    বিশেষ করে ৩১ আগস্ট ২০২৬-এর প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১-এর আদেশ এবং ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ সচিব ও প্রধান প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো আদালতের আদেশ আমলে নিয়ে পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও স্পষ্ট হওয়া দরকার। পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম, প্রভাব বা আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে তা তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করা এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়মুক্তি দেওয়াই হবে স্বচ্ছ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ। একই সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার দাবিও উঠেছে।
    গণপূর্তের পদোন্নতি নিয়ে এই জটিলতার শেষ পর্যন্ত কী হয়—তা এখন নির্ভর করছে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, সংশ্লিষ্ট নথির যাচাই এবং প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর।

    Nasim

    Keep Reading

    জয়পুরহাটে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, ৩ ফার্মেসিকে জরিমানা

    শ্রীনগরে লাইসেন্সবিহীন ওষুধ কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা

    ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    তুহিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ছিল বাইক চুরির অভিযোগ

    চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?

    রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার থেকে হাজার কোটি টাকার ঋণ: লিডস করপোরেশনের ব্যবসায়িক উত্থান, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রশ্নে স্বাধীন তদন্তের দাবি

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.