Close Menu
    What's Hot

    Gratis Spins uden Indskud Bonus – Få Maksimal Underholdning

    20 September, 2026

    Discovering Casinos Not On Gamstop A Comprehensive Guide

    20 September, 2026

    Los Mejores Casinos Online para Españoles en 2023

    20 September, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • Gratis Spins uden Indskud Bonus – Få Maksimal Underholdning
    • Discovering Casinos Not On Gamstop A Comprehensive Guide
    • Los Mejores Casinos Online para Españoles en 2023
    • Ruleta de Casino Gratis Dinero – Juega y Gana Sin Riesgo
    • Oplev Online Casino med Dansk Licens – Sikkerhed og Underholdning
    • Udenlandske Casino uden Dansk Licens – En Guide
    • Wedden zonder Cruks De Vrijheid van Gokken
    • Speel Veilig en Gemakkelijk met Paysafecard Online Casino’s van 10 Euro
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • রাজধানী
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    20 September, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • রাজধানী
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » জুন আসে, জুন যায়—‘মাসুদরা’ ঢাকায় থেকে যায় : বিআরটিএ, বিআরটিসি ও গণপূর্তে দীর্ঘদিন একই চেয়ারে থাকার অভিযোগ, প্রশ্নবিদ্ধ বদলি নীতি ও ‘জুন ক্লোজিং’ সংস্কৃতি !

    জুন আসে, জুন যায়—‘মাসুদরা’ ঢাকায় থেকে যায় : বিআরটিএ, বিআরটিসি ও গণপূর্তে দীর্ঘদিন একই চেয়ারে থাকার অভিযোগ, প্রশ্নবিদ্ধ বদলি নীতি ও ‘জুন ক্লোজিং’ সংস্কৃতি !

    News DaskBy News Dask3 August, 2026 অপরাধ ও দুর্নীতি No Comments4 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘জুন ক্লোজিং পর্যন্ত অপেক্ষা করুন’—সরকারি দপ্তরের অনেক কর্মকর্তার বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে এই কথাটি যেন দীর্ঘদিনের এক অঘোষিত সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ করছেন মাঠপর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা। তাদের অভিযোগ, জুন আসে, জুন যায়; কিন্তু কিছু কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ পদে বছরের পর বছর বহাল থাকেন।
    গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক প্রকৌশলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যখনই ঢাকায় চাকরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে অনুরোধ করি, তখনই বলা হয় জুন ক্লোজিং পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। কিন্তু জুন শেষ হওয়ার পরও আমার আর ঢাকায় কাজ করা হয় না। অথচ কিছু কর্মকর্তা প্রতি জুনেই কোনো না কোনোভাবে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যাচ্ছেন।”

    এমন অভিযোগের তালিকায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানার নামও উঠে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর ধরে ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে শেরেবাংলা নগর-৩ বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেও কয়েক বছর ছিলেন তিনি। অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক এক প্রধান প্রকৌশলীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিতি থাকার সময় থেকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সুযোগ পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজস্ব প্রভাববলয় তৈরি করে একই ধরনের সুবিধা ধরে রেখেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য জানা প্রয়োজন।

    শত শত কোটি টাকার প্রকল্প ও দরপত্র নিয়ে প্রশ্ন : গণপূর্তের একাধিক প্রকৌশলীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ডিভিশন-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানা দায়িত্ব পালনকালে কয়েকটি বড় প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
    অভিযোগ রয়েছে, প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুগদা মেডিকেল কলেজ প্রকল্প, প্রায় ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বিএম ভবন এবং একাধিক থানা কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান ও নিষ্পত্তির দায়িত্ব তার অধীন ছিল।
    এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তার এখতিয়ারাধীন প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের খণ্ড খণ্ড দরপত্র নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন প্রকৌশলী। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন একই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার ফলে প্রশাসনিক ভারসাম্য ও বদলি নীতির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

    পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ কবিরকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় :
    অন্যদিকে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাশেদ কবিরকে ঘিরেও নানা অভিযোগ উঠেছে।
    অভিযোগকারীদের দাবি, ধানমন্ডি গণপূর্ত উপবিভাগে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় এবং পরবর্তীতে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় শত কোটি টাকার বেশি মূল্যের ভুয়া বিল প্রদানের ঘটনায় তার নাম আলোচনায় আসে। ওই সময়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম ফারুক চৌধুরী বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

    অভিযোগকারীদের দাবি, রাশেদ কবির বর্তমানে পাবনা গণপূর্ত বিভাগে প্রভাবশালী অবস্থানে থেকে বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করছেন এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্থায় অভিযোগ জমা পড়েছে।
    এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও তদন্ত প্রয়োজন।

    বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদান নিয়েও প্রশ্ন : নথির বরাত দিয়ে অভিযোগ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত থাকা এক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে প্রায় ১৯ লাখ টাকা বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানের ঘটনায় রাশেদ কবিরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে , অসদাচরণের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত থাকা দুই উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পরবর্তীতে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তাদের একজনের আবেদন সুপারিশসহ হিসাব কার্যালয়ে পাঠানোর পর প্রায় ১৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে অর্থ ফেরতের বিষয়টি সামনে আসে।

    টেন্ডার প্রক্রিয়া ও জুন মাসের বিল নিয়ে অভিযোগ : পাবনা গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষ সময়ে জুন মাসে কয়েকটি বড় অঙ্কের কাজের বিল পরিশোধ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাদের দাবি, কিছু কাজ বাস্তবায়নের আগেই অগ্রিম বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের টেন্ডার পদ্ধতি নিয়েও আপত্তি তুলেছেন তারা। অভিযোগ করা হয়েছে, কিছু ক্ষেত্রে এলটিএমের পরিবর্তে ওটিএম পদ্ধতি ব্যবহার করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

    রূপপুর গ্রিনসিটি ও মেডিকেল কলেজ প্রকল্পে অভিযোগ : রূপপুর গ্রিনসিটি ও পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রকল্পের বিভিন্ন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল, বৈদ্যুতিক ও অবকাঠামোগত কাজ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার, সিডিউল বহির্ভূত কাজ এবং রক্ষণাবেক্ষণ দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।
    এমনকি ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের রিপেয়ারিং দেখিয়ে অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও করেছেন তারা।

    শুধু গণপূর্ত নয়, প্রশ্ন উঠছে বিআরটিএ ও বিআরটিসির ‘মাসুদ’দের নিয়েও : সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন একই গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তাদের বিষয়ে একই ধরনের প্রশ্ন উঠছে।

    বিআরটিএ, বিআরটিসি ও গণপূর্ত—এই তিন প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী কয়েকজন কর্মকর্তার দীর্ঘদিন একই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে থাকার বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।

    প্রশ্ন উঠছে—প্রশাসনে কি বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে সমতা নিশ্চিত হচ্ছে, নাকি কিছু কর্মকর্তা বিশেষ সুবিধা নিয়ে বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ধরে রাখছেন ? ‘জুন আসে, জুন যায়—কিন্তু মাসুদরা থেকে যায় ঢাকায়’—এমন অভিযোগ এখন অনেক কর্মকর্তার মুখে মুখে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য, সরকারি তদন্ত এবং নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে।

    News Dask
    • Website

    Keep Reading

    ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    তুহিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ছিল বাইক চুরির অভিযোগ

    চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?

    রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার থেকে হাজার কোটি টাকার ঋণ: লিডস করপোরেশনের ব্যবসায়িক উত্থান, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তা প্রশ্নে স্বাধীন তদন্তের দাবি

    শ্যামলীর রাজ্জাক হোটেলে সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগ অনুসন্ধানে গিয়ে মারধর, ক্যামেরা-মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ—ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা, আদাবর থানায় মামলা

    জমির মালিকানা ও কাগজপত্র নিয়ে জটিলতা, বিপাকে ৬৪ পরিবার

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.