Close Menu
    What's Hot

    ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল পণ্য আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

    17 September, 2026

    চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?

    17 September, 2026

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইবিতে আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি

    17 September, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • ফার্নিচারসহ ব্যয়বহুল পণ্য আমদানিতে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ
    • চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?
    • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইবিতে আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি
    • রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার থেকে হাজার কোটি টাকার ঋণ: লিডস করপোরেশনের ব্যবসায়িক উত্থান, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রশ্নে স্বাধীন তদন্তের দাবি
    • রাজধানীতে বজ্রবৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা
    • নেপালে বন্যায় সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা বালেন্দ্র শাহের
    • Hvad er Online Casino Bonuskoder 1508412297
    • Bono sin Depósito en los Casinos de España Todo lo que Necesitas Saber
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    17 September, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • পর্যটন
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?

    চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?

    MisuBy Misu17 September, 2026 অপরাধ ও দুর্নীতি No Comments7 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চট্টগ্রাম জোন) মো. কায়কোবাদের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য, ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, বদলি-পদায়নে প্রভাব বিস্তার, প্রকল্পের বিল নিয়ে অনিয়ম এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পদ অর্জনের মতো গুরুতর অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করেনি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এমনকি অভিযোগগুলোর বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো নথিভিত্তিক তদন্ত হয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। গুরুতর এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে—একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে এতগুলো অভিযোগ ওঠার পরও মন্ত্রণালয় কেন নীরব? অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজনই বা কেন দেখা হলো না ? সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার সুযোগ নিয়ে কায়কোবাদ গণপূর্ত অধিদপ্তরে একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় গড়ে তুলেছেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল অনুমোদন, দায়িত্ব বণ্টন এবং বদলি-পদায়নসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, চট্টগ্রাম ই-এম সার্কেল এবং পরবর্তীতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ই-এম সার্কেল-২-এ দায়িত্ব পালনকালে কয়েকটি প্রকল্পের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে ই-এম বিভাগ-৫ এবং মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কয়েকটি উন্নয়নকাজে প্রকৃত কাজের পরিমাণ ও উত্তোলিত বিলের মধ্যে অসামঞ্জস্যের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিষয়টি নিয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগও করেছিল। কিন্তু সেই অভিযোগের পর দৃশ্যমান ও কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এমন দাবি অভিযোগকারীদের।

    ৪-৫ শতাংশ কমিশনের অভিযোগ, কোথায় গেল তদন্ত ? কায়কোবাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো—গণপূর্ত অধিদপ্তরের একটি প্রভাবশালী ঠিকাদারচক্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে তার আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়নকাজ থেকে ৪ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন আদায় করা হতো বলে অভিযোগ।

    অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি কেবল একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; সরকারি প্রকল্পের ব্যয়, দরপত্রের স্বচ্ছতা, কাজের মান এবং রাষ্ট্রীয় অর্থের সুরক্ষার প্রশ্নও এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়।

    কিন্তু এসব অভিযোগ সামনে আসার পরও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মহলে তৈরি হয়েছে বিস্ময় ও প্রশ্ন। অভিযোগ যদি ভিত্তিহীন হয়, তদন্ত করে তা খারিজ করা হচ্ছে না কেন ? আর অভিযোগের পেছনে সত্যতা থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

    ‘ক্যাশিয়ার’ পরিচিতি থেকে প্রভাববলয়ের কেন্দ্রে ?
    কায়কোবাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগও নতুন নয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। তাদের ভাষ্য, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলমের সময় তিনি দপ্তরের আর্থিক বিষয় তদারকির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। সে সময় গণপূর্তের অভ্যন্তরে তার একটি বিশেষ পরিচিতি তৈরি হয়—‘ক্যাশিয়ার’।

    পরবর্তীতে প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীর সময়ও তিনি একই ধরনের প্রভাব ধরে রাখতে সক্ষম হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, বদলি-পদায়নের ক্ষেত্রেও কায়কোবাদের প্রভাব ছিল দৃশ্যমান। ফলে প্রশ্ন উঠছে—একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কীভাবে দীর্ঘ সময় ধরে প্রশাসনিক ও আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের এমন প্রভাববলয়ে অবস্থান করতে পারেন ? তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা কী—সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।

    মোহাম্মদপুরে কোটি টাকার ফ্ল্যাট, ধামরাইয়ে বহুতল ভবন—সম্পদের উৎস কোথায় ? কায়কোবাদের কথিত সম্পদ নিয়েও রয়েছে গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি চাকরি থেকে অর্জিত বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়—এমন বিপুল সম্পদের মালিক তিনি। ঢাকার মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ধামরাই এলাকায় প্রায় ১০ তলা বিশিষ্ট একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। শুধু রাজধানী নয়, তার নিজ জেলা শেরপুরেও তার ও পরিবারের সদস্যদের নামে কিংবা কথিত বেনামি মালিকানায় জমি ও অন্যান্য সম্পদ থাকার দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিবারের ব্যবহারের জন্য দামি গাড়ি থাকার তথ্যও দিয়েছেন তারা।

    এসব অভিযোগের পর প্রশ্ন উঠেছে—এই সম্পদের অর্থের উৎস কী? সরকারি চাকরির আয় দিয়ে এসব সম্পদ অর্জন সম্ভব হয়েছে কি না ? আয়কর নথিতে সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেওয়া হয়েছে কি না ? সম্পদের প্রকৃত মালিকানা কার নামে ?

    এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের করার সবচেয়ে কার্যকর পথ ছিল নথিভিত্তিক তদন্ত। কিন্তু অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরও তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়ায় সেই প্রশ্নই এখন আরও জোরালো হয়েছে।

    যে নথি খুললেই বেরিয়ে আসতে পারে আসল চিত্র
    অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে কায়কোবাদের সম্পদ বিবরণী, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, ঋণ ও বিনিয়োগের তথ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    একই সঙ্গে তার দায়িত্ব পালনকালে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর— কার্যাদেশ ও দরপত্র নথি,অনুমোদিত প্রকল্প ব্যয়, পরিমাপ বই (এমবি);
    বিল-ভাউচার, কাজের বাস্তব অগ্রগতি, অর্থ উত্তোলন ও ছাড়ের তথ্য, ঠিকাদারদের পেমেন্ট রেকর্ড, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বণ্টন, বদলি-পদায়নের প্রশাসনিক ফাইল, পরস্পরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।

    একই ঠিকাদারগোষ্ঠী বারবার সুবিধা পেয়েছে কি না
    কায়কোবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের আরেকটি দিক হলো ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সঙ্গে কথিত ঘনিষ্ঠতা।
    অভিযোগ রয়েছে, গণপূর্তের বিভিন্ন প্রকল্পে ঠিকাদার নির্বাচন, কাজের বিল অনুমোদন, পরিমাপ, দায়িত্ব বণ্টন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারগোষ্ঠী সুবিধা পেয়েছে। অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন উঠবে—কায়কোবাদের দায়িত্ব পালনকালে কোন কোন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে কাজ পেয়েছে? দরপত্রে প্রতিযোগিতার প্রকৃত চিত্র কী ছিল ? একই গোষ্ঠী বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ পেয়েছে কি না ? কাজের বিপরীতে বিলের পরিমাণ ও প্রকৃত কাজের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি ছিল কি না ? এসব প্রশ্নের উত্তর কেবল একটি নিরপেক্ষ ও নথিভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।

    প্রতিবেদন প্রকাশের পরও কেন নীরব মন্ত্রণালয় ?
    সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর প্রশ্ন এখানেই। কায়কোবাদের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য, কথিত বিল অনিয়ম, বদলি-পদায়নে প্রভাব, ঠিকাদার সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগগুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট মহল আশা করেছিল, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় অন্তত একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে। কিন্তু অভিযোগকারীদের দাবি অনুযায়ী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কায়কোবাদের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি এবং কোনো দৃশ্যমান উচ্চপর্যায়ের তদন্তের উদ্যোগও দেখা যায়নি।

    ফলে প্রশ্ন উঠছে—অভিযোগের গুরুত্ব কি মন্ত্রণালয়ের নজরে আসেনি, নাকি অভিযোগের পরও কায়কোবাদ কোনো অদৃশ্য প্রভাববলয়ের কারণে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছেন?

    কায়কোবাদ বলয়ের নেপথ্যে কারা ? গণপূর্তের মতো বৃহৎ সরকারি উন্নয়ন সংস্থায় একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে এতগুলো অভিযোগ ওঠার পর তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ঠিকাদার ও মধ্যস্থতাকারীদের যোগাযোগের ধরনও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্বে থাকা, নির্দিষ্ট ঠিকাদারগোষ্ঠীর সঙ্গে কথিত ঘনিষ্ঠতা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সত্য কি না—তা যাচাই না করে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ, দুর্নীতির অভিযোগের ক্ষেত্রে শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তির ভূমিকা নয়, সম্ভাব্য সুবিধাভোগী ও সহযোগীদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ।

    বক্তব্য পাওয়া যায়নি কায়কোবাদের :
    অভিযোগগুলোর বিষয়ে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (চট্টগ্রাম জোন) মো. কায়কোবাদের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

    মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-সচিবের প্রতি প্রশ্ন : গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের কাছে এখন সংশ্লিষ্ট মহলের সরাসরি প্রশ্ন— একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে এত গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও কেন কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো না ?
    মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কথিত লিখিত অভিযোগের কী পরিণতি হয়েছে ? চট্টগ্রাম ও ঢাকার ই-এম সার্কেলে তার দায়িত্ব পালনকালে প্রকল্পগুলোর বিল, এমবি ও পেমেন্ট নথি কি যাচাই করা হয়েছে?

    তার কথিত বিপুল সম্পদের উৎস সম্পর্কে কোনো যাচাই হয়েছে কি? বদলি-পদায়নে তার কথিত প্রভাবের বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক অনুসন্ধান হয়েছে কি?

    কায়কোবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারগোষ্ঠীর প্রকল্পপ্রাপ্তির তথ্য কি কখনো পর্যালোচনা করা হয়েছে?
    আর যদি এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন হয়, তাহলে তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলো মিথ্যা প্রমাণ করে কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের অবসান ঘটানো হচ্ছে না কেন?

    সত্য হলে শুধু কায়কোবাদ নন, সুবিধাভোগীদেরও জবাবদিহি : অভিযোগগুলো তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে দায় কেবল একজন কর্মকর্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, মধ্যস্থতাকারী, প্রশাসনিক সহযোগী এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সুবিধাভোগীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখতে হবে।

    প্রয়োজনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা সংস্থা এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে নথিভিত্তিক তদন্ত করা যেতে পারে।

    কায়কোবাদ ও তার পরিবারের সম্পদের উৎস, আয়-ব্যয়ের সামঞ্জস্য, ব্যাংক লেনদেন, আয়কর নথি এবং দায়িত্ব পালনকালে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর আর্থিক নথি যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর সত্য-মিথ্যা অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে।

    তদন্ত না হলে প্রশ্ন আরও বাড়বে : সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ জনগণের অর্থ। সেই অর্থের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্য, ঠিকাদার সিন্ডিকেট, প্রশাসনিক প্রভাব এবং বিপুল সম্পদ অর্জনের মতো অভিযোগ ওঠার পরও যদি কোনো তদন্ত না হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে প্রশ্ন তৈরি হবে।

    অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা না নেওয়া যেমন গুরুতর, তেমনি অভিযোগ মিথ্যা হলেও তদন্ত না করে তা ঝুলিয়ে রাখাও একজন সরকারি কর্মকর্তার ভাবমূর্তির জন্য অন্যায্য।

    তাই এখন মূল প্রশ্ন : কায়কোবাদ অভিযুক্ত কি না—সেটি নয়; অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হবে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন।
    এখন দেখার বিষয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সচিব বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেন কি না। নাকি প্রকাশ্যে আসা গুরুতর অভিযোগগুলোও গণপূর্তের ফাইলের স্তূপে চাপা পড়ে থাকবে ? জনস্বার্থে প্রশ্ন একটাই—কায়কোবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত হবে, নাকি প্রভাবশালী বলয়ের ছায়ায় তদন্তের আগেই থেমে যাবে সব প্রশ্ন?

    Misu
    • Website

    Keep Reading

    রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার থেকে হাজার কোটি টাকার ঋণ: লিডস করপোরেশনের ব্যবসায়িক উত্থান, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রশ্নে স্বাধীন তদন্তের দাবি

    শ্যামলীর রাজ্জাক হোটেলে সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ অনুসন্ধানে গিয়ে মারধর, ক্যামেরা-মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ—ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা, আদাবর থানায় মামলা

    জমির মালিকানা ও কাগজপত্র নিয়ে জটিলতা, বিপাকে ৬৪ পরিবার

    এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের জবাব অন্য গণমাধ্যমে: কায়কোবাদকে ঘিরে ‘গৃহপালিত সাংবাদিক’ চক্রের অভিযোগ

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামীর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    রাজধানীতে পুলিশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫৭৭

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.