Close Menu
    What's Hot

    ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

    24 September, 2026

    তদন্তাধীন কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে দায়িত্বের প্রস্তাব, ট্রাইব্যুনালের শোকজের সময়েই নড়েচড়ে ডিপিসি

    24 September, 2026

    Pohľad na Eurogoldkasina SK 2026 Budúcnosť online hazardu

    24 September, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Trending
    • ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক
    • তদন্তাধীন কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে দায়িত্বের প্রস্তাব, ট্রাইব্যুনালের শোকজের সময়েই নড়েচড়ে ডিপিসি
    • Pohľad na Eurogoldkasina SK 2026 Budúcnosť online hazardu
    • Zetcasinonove SK Vstúpte do sveta online zábavy
    • Nye Bettingsider Din Guide til De Nyeste Spillalternativene 2109108125
    • Slovenské online kasína 2026 Novinky, trendy a porovnania
    • Objavte Bezlepkovú cukráreň v Žiline
    • Udforsk Skottestentoft DK Et Skjult Perle i Danmark
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • রাজধানী
      • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Subscribe
    24 September, 2026
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • বিনোদন
    • ধর্ম
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • মন্ত্রণালয়
      • অপরাধ ও দুর্নীতি
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • রাজধানী
      • স্বাস্থ্য
    দেশ বার্তাদেশ বার্তা
    Home » তদন্তাধীন কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে দায়িত্বের প্রস্তাব, ট্রাইব্যুনালের শোকজের সময়েই নড়েচড়ে ডিপিসি

    তদন্তাধীন কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে দায়িত্বের প্রস্তাব, ট্রাইব্যুনালের শোকজের সময়েই নড়েচড়ে ডিপিসি

    NasimBy Nasim24 September, 2026 অপরাধ ও দুর্নীতি No Comments7 Mins Read
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের শোকজের মধ্যেই গণপূর্ত অধিদপ্তরের ইলেকট্রিক্যাল/মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগের তিন প্রকৌশলীকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

    একদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতির আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১, ঢাকায় মামলা বিচারাধীন। অন্যদিকে তাদের একজন মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে সরকারি নথিতে তদন্ত কমিটির কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে। এর মধ্যেই তিন কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এবং ডিপিসি-সংক্রান্ত তৎপরতার অভিযোগ সামনে এসেছে।

    এখন প্রশ্ন শুধু তিন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে কি না—তা নয়। মূল প্রশ্ন হলো, বিষয়টি যখন আদালতের নজরে, একজন কর্মকর্তাকে ঘিরে তদন্ত চলমান এবং নিয়োগ ও ক্যাডার স্ট্যাটাস নিয়েও বিরোধ রয়েছে, তখন পদোন্নতির প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কোন আইনি ভিত্তিতে এগোচ্ছে?

    আদালতের শোকজ, তবু ফাইলের গতি কতদূর?

    এ.টি. মামলা নং-২৭৯/২০২৬-এ Md. Abdul Halim and 09 others বনাম Secretary, Ministry of Housing & Public Works and others মামলাটি ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-১ প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করেন।

    ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শাতে বলেছেন—গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৩ মার্চ ২০২৬-এর স্মারক এবং এর ভিত্তিতে গ্রেড-৪-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্ব প্রদানের পরবর্তী পদক্ষেপ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না।

    ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট আদেশ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

    অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বৈধতা এখন বিচারিক পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে।

    এই অবস্থায় পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্বের ফাইল পরবর্তী ধাপে নেওয়া হয়েছে কি না, ডিপিসির কার্যক্রমের জন্য কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না এবং হয়ে থাকলে আদালতের আদেশ কীভাবে বিবেচনা করা হয়েছে—এগুলোই এখন অনুসন্ধানের কেন্দ্রে।

    তিন কর্মকর্তাকে নিয়ে যে প্রস্তাব

    গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৬ অক্টোবর ২০২৫-এর স্মারকে তিন নির্বাহী প্রকৌশলীকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

    তারা হলেন—

    মো. জিয়াউর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত ই/এম ডিজাইন বিভাগ-১, ঢাকা।

    মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), রিজার্ভ, গণপূর্ত অধিদপ্তর, ঢাকা; সংযুক্ত গণপূর্ত ই/এম কাঠের কারখানা বিভাগ।

    মো. তাসফিন মুহাইমীন হক, নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত ই/এম প্ল্যানিং বিভাগ-৩, ঢাকা।

    প্রস্তাব অনুযায়ী তাদের যথাক্রমে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী গণপূর্ত ই/এম সার্কেলে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার কথা ছিল।

    নথিতে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ই/এম)-এর অনুমোদিত ১১টি পদের মধ্যে কয়েকটি পদ শূন্য থাকায় সরকারি কাজের স্বার্থে দ্রুত পদ পূরণের প্রয়োজন ছিল।

    কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিষয়টি যখন আদালতের সামনে এসেছে, তখন আগের ওই প্রস্তাবের আইনগত অবস্থান নতুন করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    তদন্ত চলতেই উচ্চতর দায়িত্বের প্রস্তাব

    তিন কর্মকর্তার মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি উঠছে তার বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের কারণে।

    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অধিশাখার সরকারি নথিতে তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগ তদন্তের জন্য কমিটির সভা আহ্বানের তথ্য রয়েছে। নথিতে ৫ মার্চ এবং ২০ জুন ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট স্মারকের উল্লেখ রয়েছে।

    ৯ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তদন্ত কমিটির সভা হওয়ার কথা ছিল।

    অর্থাৎ, সরকারি নথি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের প্রক্রিয়া চলছিল।

    অন্যদিকে তার নামই রয়েছে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবে।

    এখানেই অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন:

    তদন্তাধীন কোনো কর্মকর্তাকে উচ্চতর পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে তদন্তের বিষয়টি কি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিবেচিত হয়েছিল?

    তার সার্ভিস রেকর্ডে তদন্তের বিষয়টি কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?

    ডিপিসির নথিতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে কি না?

    তদন্ত শেষ হওয়ার আগে তাকে উচ্চতর দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে কোনো প্রশাসনিক বা আইনগত মতামত নেওয়া হয়েছিল কি না?

    এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো প্রকাশ্যে স্পষ্ট নয়।

    ‘ডিপিসি’ তৎপরতা নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন

    সংশ্লিষ্টদের পদোন্নতি নিয়ে বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

    এখানে অনুসন্ধানের বিষয় হলো, ডিপিসির সামনে ফাইল উপস্থাপনের সময় কোন কোন নথি রাখা হয়েছে।

    বিশেষ করে—

    – প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের ৩১ আগস্টের আদেশ;
    – ২ সেপ্টেম্বরের রেজিস্ট্রি স্মারক;
    – ৩ মার্চের বিতর্কিত স্মারক;
    – তিন কর্মকর্তার নিয়োগসংক্রান্ত নথি;
    – তাদের ক্যাডার স্ট্যাটাস;
    – বিভাগীয় ও সিনিয়র স্কেল পরীক্ষার তথ্য;
    – মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে চলমান তদন্তের নথি;
    – পূর্বের চলতি দায়িত্বের প্রস্তাব।

    এসব নথি ডিপিসির সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

    কারণ কোনো প্রশাসনিক কমিটির সিদ্ধান্ত শুধু ফাইলের ওপর থাকা প্রস্তাবের ভিত্তিতে নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আইনগত অবস্থান ও প্রাসঙ্গিক নথির ভিত্তিতেও যাচাই হওয়ার কথা।

    ৩ মার্চের স্মারকই এখন মূল নথি?

    মামলার নথিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৩ মার্চ ২০২৬-এর স্মারকটি বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

    ওই স্মারকে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (ই/এম) কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে Bangladesh Civil Service (Examination for Promotion) Rules, 2017 প্রযোজ্য নয় বলে মত দেওয়া হয়েছিল এবং তাদের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির জন্য ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়।

    এখানেই আইনগত প্রশ্নটি সামনে আসে।

    যদি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়োগের ধরন, ক্যাডারভুক্তি বা পদোন্নতির যোগ্যতা নিয়ে বিরোধ থাকে, তাহলে তাদের উচ্চতর ক্যাডার পদে বিবেচনার আগে কোন বিধি অনুসরণ করা হয়েছে?

    কর্তৃপক্ষের এই ব্যাখ্যার ভিত্তি কী?

    এ বিষয়ে কোনো আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়া হয়েছিল কি না?

    কিংবা সংশ্লিষ্ট সার্ভিস রুলসের ওপর নির্দিষ্ট প্রশাসনিক ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছিল কি না?

    এসব তথ্য প্রকাশ্যে না আসায় বিতর্ক আরও বাড়ছে।

    ‘চলতি দায়িত্ব’ কি পদোন্নতির বিকল্প পথ?

    পুরো প্রক্রিয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ‘চলতি দায়িত্ব’।

    নিয়মিত পদোন্নতির প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ—এই যুক্তিতে ২০২৫ সালের স্মারকে তিন কর্মকর্তাকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল।

    কিন্তু বর্তমানে যখন একই পদে নিয়মিত পদোন্নতির আইনগত যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন আদালতে বিচারাধীন, তখন চলতি দায়িত্বের মাধ্যমে একই উচ্চতর প্রশাসনিক অবস্থানে দায়িত্ব দেওয়ার উদ্যোগের আইনগত ভিত্তিও স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়ে।

    অর্থাৎ, পদোন্নতি নিয়ে যে প্রশ্ন আদালতে উঠেছে, চলতি দায়িত্বের ক্ষেত্রে সেই প্রশ্ন প্রযোজ্য হবে কি না—এটিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যার বিষয়।

    অর্থ লেনদেনের অভিযোগ: প্রমাণ কোথায়?

    পদোন্নতি ও ডিপিসি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে।

    বিশেষ করে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে ডিপিসি-সংক্রান্ত ফাইল এগিয়ে নিতে বিপুল অর্থ লেনদেনের গুঞ্জনের কথা অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

    তবে এ ধরনের অভিযোগের কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতে প্রমাণিত তথ্য এই প্রতিবেদনের হাতে নেই।

    তাই অর্থ লেনদেনের অভিযোগকে প্রমাণিত দুর্নীতি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    তবে সরকারি পদোন্নতি প্রক্রিয়াকে ঘিরে এমন অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান করেছে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে তা উপেক্ষা করা যেমন যুক্তিসঙ্গত নয়, তেমনি যাচাই ছাড়া অভিযোগকে সত্য হিসেবেও উপস্থাপন করা যায় না।

    নিয়মিত ক্যাডার কর্মকর্তাদের অবস্থান

    এই বিরোধের আরেকটি দিক নিয়মিত বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি।

    অভিযোগকারীদের বক্তব্য, নিয়মিত ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে যে বিধিবদ্ধ যোগ্যতা, পরীক্ষা, জ্যেষ্ঠতা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়, সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উচ্চতর ক্যাডার পদে বিবেচনার ক্ষেত্রেও তার আইনগত সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন।

    এখানে ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে অভিযোগের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—একই উচ্চতর পদে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবার জন্য একই বিধি ও যোগ্যতার কাঠামো প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না।

    এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে নিয়োগ বিধি, ক্যাডার কাঠামো, পদোন্নতি বিধিমালা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সার্ভিস রেকর্ডের ওপর।

    এখন তিনটি নথিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্তত তিনটি নথির মধ্যে সম্পর্ক খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

    প্রথমত, ২৬ অক্টোবর ২০২৫-এর চলতি দায়িত্বের প্রস্তাব।

    দ্বিতীয়ত, ৩ মার্চ ২০২৬-এর পদোন্নতি-সংক্রান্ত স্মারক।

    তৃতীয়ত, ৩১ আগস্ট ২০২৬-এর প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের আদেশ।

    এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে তদন্তের নথি এবং পরবর্তী সময়ে ডিপিসি-সংক্রান্ত ফাইল নোট।

    এই নথিগুলোর তারিখ, সিদ্ধান্ত এবং ফাইলের গতিপথ পাশাপাশি রাখলেই বোঝা সম্ভব হবে—ট্রাইব্যুনালের আদেশের আগে ও পরে প্রশাসনিক অবস্থানে কী পরিবর্তন এসেছে।

    মন্ত্রণালয়ের জবাব এখন গুরুত্বপূর্ণ

    এই পরিস্থিতিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাছে কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর প্রত্যাশিত।

    ট্রাইব্যুনালের শোকজ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্বের ফাইল স্থগিত রাখা হয়েছে কি না?

    ডিপিসি আহ্বানের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না?

    হয়ে থাকলে ট্রাইব্যুনালের আদেশ কীভাবে বিবেচনা করা হয়েছে?

    মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের তথ্য তার পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্বের ফাইলে সংযুক্ত করা হয়েছে কি না?

    ৩ মার্চ ২০২৬-এর স্মারক তৈরির আগে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ও নিয়োগ বিধির আইনগত ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছিল কি না?

    এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—পদোন্নতি ঘিরে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের কোনো অনুসন্ধান হয়েছে কি না?

    এসব প্রশ্নের লিখিত উত্তর পাওয়া গেলে বিতর্কের অনেকটাই পরিষ্কার হতে পারে।

    সামনে এখন কী?

    মামলাটির পরবর্তী সার্ভিস রিটার্নের তারিখ ১৭ নভেম্বর ২০২৬।

    এর আগে বিবাদীদের কারণ দর্শানোর জবাব আদালতে জমা পড়ার কথা। সেই জবাবে ৩ মার্চের স্মারকের আইনগত ভিত্তি, সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্বের প্রক্রিয়া এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অবস্থান সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য স্পষ্ট হতে পারে।

    তবে তার আগেই যদি পদোন্নতি বা চলতি দায়িত্বের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্তের আইনগত ভিত্তি ও ট্রাইব্যুনালের আদেশের সঙ্গে তার সামঞ্জস্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

    এখন তাই নজর শুধু তিন কর্মকর্তার পদোন্নতির দিকে নয়; নজর রয়েছে ফাইলের গতিপথ, ডিপিসির কার্যক্রম, তদন্তের অগ্রগতি এবং ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর মন্ত্রণালয়ের নেওয়া পদক্ষেপের দিকে।

    অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট নথি, তদন্ত এবং বিচারিক প্রক্রিয়া। কিন্তু নথিতে যখন একই সঙ্গে বিচারাধীন মামলা, তদন্তাধীন অভিযোগ এবং উচ্চতর পদে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবের তথ্য পাওয়া যায়, তখন পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে যাচাই করার দাবি এড়ানোর সুযোগ থাকে না।

    Nasim

    Keep Reading

    জয়পুরহাটে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, ৩ ফার্মেসিকে জরিমানা

    শ্রীনগরে লাইসেন্সবিহীন ওষুধ কারখানায় অভিযান, লাখ টাকা জরিমানা

    গণপূর্তে পদোন্নতি ঘিরে বিতর্ক, ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান : তবুও তিন প্রকৌশলীকে ‘চলতি দায়িত্ব’ দেওয়ার প্রস্তাব !

    ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

    তুহিনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ছিল বাইক চুরির অভিযোগ

    চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা—গণপূর্তের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কায়কোবাদ: প্রকল্পের বিল, কমিশন ও সম্পদের অভিযোগ তদন্তে নীরবতা কেন?

    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Editors Picks
    Latest Posts

    Subscribe to News

    Get the latest sports news from NewsSite about world, sports and politics.

    Advertisement
    Demo

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ নজরুল ইসলাম
    ফোন নাম্বারঃ+880 1325405711
    মেইলঃ deshbarta@gmail.com

     

    সম্পাদকীয় ও বার্তা কার্যালয়ঃ রোড নং ৪, বাড়ি নং ৭৮ ব্লক এ নিকেতন গুলশান ১

    © 2026 ThemeSphere. Designed by Md. Robin Mia.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.